ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। তাদের (ইরান) দ্রুত এগোতে হবে, নইলে তাদের কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ!
ক্যাসিডি যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, তা সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ট্রাম্পের নিজেরই এক পোস্টে স্পষ্ট হয়েছে। লেটলোকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি কাসিডির পরাজয় নিয়ে উষ্মা ও খোঁচা দিয়ে তিনি লিখেছেন, 'যে মানুষটি তাকে নির্বাচিত হতে সাহায্য করেছিল, তার প্রতি ক্যাসিডির এই বেইমানি এখন একটি ইতিহাস হয়ে থাকবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধ অত্যাসন্ন ধরে নিয়ে ইতিমধ্যেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং চূড়ান্ত পদক্ষেপের জন্য এখন কেবল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেষ সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হচ্ছে।
আফ্রিকায় আত্মগোপনে থাকা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই সক্রিয় সন্ত্রাসীকে নির্মূল করতে ট্রাম্পের নির্দেশেই অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও জটিল এই যৌথ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। সফল এই অভিযানের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নাইজেরিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি এই অঞ্চলের সন্ত্রাসবাদ দমনে দুই দেশের অংশীদারিত্বের বিষয়টি
অনেক তাইওয়ানিজ নিজেদের আলাদা জাতির অংশ হিসেবে মনে করেন। তবে অধিকাংশ মানুষ বর্তমান অবস্থাই বজায় রাখতে চান, অর্থাৎ তাইওয়ান যেন চীনের কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা না করে, আবার চীনের সঙ্গে যেন একীভূতও না হয়।
টানা প্রায় দেড় মাস যুদ্ধ-সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে গত ১৬ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল ও লেবানন। আগামী রোববার সেই বিরতি শেষ হওয়ার কথা ছিল; তবে তার আগেই মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বাড়াল ইসলায়েল-লেবানন।
দুই দিন ধরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকলেও বাণিজ্যে বড় কোনো অগ্রগতি কিংবা ইরান যুদ্ধ বন্ধে বেইজিংয়ের কাছ থেকে দৃশ্যমান সহায়তা ছাড়াই শুক্রবার বেইজিং ছাড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ফক্স নিউজের ‘হ্যানিটি’ অনুষ্ঠানে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আর বেশি ধৈর্য ধরব না। তাদের একটি চুক্তি করা উচিত।’ ইরানের গোপন সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদের বিষয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে, এটি মূলত জনসংযোগের (পাবলিক রিলেশনস) কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া দরকার।
ফৌজদারি অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়ে রয়টার্স মন্তব্য জানতে চাইলে আদানি গ্রুপ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। যদিও এর আগে প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছিল।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় বৈঠক করেন। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ককে ‘বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করেন। হোয়াইট হাউজও বৈঠকটিকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বলে উল্লেখ করেছে। গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন
ফক্স নিউজের সঞ্চালক শন হ্যানিটি সাক্ষাৎকার নেন ট্রাম্পের। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আজ তিনি (শি জিনপিং) যেটিতে রাজি হয়েছেন, তা হলো ২০০টি বিমান অর্ডার করা। বোয়িং—২০০টি বড় আকারের বিমান। এটি অনেক বড় একটি অর্ডার। এই অর্ডারের মানে অনেক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।’
বৈঠক শেষে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সারসংক্ষেপে তাইওয়ানের ইস্যুটি আলোচনায় উঠে এসেছিল বলে জানানো হয়েছে। তবে বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত সারসংক্ষেপে তাইওয়ান ইস্যুর কোনো উল্লেখ ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এনভিডিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এআই চিপ এইচ-২০০ কেনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে অনুমোদন মিললেও এখন পর্যন্ত একটি চিপও সরবরাহ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি। ফলে বহুল আলোচিত এই প্রযুক্তি চুক্তি এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে আছে।
ট্রাম্পের সঙ্গে এই সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা, যাদের মধ্যে টেসলার ইলন মাস্ক ও এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং রয়েছেন।
বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠককে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। বিশাল কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিমানবন্দরে ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে নীল-সাদা ইউনিফর্ম পরিহিত প্রায় ৩০০ চীনা শিশু-কিশোর অংশ নেয়। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পতাকা নেড়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানায় এবং মান্দারিন ভাষায় স্লোগান দেয়, ‘স্বাগতম, আন্তরিক স্বাগতম’।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকানোই তার প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ আমেরিকানদের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন।