পাঞ্জাব রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খাজা ইমরান নাজির পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জানান, ছাদ ধসের সময় মোট ৩০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ছিল সেই কোচিং সেন্টারটিতে। ধসের জেরে সবাই কমবেশি আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে অপেক্ষাকৃত বেশি আহত ২০ জন শিশুকে উদ্ধার করে খানা তহসিল হেডকোয়ার্টার (টিএইচকিউ) হাসপাতালে
আফগানিস্তানে বিমান অভিযান পরিচালনা করেছিল পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের রোববারের বিমান অভিযানে কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছিলেন এবং নিহতরা সবাই বেসামরিক ছিলেন।
পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মুসাদিক মালিক ও তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, একতরফাভাবে এই আন্তর্জাতিক চুক্তি স্থগিত বা বাতিলের সুযোগ নেই এবং কেউ পাকিস্তানের পানির ওপর হাত বাড়ালে তা ‘কেটে ফেলা হবে’।
স্থানীয় গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, প্রথমে একটি বিস্ফোরকবাহী গাড়ি দিয়ে সদর দপ্তরের গেটে আঘাত করা হয়। এতে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এরপরই শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। একই সময় করাচির ইউনিভার্সিটি রোডের মিটিওরোলজিক্যাল চৌরাঙ্গি এলাকায় আরও একটি বিস্ফোরণ ও প্রচণ্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তীব্র এই কম্পনে এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রাণহানি বা বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঝাঁকুনি তীব্র হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁরা দ্রুত ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, সামরিক ও বাণিজ্যিক—উভয় ধরনের ভারতীয় উড়োজাহাজই এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে। পাশাপাশি ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোর ইজারা নেওয়া উড়োজাহাজগুলোকেও পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না।
সার্ভেতে আয় বৈষম্য বৃদ্ধির বিষয়টিও উঠে এসেছে। পাশাপাশি একটি পৃথক বিশ্লেষণে সতর্ক করে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধাক্কা কিংবা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিলে লাখ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তার বার্তায় বলেন, ‘শান্তি চুক্তিটি নস্যাৎ করার জন্য একটি মহল ক্রমাগত বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। এই সব অপপ্রচারের ঊর্ধ্বে থেকে আমরা নিশ্চিত করছি যে, শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত পাঠ বা টেক্সট নিয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।’
আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় অভিযোগ করেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী আবারও আফগান আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কুনার, খোস্ত ও পাকতিকা প্রদেশে বেসামরিক বাড়িঘরে বোমা হামলা চালিয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণের অভিযোগের পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুরো অঞ্চলে কঠোর বিধিনিষেধ জারি ও মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এই ঘটনার পর পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং বেশ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কত
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস পাকিস্তান (এপিপি) জানিয়েছে, শাটল ট্রেনটি কোয়েটা ক্যান্টনমেন্ট থেকে রেলওয়ে স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। সকাল ৮টার কিছুক্ষণ পর চামান ফটকের কাছে বিস্ফোরণটি ঘটে। এতে ট্রেনের কয়েকটি বগি, আশপাশের বাড়িঘর ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলে
আইএসপিআর জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অস্ত্রধারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর ১৭ মে থেকে সেখানে ‘স্যানিটাইজেশন অপারেশন’ শুরু করা হয়। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান জোরদার করে অস্ত্রধারীদের অবস্থান ঘিরে ফেলে এবং তীব্র গোলাগুলির পর ২২ জনকে হত্যা করা হয়।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সামরিক অভিযানের জবাবে পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনইয়ান-উম-মারসুস’ নামে বড় ধরনের পাল্টা অভিযান চালায়। পাকিস্তানের দাবি, ওই অভিযানে ভারতের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি আটটি যুদ্ধবিমান— যার মধ্যে রাফালও ছিল— এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে
ইরান যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে প্রায় ৮ হাজার সেনা, এক স্কোয়াড্রন ফাইটার জেট এবং একটি অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। একটি দ্বিপাক্ষিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় রিয়াদের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে ইসলামাবাদ।
‘ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদিন’ নামে একটি জঙ্গি জোট এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। পুলিশ সূত্র জানায়, এ হামলায় তারা ড্রোনও ব্যবহার করেছে।