
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদী হত্যার বিচার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চ ও তার পরিবার। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে তারা সেখানে অবস্থান নেন। এখনো অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম জুমা, ওসমান হাদির স্ত্রী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা।
অবস্থান সম্পর্কে ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হাদি হত্যা তদন্তের দাবিতে যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ও শহীদের স্ত্রী। সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দল সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে ইনকিলাব মঞ্চ। কিন্তু, ইনকিলাবকে সহযোগিতার বেলায় সবাই হাত গুটিয়েছে বারবার।
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জুমা বলেন, অসহযোগিতা বাড়তে থাকলে ইনকিলাব জনগণের সহায়তা নেবে। সারা দেশের জনগণ নিয়ে যমুনার সামনে বসবে। তখন সামলানোর দায়িত্ব থাকবে সরকারের।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদী হত্যার বিচার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চ ও তার পরিবার। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে তারা সেখানে অবস্থান নেন। এখনো অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম জুমা, ওসমান হাদির স্ত্রী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা।
অবস্থান সম্পর্কে ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হাদি হত্যা তদন্তের দাবিতে যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ও শহীদের স্ত্রী। সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দল সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে ইনকিলাব মঞ্চ। কিন্তু, ইনকিলাবকে সহযোগিতার বেলায় সবাই হাত গুটিয়েছে বারবার।
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জুমা বলেন, অসহযোগিতা বাড়তে থাকলে ইনকিলাব জনগণের সহায়তা নেবে। সারা দেশের জনগণ নিয়ে যমুনার সামনে বসবে। তখন সামলানোর দায়িত্ব থাকবে সরকারের।

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
৭ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১২ ঘণ্টা আগে