শিক্ষার লক্ষ্য উত্তর জানা নয়, চিন্তা করতে শেখা
একটি পরীক্ষায় ভালো ফল করা সাফল্য। কিন্তু সেই সাফল্যই শিক্ষার সম্পূর্ণ পরিচয় নয়। শিক্ষার গভীরতর কাজ হলো মানুষকে এমনভাবে প্রস্তুত করা, যেন সে নতুন পরিস্থিতিতে জ্ঞান ব্যবহার করতে পারে, তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে পারে, যুক্তির দুর্বলতা চিনতে পারে এবং নিজের সিদ্ধান্তের দায়িত্ব নিতে পারে। উত্তর মনে রাখা দরক
ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে আছে ৮ সরকারি দপ্তর, সেবা পাচ্ছেন তো?
গ্রামীণ জনপদের সরকার বলা হয় ইউনিয়ন পরিষদকে। রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতেই সরকার ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ ধারণায় সারাদেশে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করেছে। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ভবনগুলো কেবল চেয়ারম্যান-মেম্বারের অফিস নয়, এটি একটি সমন্বিত
দেরিতে হলেও ভালো লক্ষণ, তবে যথেষ্ট নয়
আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতিশীল পরিস্থিতিতে জনজীবন যখন আতঙ্ক ও শঙ্কার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে, তখন সরকার কিছুটা নড়েচড়ে বসেছে বলেই মনে হয়। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সম্প্রতি তার দলের সংরক্ষিত এক নারী সংসদ সদস্যের পদত্যাগের ঘটনাকে একটি বার্তা হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। বিএনপি
মানসম্মত শিক্ষার জন্য শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ অপরিহার্য
শিক্ষক মানুষকে শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষার্থীর নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন আদর্শ শিক্ষকের
শিশু সহিংসতা ঠেকাতে শুধু শাস্তি নয়, দরকার জনস্বাস্থ্যভিত্তিক উদ্যোগ
নতুন সরকারের সামনে সুযোগ আছে কোনো ঘটনা ঘটার পর দেওয়া স্রেফ কোনো প্রতিশ্রুতির বদলে শিশু সুরক্ষাকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকারে পরিণত করার। এর অর্থ শিশুর প্রতি সহিংসতা কমানোর সুস্পষ্ট জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ, সরকারের ভেতরে দায়িত্ব বণ্টন, অগ্রগতির সূচক প্রকাশ এবং ফলাফলের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চ
পরিচ্ছন্নতা বিলাসিতা নয়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবিকাঠি
আমাদের অনেকের প্রত্যাশা, সম্ভব হলে সিটি করপোরেশনের লোকজন যেন আমাদের বাসাবাড়ির আঙিনাও পরিষ্কার করে দেন। কিন্তু নাগরিকরা নিজের দায়িত্ব পালন না করলে বর্জ্য অপসারণে রাষ্ট্রকে অতিরিক্ত লোকবল নিয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ বাড়বে সরকারি ব্যয়, যার চাপ শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপরই পড়বে।
মানুষ কি পৃথিবীর জন্য অপরিহার্য?
পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গল্পটি মানুষই লিখেছে— আর সেই গল্পে মানুষ নিজেকেই রেখেছে কেন্দ্রবিন্দুতে। নিজেকে সে বলেছে বুদ্ধিমান প্রাণী ও সভ্যতার নির্মাতা। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সে নগর বানিয়েছে, রাষ্ট্র গড়েছে, সমুদ্র পাড়ি দিয়েছে, আকাশ জয় করেছে; এমনকি মহাকাশের অসীমতাকেও মাপার দুঃসাহস দেখিয়েছে। বিজ্ঞা
জলাতঙ্কমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ
আজ ২৮ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য— ‘একসঙ্গে আরও শক্তিশালী’ (Stronger Together)। অর্থাৎ একসঙ্গে থাকলে আমরা আরও শক্তিশালী। জলাতঙ্কের মতো একটি প্রাণঘাতী কিন্তু সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগের ক্ষেত্রে এই বার্তা বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। কারণ জলাতঙ্ক এমন একটি রোগ, যার বির
মুখোশের আড়ালে ভয়ের মহামারি ও বিবেকের সংকট
একটি রাষ্ট্রের জন্য এর চেয়ে বড় ভীতিকর আর কী হতে পারে? আজ বাংলাদেশে এই ভীতিটা প্রায় সবার মধ্যে লক্ষ করা যাচ্ছে। দিন দিন এই ভীতি বদ্ধমূল হচ্ছে, জেঁকে বসছে। এমন একপর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে সৎ মানুষই সবচেয়ে বেশি ভয়ের মধ্যে আছে। দেশপ্রেমের দায়বদ্ধতা যাদের ভেতরে আছে, এই ভীতিটা তাদেরই সবচেয়ে
টিএসসি: একটি অনানুষ্ঠানিক বিশ্ববিদ্যালয়
একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, গ্রন্থাগার ও পরীক্ষার হল দিয়ে পূর্ণতা পায় না। এসব প্রতিষ্ঠান জ্ঞান বিতরণ করতে পারে, শিক্ষার্থীর যোগ্যতা যাচাই করতে পারে এবং ডিগ্রি দিতে পারে। কিন্তু এগুলো একা চিন্তাশীল, সংস্কৃতিমান ও দায়িত্বশীল মানুষ গড়ে তুলতে পারে না। একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে এম
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি: জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা জরুরি
হঠাৎ করে কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়া জ্বালানি তেলের মূল্য লিটারপ্রতি ২০ টাকা বৃদ্ধির সরকারি ঘোষণা আত্মঘাতী। কোনো প্রকার প্রস্তুতি ছাড়া যখন বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যহ্রাস পেয়েছে, ঠিক তখন জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি। এতে প্রমাণ হয়, সরকারের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিশ্ববাজারের সম্পর্ক নে
বিপিসির শূন্য ভাণ্ডার, রাজস্বের ফাঁদ এবং বিপন্ন অর্থনীতি ও জীবনযাত্রা
একটি দেশের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো জ্বালানি। ফলে এই বিপুল মাত্রায় দাম বৃদ্ধির অভিঘাত অর্থনীতি, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কতটা মারাত্মক হবে, তা সহজেই বোধগম্য। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারের দোহাই দিয়ে এই মূল্যবৃদ্ধির কথা বলা হলেও এর পেছনের কাঠামোগত
‘বিপথগামী’ সন্তান নয়, প্রশ্নটা তুলি নিজেদের দিকেই
এই যে সেন্স অব বিলঙ্গিংয়ের শূন্যতা, সেই শূন্যতা তখন সে পূরণের জায়গা খুঁজতে শুরু করে। তখন তারা মনোযোগটা অন্য জায়গা থেকে পাওয়ার চেষ্টা করে। এটা না সেটা টাইপ বায়না ধরে। কিন্তু আসলে তাদের মূল চাওয়া থাকে একটাই— কেউ অন্তত একটু সময় দিক, তাদের কথাগুলো মন দিয়ে শুনুক।
বদলে যাওয়া বিশ্বব্যবস্থায় ব্রিকস সম্মেলন, বাংলাদেশের পথ কোন দিকে?
বিশ্বের কোনো প্রান্তে সংঘটিত যুদ্ধ বা ভূরাজনৈতিক সংঘাতও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রা ও পারিবারিক ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বাংলাদেশের জন্য হলো, আমরা কোন শক্তির পাশে দাঁড়াব। এর বাস্তব উত্তর হচ্ছে, বাংলাদেশকে কোনো শক্তির ছায়ায় নয়
ইলিশ কি সত্যিই বেড়েছিল, নাকি শুধু হিসাব?
মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে দুই দশকের চিত্রে তিনটি পৃথক অধ্যায় স্পষ্ট। প্রথমত ২০০২-০৩ থেকে ২০১৫-১৬— ধীর কিন্তু ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি। দ্বিতীয়ত ২০১৬-১৭ সাল থেকে, যখন এক বছরেই আহরণ প্রায় এক লাখ টন বেড়ে যায়। তৃতীয়ত ২০২০-২১-এর পর— প্রথমে স্থবিরতা, এরপর দ্রুত পতন।
সর্বশেষ







-eb944a-256x144.webp)












