ভবানীপুরের এ আসনের ফলাফল গোটা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনেরই প্রতীকী চিত্র হয়ে রইল। মমতা যেমন হেরে গেলেন শুভেন্দুর কাছে, তেমনি গোটা রাজ্যেই গেরুয়া ঝড়ে পদ্মফুলের উত্থানে উড়ে গেছে জোড়া ফুলের লড়াই।
২০ রাউন্ডের ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৯১৭ ভোট। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৮১২ ভোট। সে হিসাবে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে মমতাকে পরাজিত করেছেন শুভেন্দু।
টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, সোমবার (৪ মে) রাতে ঘোষিত ফরাফলে তামিল রাজ্যটিতে শেষ পর্যন্ত বিজয়ের দলই শেষ হাসি হেসেছে। ২৩৪টি আসনের মধ্যে টিভিকে জয় পেয়েছে ১০৬ আসনে। আরও একটি আসনে দলটি এগিয়ে রয়েছে।
শেষ পর্যন্ত চতুর্থবারের চেষ্টায় তৃণমূল দুর্গে ফাটল ধরিয়ে পদ্মফুলের পতাকা উড়ল পশ্চিমবঙ্গে। মোদি বলেন, আমি বাংলা, অসম, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও কেরালার জনতাকে প্রণাম জানাই। বিজেপির কোটি-কোটি কার্যকর্তাকে হৃদয় থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা নতুন ইতিহাস রচনা করলেন।
এ বাউন্ডের ফল ঘোষণার পর দেখা গেছে, পদ্মফুলের প্রার্থী শুভেন্দু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩৮৬ ভোট। অন্যদিকে জোড়া ফুলের মমতা পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৩২ ভোট। সে হিসাবে মমতার চেয়ে ৫৬৩ ভোটে এগিয়ে গেছেন শুভেন্দু।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে আরও অনেক বাকি থাকলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের জয়ের ঘোষণাই দিয়ে বসেছেন। একে অভিহিত করেছেন ‘অবিস্মরণীয় জয়’ হিসেবে। এ জয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষকে প্রণামও জানিয়েছেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এগিয়ে রয়েছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূলের সঙ্গে ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে। তবে এ নির্বাচনে সবার বৃষ্টি ভবানীপুরে এখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
প্রাপ্ত ফলাফল বলছে, এখন পর্যন্ত ১২৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। এখন পর্যন্ত তারা এগিয়ে রয়েছে ১২১টি আসনে। বিধানসভায় রাজ্য সরকার গঠন করতে হলে কোনো দলকে ন্যূনতম ১৪৭টি আসনে জয় পেতে হবে। সে হিসাবে দুই দলের সামনেই এখনো বিধানসভা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করছেন ভোটা
ভোটকর্মী, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ যারা পেশাগত কারণে নিজের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ইভিএমে ভোট দিতে পারেননি, তাদের জন্যই পোস্টাল ব্যালট পেপারে ভোট নেওয়া হয় এবং সেগুলো ব্যালট বাক্সে সংরক্ষিত থাকে।
গত ২৬ মার্চ ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তরগুলোকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ নদীভিত্তিক ফাঁকফোকরে সরীসৃপ ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই’ করতে নির্দেশ দেয়। এই নতুন উদ্যোগ ভারতেই মানবাধিকারকর্মী ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণবাদীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশ হতে শুরু করেছে বুথফেরত জরিপের ফলাফল। বেশিরভাগ জরিপে বিজেপি এগিয়ে, আবার কোনোটিতে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে। বুথফেরত সমীক্ষার ফল সত্যি হলে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে বিজেপি।
প্রথম দফার নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া পরিবেশ মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ছিল এবং ভোট পড়ার হার ছিল নজিরবিহীন—প্রায় ৯৩.১৯ শতাংশ। প্রথম দফার এই উচ্চ ভোট হারকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফাতেও ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ২৯৪ আসনের এই নির্
বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে প্রবীণ রাজনীতিক দীনেশ ত্রিবেদীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। শিগগিরই তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, গত মঙ্গলবার ( ২১ এপ্রিল) সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো খাইবার এলাকায় যৌথ অভিযান চালায়। তীব্র গোলাগুলির পর ‘ভারত-সমর্থিত’ ফিতনা আল-খাওয়ারিজের ২২ সদস্যকে হত্যা করা হয়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম ধাপে ভোট পড়েছে রেকর্ড ভোট, যা ছাড়িয়ে গেছে ৯১ শতাংশ। স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের কোনো রাজ্যেই এর আগে কখনো বিধানসভা নির্বাচনে এত বেশি ভোট পড়েনি। ভোটারদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার।
সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ মিলে প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী প্রথম দফার ভোটের কাজে নিযুক্ত হয়েছেন, যাকে বলা হচ্ছ ‘যুদ্ধপ্রস্তুতি’।
এ ঘটনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।