তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত বিজয় ছিনিয়ে আনা হবে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।’
ভোটের প্রচারের মাঠে নামতেই দেখা গেল, এত সব প্রতিশ্রুতি, ইতিবাচক বার্তা যেন নিছক কথার কথা। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)— তিন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কণ্ঠেই উঠে এলো প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার বার্তা।
‘২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে না তো? তাহলে ঘুষ-চাঁদাবাজি, সেটা যদি আমরা নির্মূল না করতে পারি— এই সকল সুযোগ সুবিধা কি জনগণের কাছে পর্যন্ত পৌঁছাবে?’— বলেন এনসিপির এই নেতা।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ইনশাল্লাহ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার এগিয়ে নিতে এই ঐক্যের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন নেতা এ কে ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজার এবং শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘তারেক রহমান কড়াইলের বস্তিতে ফ্ল্যাট করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এটা তিনি করতে পারেন না। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে নিশ্চুপ, কেউ কথা বলছে না। তাহলে প্রশাসন ও বিএনপি একসঙ্গে কাজ করবে? তারেক রহমানের ক্ষেত্রে এক নীতি, অন্যদের ক্ষেত্রে আরেক নীতি।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ব্যবসায়ী নয়, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চাই জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয় বলেন, ‘ব্যবসায়ী বা ঋণখেলাপিদের অর্থায়নে কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে তিনি জনগণের চেয়ে অর্থদাতাদের স্বার্থ রক্ষায় বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠেন। এ
এনসিপি জানিয়েছে, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে থাকবেন দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল বা জনগণের যে কনফিডেন্স অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা হারিয়েছে তারা। যদি এভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম সামনের দিকে যেতে থাকে, তাহলে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে আসন সমঝোতায় পাওয়া ৩০টি আসনের মধ্যে ২৭টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বাকি তিনটি আসনে শিগগিরই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে দলটি।
আখতার হোসেন বলেন, ‘জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে সহায়তা করেছে এবং তাদের সব ধরনের অপকর্ম ও গণহত্যার বৈধতা দিয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও জাতীয় পার্টির যেসব সংসদ সদস্য ছিলেন, তারা কেউই পদত্যাগ করেননি।’
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বাংলা মোটর পার্টি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থাকলেও বাস্তবে পুরোনো কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোই টিকে থাকে। নতুন রাজনৈতিক ধারা গড়ে তুলতে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ ও বাধার মুখোমুখি হতে হয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক বিতর্কে ব্যক্তি আক্রমণ নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার পথে বড় অন্তরায় বলে
অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯ আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।