
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানজুড়ে চলমান গণবিক্ষোভ ও সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীর প্রধান কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ‘ভুল’ পদক্ষেপের জবাব দিতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তাদের আঙুল ‘ট্রিগারে’ রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে উদ্দেশ করে বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা ও ১২ দিনের যুদ্ধে পাওয়া শিক্ষা থেকে শিক্ষা নিয়ে যেন তারা কোনো ভুল হিসাব না করে। অন্যথায় আরও ‘বেদনাদায়ক ও অনুশোচনাপূর্ণ পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এএফপি জানিয়েছে, তেহরান এখনো আলোচনায় আগ্রহী বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে। তবে একই সঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এর অংশ হিসেবে একটি শক্তিশালী মার্কিন নৌবহর পারস্য উপসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গত জুনে ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ১২ দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এর মধ্যেই গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানে শুরু হওয়া টানা বিক্ষোভ দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে এসব বিক্ষোভ উসকে দিচ্ছে। তার ভাষায়, এটি ১২ দিনের যুদ্ধে পরাজয়ের ‘কাপুরুষোচিত প্রতিশোধ’।
অন্যদিকে ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড সদর দপ্তরের প্রধান জেনারেল আলি আবদোল্লাহি আলিয়াবাদি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরানি বাহিনীর কাছে সব মার্কিন ঘাঁটি, স্বার্থ ও প্রভাবকেন্দ্র ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হলেও উভয়পক্ষই প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না।

ইরানজুড়ে চলমান গণবিক্ষোভ ও সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীর প্রধান কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ‘ভুল’ পদক্ষেপের জবাব দিতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তাদের আঙুল ‘ট্রিগারে’ রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে উদ্দেশ করে বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা ও ১২ দিনের যুদ্ধে পাওয়া শিক্ষা থেকে শিক্ষা নিয়ে যেন তারা কোনো ভুল হিসাব না করে। অন্যথায় আরও ‘বেদনাদায়ক ও অনুশোচনাপূর্ণ পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এএফপি জানিয়েছে, তেহরান এখনো আলোচনায় আগ্রহী বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে। তবে একই সঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এর অংশ হিসেবে একটি শক্তিশালী মার্কিন নৌবহর পারস্য উপসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গত জুনে ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ১২ দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এর মধ্যেই গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানে শুরু হওয়া টানা বিক্ষোভ দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে এসব বিক্ষোভ উসকে দিচ্ছে। তার ভাষায়, এটি ১২ দিনের যুদ্ধে পরাজয়ের ‘কাপুরুষোচিত প্রতিশোধ’।
অন্যদিকে ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড সদর দপ্তরের প্রধান জেনারেল আলি আবদোল্লাহি আলিয়াবাদি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরানি বাহিনীর কাছে সব মার্কিন ঘাঁটি, স্বার্থ ও প্রভাবকেন্দ্র ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হলেও উভয়পক্ষই প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না।

এ সময় ট্রাম্প জানিয়েছেন, কারা কারা থাকছে তার এই শান্তি উদ্যোগে। আরও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ঘিরে এই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে তা আরও ব্যাপক আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
১ দিন আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, বুধবার নিহত তিন ফটো সাংবাদিক একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। তাঁরা ‘মিসরীয় কমিটি ফর গাজা রিলিফের’ হয়ে কাজ করতেন, যা গাজায় মিসরের ত্রাণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে।
১ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, নেটো প্রধানের সঙ্গে "খুবই ফলপ্রসূ বৈঠক" হয়েছে, যার ফলে গ্রিনল্যান্ড ও আর্কটিক অঞ্চল নিয়ে একটি সম্ভাব্য চুক্তির 'কাঠামো' তৈরি হয়েছে।
১ দিন আগে