শানসি প্রদেশকে চীনের কয়লা খনির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়। যদিও সাম্প্রতিক দশকগুলোতে খনির নিরাপত্তা কিছুটা উন্নত হয়েছে, তবুও নিরাপত্তা বিধি যথাযথভাবে মানা না হওয়ায় দেশটিতে এখনও প্রায়ই খনি দুর্ঘটনা ঘটে।
সর্বশেষ বৈঠক তাদের অংশীদারিত্বের অন্তর্নিহিত সীমাবদ্ধতাকেও নতুন করে সামনে এনেছে। রাশিয়ার ওপর জ্বালানিগত নির্ভরতা নিয়ে বেইজিংয়ের দ্বিধা, নিজস্ব কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অক্ষুণ্ন রাখার প্রয়াস এবং তাদের সুদূরপ্রসারী বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এটাই প্রমাণ করে যে— মস্কোর সঙ্গে ঠিক কতখানি এবং কোন প্রক্রিয়ায় অংশীদা
কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বেইজিং। আমেরিকার এই পদক্ষেপকে 'জোরজুলুম' ও 'হুমকি' অভিহিত করে তা অবিলম্বে বন্ধের জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র কিউবার পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্
চীনের জন্য এই সফর দুটি প্রমাণ করে যে, দেশটির বিশাল অর্থনীতি এবং নতুন কূটনৈতিক প্রভাবের কারণে এখন সব পথই বেইজিংয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দুই সফরের বাহ্যিক দৃশ্যপট প্রায় একই রকম ছিল— স্বাগতিক হিসেবে শি জিনপিং বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তবে ট্রাম্পের সফরের সঙ্গে পুতিনের সফরের পেছনের রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
বিশ্ব রাজনীতিতে ঔপনিবেশিক আমলের মানসিকতা নিয়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তবে বিশ্ব জুড়ে আবারও 'জঙ্গলের আইন' (জোর যার মুল্লুক তার নীতি) ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে বলে যৌথভাবে সতর্ক করেছে রাশিয়া ও চীন।
ইউক্রেন যুদ্ধে চীন নিজেদের ‘নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী’ দাবি করলেও রুশ সামরিক বাহিনীর কিছু সদস্যকে চীনের মাটিতে ‘গোপনে’ ড্রোন ও যুদ্ধকৌশলের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পশ্চিমা গোয়েন্দারা দাবি করেছেন, গত বছরের শেষভাগে চীনের সশস্ত্র বাহিনী সে দেশের মাটিতে প্রায় ২০০ রুশ সেনাকে ‘গোপনে’ বিশেষ সামরিক প্রশি
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বেইজিংয়ে এই বৈঠক শুরু হয়েছে বলে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা নিশ্চিত করেছে।
অনেক তাইওয়ানিজ নিজেদের আলাদা জাতির অংশ হিসেবে মনে করেন। তবে অধিকাংশ মানুষ বর্তমান অবস্থাই বজায় রাখতে চান, অর্থাৎ তাইওয়ান যেন চীনের কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা না করে, আবার চীনের সঙ্গে যেন একীভূতও না হয়।
পুতিনের সম্ভাব্য এই সফর সফল হলে চীন অনন্য এক আন্তর্জাতিক রেকর্ড অর্জন করবে। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের মধ্যে চার দেশের সরকারপ্রধানদেরই আতিথেয়তা দেওয়া একমাত্র দেশ হবে চীন।
দুই দিন ধরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকলেও বাণিজ্যে বড় কোনো অগ্রগতি কিংবা ইরান যুদ্ধ বন্ধে বেইজিংয়ের কাছ থেকে দৃশ্যমান সহায়তা ছাড়াই শুক্রবার বেইজিং ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৫ মে) আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অবস্থান তুলে ধরেছে। তারা ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবিত ‘চার দফা’কেই কার্যকর কৌশল বলে মনে করছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় বৈঠক করেন। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ককে ‘বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। হোয়াইট হাউজও বৈঠকটিকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বলে উল্লেখ করেছে। গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন
ফক্স নিউজের সঞ্চালক শন হ্যানিটি সাক্ষাৎকার নেন ট্রাম্পের। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আজ তিনি (শি জিনপিং) যেটিতে রাজি হয়েছেন, তা হলো ২০০টি বিমান অর্ডার করা। বোয়িং—২০০টি বড় আকারের বিমান। এটি অনেক বড় একটি অর্ডার। এই অর্ডারের মানে অনেক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।’
বৈঠক শেষে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সারসংক্ষেপে তাইওয়ানের ইস্যুটি আলোচনায় উঠে এসেছিল বলে জানানো হয়েছে। তবে বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত সারসংক্ষেপে তাইওয়ান ইস্যুর কোনো উল্লেখ ছিল না।
জিনপিং আরও বলেন, সহযোগিতামূলক সম্পর্কের মাধ্যমে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশই উপকৃত হয়ে থাকে। আর সংঘাতের মাধ্যমে কেবল ক্ষতিই হয়। তাই আমাদের দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হওয়া উচিত।
যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এনভিডিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এআই চিপ এইচ-২০০ কেনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে অনুমোদন মিললেও এখন পর্যন্ত একটি চিপও সরবরাহ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি। ফলে বহুল আলোচিত এই প্রযুক্তি চুক্তি এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে আছে।