কূটনৈতিক তৎপরতা সফল হলে শুধু হরমুজ প্রণালিই নয়, কয়েক মাস ধরে চলা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতও একটি নতুন মোড়ে পৌঁছাতে পারে। আর আলোচনা ভেস্তে গেলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশ্লেষকরা।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সম্ভাব্য আলোচনা নিয়ে দুই দেশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালির কাছে একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে থাকলে ট্রাম্পের সামনে কয়েকটি কঠিন বিকল্প রয়েছে। তিনি কি এখনকার মতো ফলহীন বিমান হামলা, নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সামুদ্রিক অবরোধের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন, যা যুদ্ধের কোনো স্থায়ী সমাধান দিচ্ছে না?
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ই-মেইলের মাধ্যমে এভাবে সেনাদের কাছ থেকে ধারণা চাওয়া অস্বাভাবিক ঘটনা। এটি ইঙ্গিত দেয়, ট্রাম্পের শর্তে ইরানকে সমঝোতায় বাধ্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা বিকল্পগুলো সীমিত এবং অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিকর হয়ে উঠছে।
তেহরানের লক্ষ্য সরাসরি বড় ধরনের সামরিক বিজয় নয়; বরং সংঘাতের ব্যয় বাড়িয়ে ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের এমন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া, যেখানে ইরানের দাবি মেনে নেওয়াই তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল বলে মনে হবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পর্যটন খাতকে অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে ওমান ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে। নতুন ১৪ দিনের বিনা মূল্যের ট্যুরিস্ট ভিসা সেই উদ্যোগেরই অংশ, যা বিদেশি পর্যটকদের জন্য দেশটিতে প্রবেশ আরও সহজ করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখত
ইসরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন বলেছেন, হামাসকে নিরস্ত্র হওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হবে কি না তা নিয়ে তিনি ‘খুবই সন্দিহান’। তিনি বলেন, গাজায় হামলা বন্ধের কোনো চুক্তি হয়নি এবং হামাস নিরস্ত্র না হলে এরই মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে থাকা ইসরায়েলের পুরো গাজা দখল করা প্রয়োজন হতে পার
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌ পথ নির্ধারণের বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে তারা। তবে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, এমন কোনো সমঝোতা হলেও প্রণালিটি যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে ১৫ দফার একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করে। ওই প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ধাপে ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের কথা বলা হয়। তবে প্রস্তাবটি এখনও মাঠপর্যায়ে আলোর মুখ দেখেনি।
এর মধ্যে কয়েক শ মিলিয়ন ডলার গেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বিন্যান্সে। শেলবিট থেকে বিন্যান্সের বিভিন্ন ঠিকানায় গেছে অন্তত ৬৭ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ক্রিপ্টো। একই সময়ে শেলবিটের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন হয়েছে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এবং এমন কিছু ওয়ালেটের, যেগুলো ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আইআরজিসির সঙ্গ
সৌদির নেতৃত্বে গঠিত এই জোটে বাংলাদেশসহ মোট ১৪টি দেশ যোগ দিয়েছে।
শুক্রবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া বক্তব্যে হামাসের এক কর্মকর্তা বলেন, অস্ত্রের বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।
হোরমোজগান প্রদেশের উপ-গভর্নর আহমাদ নাফিসির বরাত দিয়ে আইআরএনএ জানায়, কেশমের 'চাহ তাঙ্গু' এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটিতে উদ্ধার অভিযান ও ধ্বংসস্তূপ অপসারণের কাজ শেষ হয়েছে। নাফিসি জানান, নিহতরা হলেন ওই পরিবারের বাবা, মা ও তাদের এক সন্তান। আহত অপর দুই শিশুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হ
এর আগে সৌদি আরবের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর ইরাকে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইরানও হরমুজ প্রণালি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ও মিত্র দেশের অবস্থানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে কয়েক মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ এখন আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংঘাতের দিকে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। এর অংশ হিসেবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চীনে তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার প্রথম চালান পেতে যাচ্ছে দেশটি।