
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতীয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বিজয় (থালাপতি) তার রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্টরি কাজাগাম (টিভিকে)-এর প্রথম নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করছেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার তামিলনাড়ুর ত্রিচি পৌঁছানোর পর তিনি আরেয়ালুরে একটি জনসভার মাধ্যমে তার প্রচার কাজ শুরু করবেন। যেখানে তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিবেন।
এই প্রচারণার জন্য বিজয় একটি বিশেষভাবে তৈরি বাস ব্যবহার করছেন। এই বাসে অত্যাধুনিক ক্যামেরা, লাউডস্পিকার এবং অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে লোহার বেড়া দিয়ে সুরক্ষিত। তার বাসটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই পানাইয়ুর থেকে ত্রিচির উদ্দেশে রওনা হয়েছে। তবে তিনি নিজে আজ বিমানে করে সেখানে পৌঁছাবেন।
পুলিশ এই সমাবেশের জন্য বেশ কিছু শর্তে অনুমতি দিয়েছে। প্রায় ২৫টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রোডশো, সংবর্ধনা এবং গাড়িবহরের ওপর নিষেধাজ্ঞা।
নিয়ম অনুযায়ী, বিজয়ের বাসের পেছনে পাঁচটির বেশি গাড়ি থাকতে পারবে না এবং সকল দলীয় কর্মীকে সকাল ১১টা ২৫ এর মধ্যে আরেয়ালুর পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছাতে হবে। পাশাপাশি, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলকে নিজেদের উদ্যোগে ব্যারিকেড বসাতে হবে। কোনো শর্ত লঙ্ঘন করা হলে কর্তৃপক্ষ সমাবেশ বন্ধ করে দিতে পারবে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ত্রিচিকে প্রচারণার জন্য বেছে নেওয়া বিজয়ের জন্য প্রতীকীভাবে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ঐতিহাসিকভাবে এই শহরটি দ্রাবিড় রাজনীতির অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সাক্ষী। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এম.জি. রামচন্দ্রন এআইএডিএমকে-এর দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলন ত্রিচিতেই করেছিলেন। এমনকি তিনি ত্রিচিকে তামিলনাড়ুর দ্বিতীয় রাজধানীও ঘোষণা করেছিলেন।
একইভাবে, ডিএমকে-র প্রতিষ্ঠাতা সি.এন. আন্নাদুরাই তার দল নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ত্রিচিকেই বেছে নিয়েছিলেন। এটি রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই শহরের গুরুত্বকে তুলে ধরে।
বিজয়ের সভার স্থান মারাক্কাদাইও অতীতে বিভিন্ন দলের বড় বড় সমাবেশের আয়োজন করেছে। মাত্র কয়েক দিন আগেই এআইএডিএমকে-এর সাধারণ সম্পাদক ইডাপ্পাদি কে. পালানিস্বামী একই এলাকায় এমজিআর-এর মূর্তির কাছে নির্বাচনি প্রচার চালিয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে ত্রিচি এখনো রাজনৈতিক প্রতীকীতার একটি যুদ্ধক্ষেত্র।
রাজনৈতিক অঙ্গনে বিজয়ের এই পদক্ষেপের পর তার সমর্থকরা বিশ্বাস করেন, ত্রিচি থেকে তার যাত্রা তামিলনাড়ু রাজনীতির জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে, যা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন করে সাজাতে পারে। তবে এই গতি কতটা স্থায়ী রাজনৈতিক সাফল্য এনে দেয়, তা সময়ই বলে দেবে।

ভারতীয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বিজয় (থালাপতি) তার রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্টরি কাজাগাম (টিভিকে)-এর প্রথম নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করছেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার তামিলনাড়ুর ত্রিচি পৌঁছানোর পর তিনি আরেয়ালুরে একটি জনসভার মাধ্যমে তার প্রচার কাজ শুরু করবেন। যেখানে তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিবেন।
