
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজা শাসনের জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ শান্তি পরিষদ গঠনের কাজ শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গাজার প্রশাসক হিসেবে কাজ করবে এই পরিষদ, যার সদস্য হিসেবে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, হোয়াইট হাউজের দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, এই বোর্ডের সনদটি এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত এক ডজন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তারা এই বোর্ডের সদস্য হতে পারেন। এ সংক্রান্ত নথিতে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের বিকল্প বা প্রতিদ্বন্দ্বী একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবেই গড়তে চাইছেন তার ‘বোর্ড অব পিস’কে।
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি হবে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর লক্ষ্য— সংঘাতে আক্রান্ত বা সংঘাতের ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিয়ে আসার পাশাপাশি ওই অঞ্চলে আইনসম্মতভাবে কার্যকর শাসনব্যবস্থা পুনর্প্রতিষ্ঠা করা। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে শান্তি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে সনদে। তিনটি সদস্যরাষ্ট্র সমর্থন দিলেই এই সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে গাজা শাসন ও পুনর্গঠনের তদারকির জন্য প্রশাসক হিসেবে ব্লেয়ার-কুশনারদের নাম ঘোষণা করে হোয়াইট হাউজ। এই ‘বোর্ড অব পিসে’র অধীনে একটি নির্বাহী বোর্ড গঠনের কাজও চলছে। এরই মধ্যে এই বোর্ডের সদস্যদের নামও ঘোষণা করা হয়েছে। এই বোর্ড যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার ব্যবস্থাপনা দেখভাল করবে। এতে আরও কয়েকজন বিশ্বনেতা থাকবেন, যাদের নাম আগামী সপ্তাহে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ঘোষণা করা হবে।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বোর্ড অব পিস’ নামে প্রস্তাবিত এই সংস্থার খসড়ায় ট্রাম্পকেই প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, নতুন কোনো সদস্য নেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভেটো ক্ষমতা থাকবে। এতে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে এক বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন ট্রাম্প। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণও থাকবে তার হাতেই।
খসড়া সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো দেশ সাধারণত তিন বছরের বেশি সময় এই বোর্ডের সদস্য থাকতে পারবে না। তবে সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই যদি কোনো দেশ নগদ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ এই বোর্ডকে দেয়, তাহলে সেই দেশের সদস্যপদের মেয়াদ বাড়তে পারে।
এদিকে ট্রাম্প প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিসের অধীনে এক্সিকিউটিভ বোর্ডে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, কাতারের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আলী সাওয়াদি ও মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান হাসান রাশাদের নাম রাখা হয়েছে। তবে এই তিনজনকে বোর্ডকে রাখা নিয়ে ইসরায়েল আপত্তি জানিয়েছে।
শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, গাজার এক্সিকিউটিভ বোর্ডের গঠন নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এটি ইসরায়েলের নীতির পরিপন্থি। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ট্রাম্প ঘোষিত বোর্ড ‘ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করছে’ উল্লেখ করে তীব্র সমালোচনা করেছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন ইসলামিক জিহাদও। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, বোর্ডটি ইসরায়েলি মানদণ্ড অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। এটি দখলদার শক্তির স্বার্থে কাজ করবে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে আগেই খারাপ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায় এই বোর্ড থেকে।
হোয়াইট হাউজ অবশ্য ইসরায়েল বা ইসলামিক জিহাদের আপত্তি-সমালোচনাকে খুব যৌক্তিক মনে করছে না। হোয়াইট হাউজ বলছে, গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ডটি বোর্ড অব পিসের অধীনে মূল এক্সিকিউটিভ বোর্ড থেকে আলাদা হবে, যদিও অনেকে দুটি বোর্ডেই থাকবেন। গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড কেবল গাজার পুনর্গঠন প্রকল্প তদারকি করবে। আর মূল এক্সিকিউটিভ বোর্ড গাজায় কার্যকর শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করা থেকে শুরু করে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে উন্নত মানের সেবা নিশ্চিত করাসহ সার্বিক বিষয় নজরদারি করবে।

গাজা শাসনের জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ শান্তি পরিষদ গঠনের কাজ শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গাজার প্রশাসক হিসেবে কাজ করবে এই পরিষদ, যার সদস্য হিসেবে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, হোয়াইট হাউজের দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, এই বোর্ডের সনদটি এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত এক ডজন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তারা এই বোর্ডের সদস্য হতে পারেন। এ সংক্রান্ত নথিতে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের বিকল্প বা প্রতিদ্বন্দ্বী একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবেই গড়তে চাইছেন তার ‘বোর্ড অব পিস’কে।
