
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে একপাক্ষিক নির্বাচনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছে দলটি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধি দল। এ সময় তাদের পক্ষ থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
বৈঠক শেষে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, গণভোট, তুচ্ছ কারণে মনোনয়ন বাতিল ও প্রশাসনের একপাক্ষিক আচরণের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচনের সামগ্রিক আলোচনা থেকে গণভোটের বিষয়টি হারিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলের সমঝোতার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে গাজী আতাউর রহমান বলেন, আলোচনা চলছে। আমরা একসঙ্গে সংস্কার কমিশনে কাজ করেছি। বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ করেছি। আমাদের মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া আছে। সব পক্ষই সমঝোতা রক্ষায় আন্তরিক।
তবে এই জোটের মধ্যে আসন ভাগাভাগির হিসাব নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা।

দেশে একপাক্ষিক নির্বাচনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এমন আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছে দলটি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধি দল। এ সময় তাদের পক্ষ থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
বৈঠক শেষে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, গণভোট, তুচ্ছ কারণে মনোনয়ন বাতিল ও প্রশাসনের একপাক্ষিক আচরণের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচনের সামগ্রিক আলোচনা থেকে গণভোটের বিষয়টি হারিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলের সমঝোতার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে গাজী আতাউর রহমান বলেন, আলোচনা চলছে। আমরা একসঙ্গে সংস্কার কমিশনে কাজ করেছি। বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ করেছি। আমাদের মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া আছে। সব পক্ষই সমঝোতা রক্ষায় আন্তরিক।
তবে এই জোটের মধ্যে আসন ভাগাভাগির হিসাব নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৪ দিন আগে