
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে ক্রমবর্ধমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের মুখে আরও কঠোর দমননীতির ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ কোনো অবস্থাতেই পিছু হটবে না।
খামেনির এমন বক্তব্যে ইরান জুড়ে চলমান বিক্ষোভ দমনে সহিংস অভিযান আরও জোরালো হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে এ বিক্ষোভে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন বলে তথ্য দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
গার্ডয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর পর প্রথমবারের মতো দেওয়া ভাষণে খামেনি আন্দোলনকারীদের ‘ভাঙচুরকারী’ ও ‘নাশকতাকারী’ বলে অভিহিত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভ বিদেশি এজেন্ডা দ্বারা পরিচালিত এবং আন্দোলনকারীরা অন্য দেশের নেতাদের সন্তুষ্ট করতেই রাস্তায় নেমেছে।
খামেনি এই বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ এর আগে ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের গুলি করে, ট্রাম্প তাদের রক্ষা করবেন।
গত কয়েক দিনে তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তেহরানের সাদাতাবাদ এলাকায় মানুষ হাঁড়ি-পাতিল বাজিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। একই ধরনের বিক্ষোভ দেখা গেছে মাশহাদ, তাবরিজ ও কোম শহরে।
নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সিসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা অন্তত ৯। বিক্ষোভে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। দুই হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে ইরানে কার্যত ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, এই ‘সম্পূর্ণ ইন্টারনেট শাটডাউন’ বিক্ষোভ দমনের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রকৃত চিত্র আড়াল করার কৌশল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি পরে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কর্তৃপক্ষ যদি গুলি চালায়, যুক্তরাষ্ট্রও গুলি চালাতে পারে। ইউরোপের ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে এবং বিক্ষোভকারীদের হত্যার নিন্দা জানিয়েছে।
ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই বলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে ‘নির্ধারিত, সর্বোচ্চ এবং কোনো আইনি শিথিলতা ছাড়া’। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এই বক্তব্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।
এদিকে নির্বাসিত রেজা পাহলভি বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভের ডাক দেন এবং শুক্রবার আবারও রাস্তায় নামার আহ্বান জানান। বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ তার সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছে এবং ১৯৭৯ সালের আগে ব্যবহৃত ‘সিংহ-সূর্য’ প্রতীকযুক্ত পতাকা বহন করছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক দমন এবং ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার মধ্যে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
ইরানে সর্বশেষ বড় সরকারবিরোধী আন্দোলন হয় ২০২২-২৩ সালে, মাশা আমিনির হেফাজতে মৃত্যুর পর। সেই আন্দোলন দমনে ব্যাপক ধরপাকড় ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। চলমান বিক্ষোভকে সেই সময়ের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে দেশটিতে অর্থনৈতিক দুরবস্থার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি লাগামছাড়া হয়ে পড়লে তা ব্যাপক অর্থনৈতিক-সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে।

ইরানে ক্রমবর্ধমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের মুখে আরও কঠোর দমননীতির ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ কোনো অবস্থাতেই পিছু হটবে না।
খামেনির এমন বক্তব্যে ইরান জুড়ে চলমান বিক্ষোভ দমনে সহিংস অভিযান আরও জোরালো হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে এ বিক্ষোভে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন বলে তথ্য দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
গার্ডয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ শুরুর পর প্রথমবারের মতো দেওয়া ভাষণে খামেনি আন্দোলনকারীদের ‘ভাঙচুরকারী’ ও ‘নাশকতাকারী’ বলে অভিহিত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভ বিদেশি এজেন্ডা দ্বারা পরিচালিত এবং আন্দোলনকারীরা অন্য দেশের নেতাদের সন্তুষ্ট করতেই রাস্তায় নেমেছে।
খামেনি এই বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ এর আগে ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের গুলি করে, ট্রাম্প তাদের রক্ষা করবেন।
গত কয়েক দিনে তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তেহরানের সাদাতাবাদ এলাকায় মানুষ হাঁড়ি-পাতিল বাজিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়। একই ধরনের বিক্ষোভ দেখা গেছে মাশহাদ, তাবরিজ ও কোম শহরে।
নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সিসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা অন্তত ৯। বিক্ষোভে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। দুই হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে ইরানে কার্যত ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, এই ‘সম্পূর্ণ ইন্টারনেট শাটডাউন’ বিক্ষোভ দমনের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রকৃত চিত্র আড়াল করার কৌশল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি পরে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কর্তৃপক্ষ যদি গুলি চালায়, যুক্তরাষ্ট্রও গুলি চালাতে পারে। ইউরোপের ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে এবং বিক্ষোভকারীদের হত্যার নিন্দা জানিয়েছে।
ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই বলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে ‘নির্ধারিত, সর্বোচ্চ এবং কোনো আইনি শিথিলতা ছাড়া’। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এই বক্তব্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।
এদিকে নির্বাসিত রেজা পাহলভি বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভের ডাক দেন এবং শুক্রবার আবারও রাস্তায় নামার আহ্বান জানান। বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ তার সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছে এবং ১৯৭৯ সালের আগে ব্যবহৃত ‘সিংহ-সূর্য’ প্রতীকযুক্ত পতাকা বহন করছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক দমন এবং ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতার মধ্যে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
ইরানে সর্বশেষ বড় সরকারবিরোধী আন্দোলন হয় ২০২২-২৩ সালে, মাশা আমিনির হেফাজতে মৃত্যুর পর। সেই আন্দোলন দমনে ব্যাপক ধরপাকড় ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। চলমান বিক্ষোভকে সেই সময়ের পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে দেশটিতে অর্থনৈতিক দুরবস্থার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি লাগামছাড়া হয়ে পড়লে তা ব্যাপক অর্থনৈতিক-সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে।

এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে বেসেন্ট বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ঘাঁটিগুলো দুর্বল করতে সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করে একটি অভিযান শুরু হয়েছে। এসব স্থাপনা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।’
৬ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র আক্রান্ত হলে ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি স্থাপনায় ‘ব্যাপক হামলা’ চালানো হবে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের যেসব কোম্পানিতে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানা রয়েছে, সেগুলোকেও ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ এবং যুদ্ধ থেকে উৎসরিত মৃত্যু ও যন্ত্রণাকে পুরো ‘মানবজাতির জন্য একটি কলঙ্ক’ বলে অভিহিত করেছেন পোপ চতুর্দশ লিও। রোববার (২২ মার্চ) ভ্যাটিকান সিটির সেন্ট পিটার্স চত্বরে সাপ্তাহিক অ্যাঞ্জেলাস প্রার্থনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের আরাদ, দিমোনা ও তেল আবিব শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এতে অন্তত ২০০ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া লেবানন সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলায় এক ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে