
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ তথা শান্তি পরিষদে এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জবাবে পুতিনের পক্ষে রাশিয়া জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা চালিয়ে যেতে চায়।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকতেই গাজার শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠন ও তদারকির লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রস্তাবিত এ পরিষদে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয় পুতিনকে। ক্রেমলিন এ আমন্ত্রণের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে বিশ্ব জুড়ে আলোচনায় আসা ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাবে। এ বোর্ডের লক্ষ্য গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানো। এ বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারসহ আরও কয়েকজনকে এরই মধ্যে এ বোর্ডের সদস্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাদেরও।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন এ উদ্যোগে অংশ নিতে পুতিনকে আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবের সব দিক নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় মস্কো।
এর আগে ট্রাম্পের মধ্যস্থতামূলক উদ্যোগের প্রশংসা করে পুতিন বলেছিলেন, দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক সংকট সমাধানে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, কেবল পুতিন নয়, তার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বোর্ডে। তাদের মধ্যে রয়েছেন পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো।
ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে পুতিন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানালেও গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের কঠোর সমালোচনা করেছেন। এ পরিস্থিতিকে মানবিক বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করে পুতিন বলেন, ফিলিস্তিনিদের জন্য নিয়মিত সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া। একই সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে শীতল সম্পর্ক বজায় থাকলেও ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে মস্কো।
মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহ্যগতভাবে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি অনুসরণ করলেও সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো রাশিয়ার আঞ্চলিক অবস্থান নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। সমালোচকদের মতে, ট্রাম্পের এই বোর্ডের কাঠামোতে পশ্চিমা ও ইসরায়েলপন্থি ব্যক্তিদের হাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব প্রান্তিক হয়ে পড়তে পারে এবং শাসন বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

ফিলিস্তিনের গাজা পুনর্গঠনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ তথা শান্তি পরিষদে এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জবাবে পুতিনের পক্ষে রাশিয়া জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা চালিয়ে যেতে চায়।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকতেই গাজার শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠন ও তদারকির লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রস্তাবিত এ পরিষদে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয় পুতিনকে। ক্রেমলিন এ আমন্ত্রণের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে বিশ্ব জুড়ে আলোচনায় আসা ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাবে। এ বোর্ডের লক্ষ্য গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানো। এ বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারসহ আরও কয়েকজনকে এরই মধ্যে এ বোর্ডের সদস্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাদেরও।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন এ উদ্যোগে অংশ নিতে পুতিনকে আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবের সব দিক নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় মস্কো।
এর আগে ট্রাম্পের মধ্যস্থতামূলক উদ্যোগের প্রশংসা করে পুতিন বলেছিলেন, দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক সংকট সমাধানে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, কেবল পুতিন নয়, তার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বোর্ডে। তাদের মধ্যে রয়েছেন পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো।
ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে পুতিন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানালেও গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের কঠোর সমালোচনা করেছেন। এ পরিস্থিতিকে মানবিক বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করে পুতিন বলেন, ফিলিস্তিনিদের জন্য নিয়মিত সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া। একই সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে শীতল সম্পর্ক বজায় থাকলেও ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে মস্কো।
মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহ্যগতভাবে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি অনুসরণ করলেও সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো রাশিয়ার আঞ্চলিক অবস্থান নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। সমালোচকদের মতে, ট্রাম্পের এই বোর্ডের কাঠামোতে পশ্চিমা ও ইসরায়েলপন্থি ব্যক্তিদের হাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব প্রান্তিক হয়ে পড়তে পারে এবং শাসন বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান সংকট নিরসনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিতে ভারত ও পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ওই কর্মকর্তা বলেন, বিক্ষোভের সময় ‘সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা’ নিরীহ ইরানিদের লক্ষ্য করে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তার দাবি, সহিংসতার বড় একটি অংশ পরিকল্পিত ছিল এবং এর পেছনে বিদেশি শক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
১ দিন আগে
মালাগা থেকে যাত্রা করা ট্রেনটি পরিচালনা করছিল বেসরকারি রেল কোম্পানি ইরিও। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ওই ট্রেনে প্রায় ৩০০ যাত্রী ছিলেন। অন্যদিকে রেনফে পরিচালিত মাদ্রিদ-হুয়েলভাগামী ট্রেনটিতে ছিলেন প্রায় ১০০ যাত্রী।
১ দিন আগে
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, এই বোর্ডের সনদটি এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত এক ডজন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তারা এই বোর্ডের সদস্য হতে পারেন। এ সংক্রান্ত নথিতে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের বিকল্প বা প্রতিদ্বন্দ্বী একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা
১ দিন আগে