
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় চলমান সংঘাতের অবসান ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিসে’ যোগ দিতে সম্মত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার আটটি দেশ। দেশগুলো হলো— সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, তুরস্ক, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও কাতার।
খালিজ টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বোর্ডে যোগদানের সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিটি দেশ নিজ নিজ সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর আওতায় প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বোর্ডে যোগদানের নথিতে সই করবে। এর মধ্যে মিসর, পাকিস্তান ও ইউএই আগেই এই উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজা সংকট নিরসনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন শান্তি উদ্যোগে দেশগুলো তাদের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। পাশাপাশি ‘বোর্ড অব পিস’কে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনিক কাঠামো হিসেবে কার্যকর করতে তারা সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করবে। এই কাঠামো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব নম্বর ২৮০৩-এর ভিত্তিতে গৃহীত একটি বিস্তৃত শান্তি পরিকল্পনার অংশ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানান, বোর্ডটির মূল দায়িত্ব হবে গাজায় একটি স্থায়ী ও কার্যকর যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা, দীর্ঘদিনের সংঘাতে বিধ্বস্ত অবকাঠামোর পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সহায়তা সমন্বয় করা এবং রাজনৈতিক সমাধানের পথ সুগম করা। এই রাজনৈতিক সমাধান আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবগুলোর আলোকে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেবল গাজা নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে টেকসই শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। পাশাপাশি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন— উভয় পক্ষের জনগণের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পথও এতে উন্মুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
গাজায় চলমান মানবিক বিপর্যয়, ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ধ্বংসের প্রেক্ষাপটে এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ঐকমত্য, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে ট্রাম্পের এ উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। অন্যদিকে এই বোর্ডের সদস্যদের নিয়ে আপত্তি তুলেছে ইসরায়েলও।

গাজায় চলমান সংঘাতের অবসান ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিসে’ যোগ দিতে সম্মত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার আটটি দেশ। দেশগুলো হলো— সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, তুরস্ক, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও কাতার।
খালিজ টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে এসব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বোর্ডে যোগদানের সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিটি দেশ নিজ নিজ সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর আওতায় প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বোর্ডে যোগদানের নথিতে সই করবে। এর মধ্যে মিসর, পাকিস্তান ও ইউএই আগেই এই উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজা সংকট নিরসনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন শান্তি উদ্যোগে দেশগুলো তাদের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। পাশাপাশি ‘বোর্ড অব পিস’কে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনিক কাঠামো হিসেবে কার্যকর করতে তারা সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করবে। এই কাঠামো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব নম্বর ২৮০৩-এর ভিত্তিতে গৃহীত একটি বিস্তৃত শান্তি পরিকল্পনার অংশ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানান, বোর্ডটির মূল দায়িত্ব হবে গাজায় একটি স্থায়ী ও কার্যকর যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা, দীর্ঘদিনের সংঘাতে বিধ্বস্ত অবকাঠামোর পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সহায়তা সমন্বয় করা এবং রাজনৈতিক সমাধানের পথ সুগম করা। এই রাজনৈতিক সমাধান আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবগুলোর আলোকে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেবল গাজা নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে টেকসই শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। পাশাপাশি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন— উভয় পক্ষের জনগণের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পথও এতে উন্মুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
গাজায় চলমান মানবিক বিপর্যয়, ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ধ্বংসের প্রেক্ষাপটে এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ঐকমত্য, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে ট্রাম্পের এ উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। অন্যদিকে এই বোর্ডের সদস্যদের নিয়ে আপত্তি তুলেছে ইসরায়েলও।

২০২০ সালের জুনে লাদাখ সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে চরম তিক্ততা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে সাত বছর লেগে গেল। এবার চারশত কর্মকর্তা সঙ্গী করে আবারও ভারত সফরে আসছেন শি জিনপিং।
২০ ঘণ্টা আগে
আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারে পররাষ্ট্র দপ্তর। এ ক্ষেত্রে তারা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।
২১ ঘণ্টা আগে
বেসেন্ট এটিকে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তেহরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা— এই দুটির মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হতে পারে।
১ দিন আগে