বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদী আমিন অভিযোগ করে বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অনুভূতিকে অপব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক বোরকা ও নিকাব প্রস্তুত করা হয়েছে।
বিএনপির ইশতেহারে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু সংক্রান্ত বিষয়ে বলা আছে, শিক্ষা খাতে ডিজিটাল সুবিধা বাড়াতে স্কুল, কলেজ, ক্যাফে ও লাইব্রেরিতে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির, যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার কাজে সহায়তা করবে এবং ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে ভূমিকা রাখবে।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘বিএনপি মনে করে, সুশাসন উন্নয়নের মূল ভিত্তি। রাষ্ট্রের সর্বস্তরে আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। শাসন ও বিচার ব্যবস্থার ভিত্তি হবে ইনসাফ। সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে মেধাভিত্তিক, স্বচ্ছ, দক্ষ ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে, দুর্নীতি ও অর্থপাচার দমন, বিচার বিভাগের স্বাধী
ইশতেহারে বিএনপি উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের সীমান্তের বাইরে ‘বন্ধু আছে, প্রভু নেই। দলটি জোর দিয়ে বলেছে, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের কল্যাণ—এই বিষয়গুলোই তাদের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে।’
বিএনপি তাদের এই ইশতেহারকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করেছে। এগুলো হলো— রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার; বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন; ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার; অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন; এবং ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতি।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজ এক নতুন ইতিহাস, আজকে নতুন নেতৃত্ব। সেই নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমগ্র জাতি আজ উন্মুখ হয়ে আছে। নতুন নেতৃত্ব জটিল রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন বার্তা নিয়ে আসবেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন সূর্য উঠবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এবার বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পালা। প্রায় ২০ কোটি মানুষের জন্য বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সময় এসেছে। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশকে নিরাপদ করতে বিএনপি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করেছে। প্রথম ভাগে রয়েছে রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার; যার অধীনে গণতন্ত্র ও জাতিগঠন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থান, সংবিধান সংস্কার, সুশাসন এবং স্থানীয় সরকার— এই পাঁচটি ভাগে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বিএনপি ধর্মান্ধতার রাজনীতিতে নয়, বরং ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে। তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়াই বিএনপির লক্ষ্য—যেখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবার পরিচয় হবে একটিই, তা হলো বাংলাদেশি।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। এ সময় তার সঙ্গে জাকসুর কয়েকটি হল সংসদের প্রতিনিধিও ছাত্রদলে যোগ দিয়েছেন।
মীর সেলিম ফারুক বলেন, আমাদের নীলফামারী জেলার উন্নয়ন অগ্রগতি সব বিষয় নিয়ে সেদিন তিনি বক্তব্য রাখবেন। তার হাত ধরেই নীলফামারীর উন্নয়ন হবে। আমরা সরকার গঠন করলে দেশের কী কী উন্নয়ন করবেন তিনি সেসব নিয়েও উত্তরবঙ্গের জনসভাগুলোতে আলোচনা করবেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির শিকড় এত গভীরে যে একটা গাছ বা বটগাছের শিকড় যতদূরে যায়, তার চাইতেও অনেক গভীরে। এই শিকড়কে অপপ্রচার এবং মিথ্যাচার দিয়ে উপড়ানো যাবে না। এটাকে নুইয়ে ফেলা যাবে না। এটা একেবারে সোজা মেরুদণ্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।
এবারের ভোটে কোনো জালিয়াতি, ছলচাতুরী, জবরদস্তি কোনো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নাই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নির্বাচনি ডামাডোল শুরু হওয়ার পর থেকেই ‘বিদ্রোহী’দের ভোটের মাঠ থেকে সরিয়ে নিতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। অনেককে বহিষ্কার করেছে দল থেকে। এরপর কেউ কেউ দলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেনদলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কেউ কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তাদের বহিষ্কারাদেশ তুলেও নিয়
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত জনসাধারণকে ধন্যবাদ জানিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, আজ প্রমাণ করেছেন আপনারা সবাই একসঙ্গে আছেন। আপনাদের মূল্যবান সময় নিয়ে এখানে এসেছেন, আমাদের কথা শুনছেন এবং আপনাদের সমস্যাগুলো আমাদের জানিয়েছেন। আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সেগুলো আরও শুনবো, আরও জানবো।
মির্জা আব্বাস বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের বসবাস থাকলেও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। তবে, এ দেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণ ও সাবলীল জীবনযাপন করছে এবং কারো সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক নেই। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ন