ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ভারতীয় গণমাধ্যম এবিপি আনন্দের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রাজ্যটিতে এবার দুইজন উপমুখ্যমন্ত্রী থাকছেন— অগ্নিমিত্রা পাল এবং দিলীপ ঘোষ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি। শিল্প এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা সীমান্তের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের মধ্যে সংলাপ, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির ক্ষেত্র তৈরি করে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয়ের পর বাংলাদেশে ‘পুশব্যাকে’র আশঙ্কা নিয়ে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া আলোচনার প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়।
আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার অর্থ হলো রাজ্য সরকার আর বর্তমান নেই। ফলে পদত্যাগ না করলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার মন্ত্রিসভা এখন ‘সাবেক’।
শেষ পর্যন্ত তৃণমূলনেত্রী তার অবস্থানে অনড় থাকলে আগামীকাল ৮ মে শুক্রবার, অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্য সরকার শপথ গ্রহণের আগের ২৪ ঘণ্টা ব্যতিক্রমী ভাবে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে— এমনটাই মত দিয়েছেন প্রবীণ আইনজ্ঞরা।
মমতা বলেন, তারা আমাকে বরখাস্ত করুক। আমি চাই আজকের দিনটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকুক। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে হোক। সব রেকর্ড থাকুক।
কলকাতার আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, তাদের দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথকে মৃত ঘোষণা করেন। বুদ্ধদেবকে সংকটাপন্ন অবস্থায় কলকাতার বাইপাসের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় উল্লেখ করে বিক্রম মিশ্রি বলেন, পারস্পরি মযদা ও স্বার্থের ভিত্তি বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কের ভিত্তি হবে। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে এনগেজমেন্ট করতে আগ্রহী। ভারত সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। বাংলাদেশ তার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করলে আমরা আলোচনায় বসতে আগ্রহী। আমরা বিশ
বীরভূম থেকে আসানসোল, কিংবা দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কলকাতা—একাধিক জেলায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ আর পাল্টাপাল্টি হামলায় জনজীবন বিপর্যস্ত। একদিকে যখন তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে বিজেপি কর্মীদের হত্যার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির।
আরব সাগরে গুরুতর কারিগরি ত্রুটির কারণে অকেজো হয়ে পড়া একটি ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করেছে পাকিস্তান নৌবাহিনী। জাহাজটি থেকে বিপদ সংকেত পাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে নাবিকদের খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়।
তৃণমূল আগেই অভিযোগ তুলেছিল, এসআইআর প্রক্রিয়াটি পক্ষপাতদুষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক ছিল এবং এতে তাদের ভোটব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এনডিটিভি বলছে, শেষ পর্যন্ত দলটি ক্ষমতা হারানোয়, ভোটার বাদ পড়ার এই প্রক্রিয়া তৃণমূল ও বিজেপির ভোটফলের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল, তা বিশ্লেষণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
রাজ্য জুড়ে গেরুয়া ঝড়ের প্রভাব পড়েছে টলিউডের একাধিক তারকা প্রার্থীর ওপরও। সোমবার (৪ মে) ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, কিছু হেভিওয়েট প্রার্থী বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন, আবার অনেকে পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে টানা তিন বার ক্ষমতায় থাকার পর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজয়ের পর পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন যে এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের লড়াই কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ছিল না, বরং তাদের লড়াই করতে হয়েছে খোদ ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে।
বহুত্ববাদী সমাজ হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি অতীতে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে প্রতিবেশী বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন মোড় এনে দিয়েছে এবং বিজেপির জন্য ক্ষমতায় যাওয়ার পথ তৈরি করেছে বলে মনে করেন দ্য প্রিন্টের কন্ট্রিবিউটিং এডিটর দ্বীপ হালদার।
১৫ বছরের শাসনের অবসান এবং ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের পরাজয়ের পর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মমতার তোলা ‘ভোট চুরির’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য় রাজনীতিতে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এক্সে দেওয়া পোস্টে রাহুল বলেন, ‘আসাম ও বাংলার (পশ্চিমবঙ্গ) নির্বাচন ইসির সহায়তায় চুরি করে নিয়েছে বিজেপি। এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে। আমরা মমতাজির সঙ্গে একমত— বাংলায় ১০০টিরও বেশি আসন চুরি হয়েছে।’