
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের রাজস্থানের জয়সলমের যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) জয়সলম থেকে জোধপুরগামী একটি বাসে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, জয়সলম-জোধপুর মহাসড়কে পৌঁছালে বাসের পেছনের অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই তা পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিটকে আগুনের কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত যাত্রীদের জয়সলমেরের জওহর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ বলেছে, মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে ৫৭ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি জয়সলম থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে জয়সলম-জোধপুর মহাসড়কে পৌঁছালে বাসের পেছনের অংশ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
চালক সঙ্গে বাসটি থামিয়ে রাস্তার পাশে নেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই পুরো বাসে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, যাত্রীদের অনেকেই বাস থেকে নেমে আসার সুযোগ না পাওয়ায় পুড়ে মারা গেছেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় আহত যাত্রীদের উদ্ধারের পর জয়সলমেরের জওহর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে বাসে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জয়সলমের জেলা প্রশাসন বলছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
জেলা কালেক্টর প্রতাপ সিংহ আহতদের দ্রুত চিকিৎসা এবং সহায়তার জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় রাজ্যপাল হরিভাউ বাগাড়ে, মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত, বিজেপি রাজ্য সভাপতি মদন রাঠোরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা বলেছেন, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, জয়সলমে বাসে আগুন লাগার ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এই দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। আহতদের চিকিৎসা ও নিহতদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভারতের রাজস্থানের জয়সলমের যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) জয়সলম থেকে জোধপুরগামী একটি বাসে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, জয়সলম-জোধপুর মহাসড়কে পৌঁছালে বাসের পেছনের অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই তা পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিটকে আগুনের কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত যাত্রীদের জয়সলমেরের জওহর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ বলেছে, মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে ৫৭ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি জয়সলম থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে জয়সলম-জোধপুর মহাসড়কে পৌঁছালে বাসের পেছনের অংশ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
চালক সঙ্গে বাসটি থামিয়ে রাস্তার পাশে নেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই পুরো বাসে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, যাত্রীদের অনেকেই বাস থেকে নেমে আসার সুযোগ না পাওয়ায় পুড়ে মারা গেছেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় আহত যাত্রীদের উদ্ধারের পর জয়সলমেরের জওহর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে বাসে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জয়সলমের জেলা প্রশাসন বলছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
জেলা কালেক্টর প্রতাপ সিংহ আহতদের দ্রুত চিকিৎসা এবং সহায়তার জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় রাজ্যপাল হরিভাউ বাগাড়ে, মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত, বিজেপি রাজ্য সভাপতি মদন রাঠোরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা বলেছেন, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, জয়সলমে বাসে আগুন লাগার ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এই দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। আহতদের চিকিৎসা ও নিহতদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আইআরজিসি এক বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এমন ১৮টি মার্কিন কোম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা ও বোয়িংয়ের মতো সব জায়ান্ট রয়েছে এ তালিকায়।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬ শতাংশ) মানুষ মনে করছেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য পূর্ণ না হলেও দেশটির উচিত দ্রুত এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী সুবিধা পাচ্ছে, তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। রুবিওর ভাষায়, 'এই সম্পর্ক আমাদের জন্য কতটা কার্যকর—তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।'
১৪ ঘণ্টা আগে