‘নন-ফ্যামিলি পোস্টিং’কে ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলোর একটি মনে করা হয়। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক যে পাকিস্তানের, সেখানেও এই নীতি প্রযোজ্য নেই। এই দেশটি ভারতের কাছে ‘নো-চিলড্রেন পোস্টিং’ হিসেবে বিবেচিত।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ড. এস জয়শঙ্কারই নরেন্দ্র মোদি সরকারের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান মুখ। অভিজ্ঞ ও চৌকস এই কূটনীতিক আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার দৃঢ় বক্তব্য ও স্পষ্ট অবস্থানের জন্য পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে— সাউথ ব্লকে আদৌ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কে?
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সামরিক যোগাযোগ স্বাভাবিক ও অক্ষুণ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তিন বাহিনীর সঙ্গে ভারতের নিয়মিত যোগাযোগ আছে এবং কোনো স্তরেই যেন ভুল বোঝাবুঝি না হয়— সে লক্ষ্যেই এ যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।
নানা ইস্যুতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এমনকি ভেনেজুয়েলায় আগ্রাসন ইস্যুতেও ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। রাশিয়া ইস্যুতে এসে সেই দুই দল এক হয়ে গেছে। আলোচিত এ বিলটিও এনেছেন দুই দলের দুই সিনেটর।
বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর চাপে এ বছর আইপিএলে খেলতে পারবেন না। নিলামে কিনেও তাকে বাদ দিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
মৌলবাদী হিন্দুদের হুমকির মুখে আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশি খেলোয়াড় মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার সমালোচনা করেছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধসহ সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্বেষ চলছে, তা গভীর উদ্বেগের বিষয়। আমরা ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবকের সাম্প্রতিক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রত্যাশা করি।’
হামলাকারীরা পিস্তল দেখিয়ে ভয় দেখানোর পর দানিশকে লক্ষ্য করে অন্তত তিন রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এর মধ্যে দুটি গুলি তার মাথায় লাগে। গুলি করার ঠিক আগে এক হামলাকারী দানিশকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘তুমি এখনো আমাকে চেনো না, এবার চিনবে।’
গত ৫ ডিসেম্বরের রাতে ঘটনা নিয়ে কথাগুলো বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন মুহাম্মদ আতাহার হুসেইনের স্ত্রী শবনম পারভিন। ওই রাতে ৪০ বছর বয়সি মুহাম্মদ আতাহার হুসেইনকে বিহারের নাওয়াদা জেলায় রোহ অঞ্চলের ভট্টা গ্রামে নৃশংসভাবে পেটানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বিহার শরিফ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ ডিসে
ভারতের দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দূতাবাস, উপদূতাবাস এবং পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা আবেদন কেন্দ্রের সামনে লাগাতার বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যেই ত্রিপুরা সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামে এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর ঘটনার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যম।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ হলেও সেখানে নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙার কোনো চেষ্টা হয়নি বলে দাবি করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল। এ ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে 'বিভ্রান্তিকর' খবর প্রচার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ভারতকে উচিত শিক্ষা দিয়েছে পাকিস্তান উল্লেখ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, মে মাসের সংঘাতে মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত সরকারকে উচিত শিক্ষা দিয়েছে পাকিস্তান। যা তারা কোনোদিন ভুলতে পারবে না। দিল্লি থেকে মুম্বাই— পুরো ভারতই এই পরাজয় কখনো ভুলবে না। খবর জিও নিউজের।
পোস্টে হাসনাতের কোথায় গুলি করা উচিত—সে সম্পর্কেও মন্তব্য করেন অজয় কে রায়না। তিনি লিখেন, ‘গুলি করতে হবে ঘাড়ে, মাথায় নয়। প্রথমে তাকে নিশ্চুপ করাতে হবে এবং ছোট্ট ছোট্ট ভুলগুলোও শুধরে নেওয়া হবে।’
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে এ বিষয়ে উদ্বেগের কথা জানানো হয়।