জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থাতেই রাজপথে আন্দোলনে নেমেছে জামায়াতে ইসলামীসহ সাতটি ইসলামি দল। দিনভর মিছিল-সমাবেশে বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারকে নিষ্ক্রিয় অভিহিত করে কঠোর সমালোচনা করেছেন এসব দলের নেতারা। দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তা
বিবৃতিতে তারা বলেন, কাবার আদলে ১২ ফুট উঁচু নুরাল পাগলার মাজার ও বেদী নির্মাণ, নিজেকে ইমাম মাহদী দাবি ও নিজস্ব কালেমার প্রচলন ইত্যাদি শরিয়তবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে অনেক দিন ধরে রাজবাড়ীর স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ক্ষুব্ধ ছিলেন। নুরাল পাগলার পরিবারকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা ক
চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইসি কতটা নির্বিঘ্নে রোডম্যাপ ধরে নির্বাচনের পথে এগিয়ে যেতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। কোনো কোনো রাজনৈতিক দল এই রোডম্যাপকে পুরোনো বন্দোবস্তে নির্বাচনি কর্মপরিকল্পনা বলে অভিহিতও করেছে।
সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম বলেন, যে জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে সরকার গঠিত হয়, তা ফ্যাসিস্ট চরিত্রের সরকার ছাড়া আর কিছুই নয়। সেই সরকারের আমলে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার হয়, বেগমপাড়া গড়ে ওঠে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে দেশকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
রশাদবিরোধী গণআন্দোলনের সময় ছাত্র শিবিরের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। অন্য ছাত্রসংগঠনগুলো যখন সর্বাত্মকভাবে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছিল, তখন শিবির অনেক ক্ষেত্রে সরকারপন্থী অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এর পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সহিংসতার ঘটনা এবং কিছু হত্যাকাণ্ড ছাত্র শিবিরকে আরও বিতর্কিত করে তোলে। বিশেষ করে ১
দলটি আগামীতে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনী কাজে দায়িত্বপ্রাপ্তদের দল নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামীতে সব স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন আয়োজন, পিআর পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং দলটির নেতাকর্মী ও সহযোগীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণারও দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।
প্রধান উপদেষ্টা ও সিইসির এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। অন্যদিকে আরও কিছু দল নির্বাচনের ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও জুড়ে দিচ্ছে নানা শর্ত। জামায়াত ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাম ঘরোনার কিছু দল বলছে, নির্বাচনের আগেই এসব শর্ত পূরণ করতে হবে। জুলাই সনদসহ যেসব শর্ত দেওয়া হচ্ছ
বাংলাদেশে নতুন করে জঙ্গি তৎপরতার প্রসঙ্গ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়া ও পাকিস্তান জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আনার পর আবারও আলোচনায় এসেছে এই ইস্যু।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভেদ প্রকট হয়েছে। সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে দূরত্ব দেখা দিয়েছে রাজপথে সক্রিয় দলগুলোর মধ্যে। একদিকে পিআর বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে পিআরের পক্ষে থাকা জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক
বৈঠকে মাওলানা খুলিল আহমেদ কুরাইশী, মাওলানা সাজেদুর রহমান, মুফতি জসিম উদ্দিন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মাও. আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি বশির উল্লাহ এবং মুফতি কেফয়তুল্লাহ আজহারী উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অফিস স্থাপনের চুক্তি বাতিল না করলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জনগণ নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে আশ্বস্ত নয়। আজ সোমবার দুপুরে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য জামায়াতের জাতীয় সমাবেশের মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
রোববার (৬ জুলাই) বিকেলে রাজশাহীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজশাহী মহানগর শাখা।
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, স্থানীয় নির্বাচন যদি গোলমেলে হয় তাতে জাতির উলটা পালটা কিছু হবে না। নির্বাচন ব্যবস্থাকে টেস্ট করার জন্য, পরীক্ষা করার জন্য যে তারা কেমন নির্বাচন করবে- সে জন্য জাতীয় সংসদের আগে অবশ্যই স্থানীয় নির্বাচন হতে হবে।
প্রচলিত একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতির তুলনায় পিআর পদ্ধতি ভিন্নভাবে কাজ করে। এখানে জনগণ সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে ভোট না দিয়ে একটি দল বা তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের ভোট দেয়।
শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, অতীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা মানবাধিকারের নামে ইসলামি শরিয়াহ, পারিবারিক আইন ও ধর্মীয় মূল্যবোধে হস্তক্ষেপের অপচেষ্টা করেছে। এসব হস্তক্ষেপ একদিকে যেমন জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, অন্যদিকে মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুভূতিরও পরিপন্থি। তাই বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার কার
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আগে নির্বাচনের পরিবেশ অবশ্যই তৈরি করতে হবে। এই পরিবেশ তৈরির জন্য সংস্কারের প্রশ্নগুলো উঠেছে। আমরা আশা করি যদি মৌলিক বিষয়গুলোতে কার্যকর সংস্কার করা যায় তাহলে আলহামদুলিল্লাহ একটা ভালো নির্বাচন হবে। এবং ‘যদি’র কোনো সুযোগ নেই। সংস্কার করতে হবে এবং ভালো নির্বাচনও করতে হবে।’