
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার বেশ কয়েকটি রাজ্যের বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে দেশটির সরকার। ভেনেজুয়েলা এই হামলাকে সামরিক আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছে। হামলার পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
একজন মার্কিন কর্মকর্তার তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টানা কয়েক মাসের হুমকির পর রাজধানী কারাকাস শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল।
ভেনেজুয়েলা সরকার জানিয়েছে, মিরান্দা, আরাগুয়া এবং লা গুয়াইরা রাজ্যেও হামলা চালানো হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে মাদুরো জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন এবং প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করেছেন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
খবর পাওয়া গেছে যে, একটি প্রধান সামরিক ঘাঁটির কাছে অবস্থিত রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি এলাকা বর্তমানে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।
রয়টার্স নিউজ এজেন্সি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানায়, শনিবার ভোরে কারাকাসে বিকট শব্দ শোনা গেছে।
অন্যদিকে, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে যে, কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণ এবং নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানের শব্দ শোনা গেছে। শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা, যেখানে একটি বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভেনেজুয়েলা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে তারা মাদক পাচার দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে গত সপ্তাহে তার দেশে সিআইএ-র নেতৃত্বাধীন কথিত হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো নীরবতা বজায় রেখেছেন।
গত বৃহস্পতিবার প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কিছুটা নমনীয় সুর প্রকাশ করেছেন, যদিও গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটন দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।
তা সত্ত্বেও, মাদুরো পুনরায় অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবং ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল সম্পদের দখল নিতে এই নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপ প্রয়োগ করছে।
তিনি যোগ করেন, ‘যদি তারা তেল চায়, তবে ভেনেজুয়েলা মার্কিন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত, যেমনটি শেভরনের ক্ষেত্রে হয়েছে।’ উল্লেখ্য, শেভরন একমাত্র বড় মার্কিন তেল কোম্পানি যা ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করছে।
ভেনেজুয়েলার মাটিতে মার্কিন হামলার সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করার বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে মাদুরো বলেন, ‘এটি এমন কিছু হতে পারে যা নিয়ে আমরা কয়েক দিন পর কথা বলব।’
মাদুরো আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র হুমকি, ভীতি এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায়।
মাদুরোর এই সাক্ষাৎকারটি ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই একই দিনে মার্কিন সামরিক বাহিনী মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচটি নৌকায় হামলা চালায়, যাতে অন্তত পাঁচজন নিহত হন।
ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষণা করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই হামলার ফলে ক্যারিবীয় সাগর এবং পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নৌকায় হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫-এ এবং নিহতের সংখ্যা অন্তত ১১৫ জনে পৌঁছেছে। ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার নাগরিকরা এই হামলার শিকার হয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা

ভেনেজুয়েলার বেশ কয়েকটি রাজ্যের বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে দেশটির সরকার। ভেনেজুয়েলা এই হামলাকে সামরিক আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছে। হামলার পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
একজন মার্কিন কর্মকর্তার তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টানা কয়েক মাসের হুমকির পর রাজধানী কারাকাস শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল।
ভেনেজুয়েলা সরকার জানিয়েছে, মিরান্দা, আরাগুয়া এবং লা গুয়াইরা রাজ্যেও হামলা চালানো হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে মাদুরো জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন এবং প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করেছেন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
খবর পাওয়া গেছে যে, একটি প্রধান সামরিক ঘাঁটির কাছে অবস্থিত রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি এলাকা বর্তমানে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।
রয়টার্স নিউজ এজেন্সি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানায়, শনিবার ভোরে কারাকাসে বিকট শব্দ শোনা গেছে।
অন্যদিকে, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে যে, কারাকাসে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণ এবং নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানের শব্দ শোনা গেছে। শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা, যেখানে একটি বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেখানে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ভেনেজুয়েলা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে তারা মাদক পাচার দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে গত সপ্তাহে তার দেশে সিআইএ-র নেতৃত্বাধীন কথিত হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো নীরবতা বজায় রেখেছেন।
গত বৃহস্পতিবার প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কিছুটা নমনীয় সুর প্রকাশ করেছেন, যদিও গত কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটন দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।
তা সত্ত্বেও, মাদুরো পুনরায় অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবং ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল সম্পদের দখল নিতে এই নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপ প্রয়োগ করছে।
তিনি যোগ করেন, ‘যদি তারা তেল চায়, তবে ভেনেজুয়েলা মার্কিন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত, যেমনটি শেভরনের ক্ষেত্রে হয়েছে।’ উল্লেখ্য, শেভরন একমাত্র বড় মার্কিন তেল কোম্পানি যা ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করছে।
ভেনেজুয়েলার মাটিতে মার্কিন হামলার সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করার বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে মাদুরো বলেন, ‘এটি এমন কিছু হতে পারে যা নিয়ে আমরা কয়েক দিন পর কথা বলব।’
মাদুরো আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র হুমকি, ভীতি এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায়।
মাদুরোর এই সাক্ষাৎকারটি ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই একই দিনে মার্কিন সামরিক বাহিনী মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচটি নৌকায় হামলা চালায়, যাতে অন্তত পাঁচজন নিহত হন।
ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষণা করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই হামলার ফলে ক্যারিবীয় সাগর এবং পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নৌকায় হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫-এ এবং নিহতের সংখ্যা অন্তত ১১৫ জনে পৌঁছেছে। ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার নাগরিকরা এই হামলার শিকার হয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা

মালাগা থেকে যাত্রা করা ট্রেনটি পরিচালনা করছিল বেসরকারি রেল কোম্পানি ইরিও। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ওই ট্রেনে প্রায় ৩০০ যাত্রী ছিলেন। অন্যদিকে রেনফে পরিচালিত মাদ্রিদ-হুয়েলভাগামী ট্রেনটিতে ছিলেন প্রায় ১০০ যাত্রী।
১ দিন আগে
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, এই বোর্ডের সনদটি এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত এক ডজন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তারা এই বোর্ডের সদস্য হতে পারেন। এ সংক্রান্ত নথিতে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের বিকল্প বা প্রতিদ্বন্দ্বী একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা
১ দিন আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত ওই এলাকাটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য 'অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ'। ভূখণ্ডটি জোর করে দখলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
২ দিন আগে
এই শুল্ক ১ জুন থেকে বেড়ে ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে এবং গ্রিনল্যান্ড কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।
২ দিন আগে