এই প্রচারণার জন্য বিজয় একটি বিশেষভাবে তৈরি বাস ব্যবহার করছেন। এই বাসে অত্যাধুনিক ক্যামেরা, লাউডস্পিকার এবং অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে লোহার বেড়া দিয়ে সুরক্ষিত। তার বাসটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই পানাইয়ুর থেকে ত্রিচির উদ্দেশে রওনা হয়েছে। তবে তিনি নিজে আজ বিমানে করে সেখানে পৌঁছাবেন।
পুলিশ এই সমাবেশের জন্য বেশ কিছু শর্তে অনুমতি দিয়েছে। প্রায় ২৫টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে রোডশো, সংবর্ধনা এবং গাড়িবহরের ওপর নিষেধাজ্ঞা।
নিয়ম অনুযায়ী, বিজয়ের বাসের পেছনে পাঁচটির বেশি গাড়ি থাকতে পারবে না এবং সকল দলীয় কর্মীকে সকাল ১১টা ২৫ এর মধ্যে আরেয়ালুর পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছাতে হবে। পাশাপাশি, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলকে নিজেদের উদ্যোগে ব্যারিকেড বসাতে হবে। কোনো শর্ত লঙ্ঘন করা হলে কর্তৃপক্ষ সমাবেশ বন্ধ করে দিতে পারবে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ত্রিচিকে প্রচারণার জন্য বেছে নেওয়া বিজয়ের জন্য প্রতীকীভাবে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ঐতিহাসিকভাবে এই শহরটি দ্রাবিড় রাজনীতির অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সাক্ষী। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এম.জি. রামচন্দ্রন এআইএডিএমকে-এর দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলন ত্রিচিতেই করেছিলেন। এমনকি তিনি ত্রিচিকে তামিলনাড়ুর দ্বিতীয় রাজধানীও ঘোষণা করেছিলেন।
একইভাবে, ডিএমকে-র প্রতিষ্ঠাতা সি.এন. আন্নাদুরাই তার দল নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ত্রিচিকেই বেছে নিয়েছিলেন। এটি রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই শহরের গুরুত্বকে তুলে ধরে।
বিজয়ের সভার স্থান মারাক্কাদাইও অতীতে বিভিন্ন দলের বড় বড় সমাবেশের আয়োজন করেছে। মাত্র কয়েক দিন আগেই এআইএডিএমকে-এর সাধারণ সম্পাদক ইডাপ্পাদি কে. পালানিস্বামী একই এলাকায় এমজিআর-এর মূর্তির কাছে নির্বাচনি প্রচার চালিয়েছেন। এটি প্রমাণ করে যে ত্রিচি এখনো রাজনৈতিক প্রতীকীতার একটি যুদ্ধক্ষেত্র।
রাজনৈতিক অঙ্গনে বিজয়ের এই পদক্ষেপের পর তার সমর্থকরা বিশ্বাস করেন, ত্রিচি থেকে তার যাত্রা তামিলনাড়ু রাজনীতির জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে, যা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন করে সাজাতে পারে। তবে এই গতি কতটা স্থায়ী রাজনৈতিক সাফল্য এনে দেয়, তা সময়ই বলে দেবে।

ইরানিয়ানরা এ দ্বন্দ্বের শুরু থেকেই বলে আসছে যে, গত কয়েক বছর যাবৎ হওয়া উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের দ্বারা একটি আদেশ জারি ছিল যে, ইরান তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কাজ করবে না। তারা জেনেভা এবং ওমানে এর সঙ্গে সম্মত হওয়ার অনেক কাছেই ছিল। তবে এরপরই তাদের ওপর হামলা করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, মার্কিন প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। উভয় পক্ষই নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আলোচনার ইতি টেনেছে। এই ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
গত নভেম্বরের নির্বাচনের পর প্রায় ১৫০ দিন সরকারবিহীন থাকা ইরাকে এই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পথ সুগম হলো। এমন এক সময়ে তিনি দায়িত্ব নিলেন যখন ইরাক মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অস্থিরতার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ আলোচনার নানা ত্রুটি তুলে ধরে ভ্যান্স বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তসহ আমেরিকার দেওয়া শর্তগুলো মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খারাপ খবর হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।
৯ ঘণ্টা আগে