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি হবে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর লক্ষ্য— সংঘাতে আক্রান্ত বা সংঘাতের ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিয়ে আসার পাশাপাশি ওই অঞ্চলে আইনসম্মতভাবে কার্যকর শাসনব্যবস্থা পুনর্প্রতিষ্ঠা করা। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে শান্তি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে সনদে। তিনটি সদস্যরাষ্ট্র সমর্থন দিলেই এই সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে গাজা শাসন ও পুনর্গঠনের তদারকির জন্য প্রশাসক হিসেবে ব্লেয়ার-কুশনারদের নাম ঘোষণা করে হোয়াইট হাউজ। এই ‘বোর্ড অব পিসে’র অধীনে একটি নির্বাহী বোর্ড গঠনের কাজও চলছে। এরই মধ্যে এই বোর্ডের সদস্যদের নামও ঘোষণা করা হয়েছে। এই বোর্ড যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার ব্যবস্থাপনা দেখভাল করবে। এতে আরও কয়েকজন বিশ্বনেতা থাকবেন, যাদের নাম আগামী সপ্তাহে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ঘোষণা করা হবে।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বোর্ড অব পিস’ নামে প্রস্তাবিত এই সংস্থার খসড়ায় ট্রাম্পকেই প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, নতুন কোনো সদস্য নেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভেটো ক্ষমতা থাকবে। এতে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে এক বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন ট্রাম্প। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণও থাকবে তার হাতেই।
খসড়া সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো দেশ সাধারণত তিন বছরের বেশি সময় এই বোর্ডের সদস্য থাকতে পারবে না। তবে সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই যদি কোনো দেশ নগদ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ এই বোর্ডকে দেয়, তাহলে সেই দেশের সদস্যপদের মেয়াদ বাড়তে পারে।
এদিকে ট্রাম্প প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিসের অধীনে এক্সিকিউটিভ বোর্ডে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, কাতারের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আলী সাওয়াদি ও মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান হাসান রাশাদের নাম রাখা হয়েছে। তবে এই তিনজনকে বোর্ডকে রাখা নিয়ে ইসরায়েল আপত্তি জানিয়েছে।
শনিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, গাজার এক্সিকিউটিভ বোর্ডের গঠন নিয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এটি ইসরায়েলের নীতির পরিপন্থি। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ট্রাম্প ঘোষিত বোর্ড ‘ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা করছে’ উল্লেখ করে তীব্র সমালোচনা করেছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন ইসলামিক জিহাদও। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, বোর্ডটি ইসরায়েলি মানদণ্ড অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। এটি দখলদার শক্তির স্বার্থে কাজ করবে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে আগেই খারাপ উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায় এই বোর্ড থেকে।
হোয়াইট হাউজ অবশ্য ইসরায়েল বা ইসলামিক জিহাদের আপত্তি-সমালোচনাকে খুব যৌক্তিক মনে করছে না। হোয়াইট হাউজ বলছে, গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ডটি বোর্ড অব পিসের অধীনে মূল এক্সিকিউটিভ বোর্ড থেকে আলাদা হবে, যদিও অনেকে দুটি বোর্ডেই থাকবেন। গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড কেবল গাজার পুনর্গঠন প্রকল্প তদারকি করবে। আর মূল এক্সিকিউটিভ বোর্ড গাজায় কার্যকর শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করা থেকে শুরু করে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে উন্নত মানের সেবা নিশ্চিত করাসহ সার্বিক বিষয় নজরদারি করবে।

উনিশ শতকে আমেরিকা একটি ভয়ানক দর্শন বিশ্বাস করত— ম্যানিফেস্ট ডেস্টিনি। সৃষ্টিকর্তা তাদের আটলান্টিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত পুরো মহাদেশ দখল করার অধিকার দিয়েছেন বলে মনে করত দেশটি। ২০২৬ সালে এসেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাত ধরে সেই পুরনো, হিংস্র ও বর্ণবাদী দর্শনই ফিরে এক নতুন ও দানবীয় রূপে।
২ দিন আগে
ইরানি কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক অস্থিরতার জন্য ক্রমেই বিদেশি শক্তিগুলোকে দায়ী করছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই অস্থিরতা উসকে দিয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
২ দিন আগে
ইরানে চলমান সরকারবিবোধী বিক্ষোভে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সহিংসতায় আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএর বরাত দিয়ে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘এটা একটা মিশন, আমরা ভেনেজুয়েলাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ ভূমিতে পরিণত করতে যাচ্ছি এবং আমি বিশ্বাস করি, যখন সময় আসবে তখন আমি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবো, প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট।’
২ দিন আগে