
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সীমান্তে সন্ত্রাসবাদে মদদ বন্ধ না করলে পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চালানো অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমন হুমকি দেন ভারতীয় সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুর ১.০ আমরা সংযম দেখিয়েছিলাম। কিন্তু এবার কোনো সংযম আর আমরা দেখাব না। এবার আমরা পাকিস্তানকে এমন পরিস্থিতিতে ফেলব যে তারা ভাববে। পাকিস্তান যদি ভূগোলে (মানচিত্রে) তাদের জায়গা রাখতে চায় তাহলে তাদের অবশ্যই সীমান্তে রাষ্ট্র সমর্থিত সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে।”
তিনি দাবি করেন, গত মে মাসে পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসীদের ক্যাম্প ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে হামলা চালানো হয়েছে। এসব অবকাঠামোতে হামলার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে পাকিস্তান নিজ দেশে সন্ত্রাসবাদকে লালনপালন করে। ভারত যদি ওই সময় ব্যবস্থা না নিত তাহলে পাকিস্তান এ সত্যকে আড়াল করত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অপরদিকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং দাবি করেছেন যে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছিল, যার মধ্যে এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ মডেলের বিমান ছিল।
তিনি বলেন, ওই সংঘাত থামানোর জন্য পাকিস্তানই যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছিল। এপি সিংয়ের মতে, এতে প্রমাণিত হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ নয়, বরং ইসলামাবাদের পক্ষ থেকেই শান্তি প্রার্থনা করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন যে ভারতীয় কোনো যুদ্ধবিমান ধ্বংসের পাকিস্তানি দাবি স্রেফ “মিথ্যা প্রচারণা” এবং তারা তাদের জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।
বিমান বাহিনী প্রধান নিশ্চিত করেছেন যে এই অভিযানে পেহেলগামের সন্ত্রাসী হামলার জবাবে ভারতীয় সেনারা পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটি লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা চালায়। তিনি বলেন, ভারত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করেছে, যার ফলস্বরূপ পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।
সূত্র: এনডিটিভি

সীমান্তে সন্ত্রাসবাদে মদদ বন্ধ না করলে পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চালানো অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমন হুমকি দেন ভারতীয় সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুর ১.০ আমরা সংযম দেখিয়েছিলাম। কিন্তু এবার কোনো সংযম আর আমরা দেখাব না। এবার আমরা পাকিস্তানকে এমন পরিস্থিতিতে ফেলব যে তারা ভাববে। পাকিস্তান যদি ভূগোলে (মানচিত্রে) তাদের জায়গা রাখতে চায় তাহলে তাদের অবশ্যই সীমান্তে রাষ্ট্র সমর্থিত সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে।”
তিনি দাবি করেন, গত মে মাসে পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসীদের ক্যাম্প ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে হামলা চালানো হয়েছে। এসব অবকাঠামোতে হামলার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে পাকিস্তান নিজ দেশে সন্ত্রাসবাদকে লালনপালন করে। ভারত যদি ওই সময় ব্যবস্থা না নিত তাহলে পাকিস্তান এ সত্যকে আড়াল করত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অপরদিকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং দাবি করেছেন যে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছিল, যার মধ্যে এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ মডেলের বিমান ছিল।
তিনি বলেন, ওই সংঘাত থামানোর জন্য পাকিস্তানই যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছিল। এপি সিংয়ের মতে, এতে প্রমাণিত হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ নয়, বরং ইসলামাবাদের পক্ষ থেকেই শান্তি প্রার্থনা করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন যে ভারতীয় কোনো যুদ্ধবিমান ধ্বংসের পাকিস্তানি দাবি স্রেফ “মিথ্যা প্রচারণা” এবং তারা তাদের জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।
বিমান বাহিনী প্রধান নিশ্চিত করেছেন যে এই অভিযানে পেহেলগামের সন্ত্রাসী হামলার জবাবে ভারতীয় সেনারা পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটি লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা চালায়। তিনি বলেন, ভারত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনে তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করেছে, যার ফলস্বরূপ পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।
সূত্র: এনডিটিভি

বুধবার (১২ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইরানি ওই কর্মকর্তার মন্তব্য সংকটের দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলে পৃথক হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে। এতে তেলের দামও বেড়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় একটি পণ্যবাহী জাহাজের চার নাবিক নিহত হয়েছেন। পরে উদ্ধারকাজে গিয়ে হুতিবিরোধী দুই ইয়েমেনি উদ্ধারকর্মীও নিহত হন। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় ৩ পাকিস্তানিসহ ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
সম্মেলনে ইয়োসি কোহেন বলেন, "স্থাপনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত ও নিখুঁত তথ্য পাওয়ার লক্ষ্যেই আমরা ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনাটিতে বারবার পরিদর্শন চালিয়েছি।" তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোহেন ঠিক কখন এসব সফর হয়েছিল বা গোয়েন্দারা কীভাবে সেখানে প্রবেশ করেছিল, সে বিষয়ে
২১ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ফার্স্ট অফিসারের পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও ক্যাপ্টেন দুটি পরীক্ষাতেই অকৃতকার্য হন। বিশেষ করে দ্বিতীয় পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি গাঁজা সেবন করেছিলেন। তবে তিনি কখন বা কোথায় গাঁজা সেবন করেছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
১ দিন আগে