নানা ইস্যুতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এমনকি ভেনেজুয়েলায় আগ্রাসন ইস্যুতেও ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। রাশিয়া ইস্যুতে এসে সেই দুই দল এক হয়ে গেছে। আলোচিত এ বিলটিও এনেছেন দুই দলের দুই সিনেটর।
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী স্থানীয় সময় বুধবার (৭ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন। এসব সংস্থার মধ্যে জাতিসংঘের সংস্থা রয়েঠে ৩১টি, বাকিগুলো জাতিসংঘের বাইরের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা।
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলার সমমূল্যের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে কারাকাস। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল হস্তান্তর করবে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নেওয়ার ঘটনায় আলোচনায় এসেছে অনলাইন বাজির একটি চমকপ্রদ ঘটনা। মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতি নিয়ে আগাম বাজি ধরে এক জুয়াড়ি জিতেছেন ৪ লাখ ৩৬ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি ৩২ লাখ টাকারও বেশি।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্য গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জবাব দিতে ভোলেননি কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘আসুন, আমাকে ধরে নিয়ে যান। আমি এখানেই (কলম্বিয়া) আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।’
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি আইনজীবী মঈন চৌধুরী বলেন, যারা আইন মেনে বৈধভাবে বসবাস করছেন এবং সঠিক তথ্য দিয়ে সরকারি সহায়তা নিচ্ছেন, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
এরপর দ্বিতীয়বার মাদুরোর কাছে তার বক্তব্য জানতে চান বিচারক। এ সময় দৃঢ় কণ্ঠে মাদুরো বলেন, আমি নির্দোষ। এখানে যা যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর কোনোটির জন্যই আমি অপরাধী নই। আমাকে ভেনেজুয়েলার কারাকাসে আমার বাড়ি থেকে ধরে আনা হয়েছে। আমি একজন ভদ্র মানুষ। আমি আমার দেশের প্রেসিডেন্ট। আমাকে অপহরণ করা হয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ানে মাদুরোকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, কড়া নিরাপত্তায় হাতকড়া পরা অবস্থায় মাদুরোকে নামানো হয় হেলিকপ্টার থেকে। এ সময় তার স্ত্রীকেও হেলিকপ্টার থেকে নামতে দেখা গেছে।
প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযানের মাধ্যমে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। এর আগে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের তীব্র বিরোধিতা করলেও দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ‘সহযোগিতার আশ্বাসে’র কথা বলেছেন।
সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে নিউইয়র্কে তুলে নেওয়ার পর এবার কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকেও হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া কিউবাতেও শিগগিরই সরকারের পতন হবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
এ অভিযান নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে লাতিন আমেরিকার দেশগুলো। ইউরোপের দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া সে তুলনায় ছিল কিছুটা মৃদু। তবে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই বিভিন্ন স্থানে মার্কিন আগ্রাসনবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে রাজপথে নেমে এসে ট্রাম্পের এমন নজিরবিহীন আগ্রাসনের তীব্র বি
ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, মেক্সিকো ও উরুগুয়ে মার্কিন বাহিনীর মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের ঘটনা প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার পরিচালনা বা প্রশাসনের ওপর যেকোনো ধরনের বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণের তীব্র বিরোধিতা করে এসব দেশ প্রাকৃতিক বা কৌশলগত সম্পদ দখলের প্রয়াসে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা ও অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে আনার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে নিবিড় নজরদারিতে রেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের আসনে বসেই ইসরায়েলি লবির তোয়াক্কা না করে সাহসী এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শহরটির নতুন এবং প্রথম মুসলিম মেয়র জোহরান মামদানি। শপথ নেওয়ার পরই তিনি আগের মেয়র এরিক অ্যাডামসের জারি করা ইসরায়েলপন্থি সব নির্বাহী আদেশ বাতিল করে দিয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলা এবং দেশটির নেতা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে ‘বড় ধরনের হামলা’ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে আটক করে ভেনেজুয়েলা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার বেশ কয়েকটি রাজ্যের বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে দেশটির সরকার। ভেনেজুয়েলা এই হামলাকে সামরিক আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছে। হামলার পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।