জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ ইয়েনচা বৈঠকে বলেন, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে গাজায় নতুন একটি বিপর্যয় সৃষ্টি হবে, যা পুরো অঞ্চলে প্রভাব ফেলবে। আরও বাস্তুচ্যুতি, হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসযজ্ঞের কারণ হবে।
ওয়াশিংটন ডিসির মোট জনসংখ্যা প্রায় ৭ লাখ, যার মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৭৮২ জন গৃহহীন।
‘আমরা অপেক্ষা করব ভারত বাঁধ তৈরি করুক, আর তৈরি করলেই দশটি মিসাইল দিয়ে ধ্বংস করব। ইন্দুস নদী ভারতীয়দের পারিবারিক সম্পত্তি নয়… আমাদের মিসাইলের কোনো অভাব নেই, আলহামদুলিল্লাহ।’
মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা বন্ধ করে গাজায় চলমান সংকট ও দুর্ভোগ দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো দুই রাষ্ট্রের সমাধান, যা মানবতার জন্য একমাত্র আশার আলো।
বৈঠকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোয় জটিলতা নিরসন, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, ব্যবসা-বাণিজ্য, উচ্চশিক্ষা, রোহিঙ্গা সংকট, কৃষি, সমুদ্র অর্থনীতি এবং আসিয়ানসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুই দেশের সহযোগিতার নানা বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নেতানিয়াহুর পরিকল্পনার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেছে, “এটি ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের সেই নীতিরই আরও সম্প্রসারণ—যেখানে “ক্ষুধা ও অবরোধকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার” করা হয় এবং হাসপাতাল ও স্কুলসহ বেসামরিক অবকাঠামোকে “ধারাবাহিকভাবে টার্গেট” করা হয়।
বার্কলে কলেজের প্রেসিডেন্ট ড. ডায়ান, প্রভোস্ট ড. প্যাট্রিসিয়া, সেটন হল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী প্রভোস্ট ড. মেরি কেট, ড. মাধব শর্মা, ড. ওকপাড়া, ড. ওন্টোকো, অনুপ শর্মাসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।