শিক্ষা
১৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার অধ্যক্ষ, ৪ দাবিতে ফের আন্দোলনের ঘোষণা হোম ইকোনমিকস শিক্ষার্থীদের
প্রায় ১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় অবস্থিত গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন্নেছাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। দিনভর তাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। অধ্যক্ষকে উদ্ধার করার পর গভীর রাতে তারা সংবাদ সম্মেলন করে
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শুরু ১২ নভেম্বর
দেশের সব উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য ভর্তি ওয়েবসাইটে (https://xiclassadmission.gov.bd/) প্রবেশ করতে হবে। এরপর কলেজের ইআইআইএন নম্বর ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে।
এইচএসসিতে সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর থেকে
গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল অনুযায়ী, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে এক বিষয়ে অকৃতকার্য ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন।
৫১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১১ ডিসেম্বর
গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ বিসিএসে চূড়ান্তভাবে আবেদন করেছেন ৪৪ হাজার ৬৩৫ জন। এর মাধ্যমে মোট পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। তাঁদের মধ্যে সহকারী সার্জন পদে ৪ হাজার ৭০০ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০০ জন নিয়োগ পাবেন।
এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পুনঃপরীক্ষা ও ফলাফল ডিসেম্বরের মধ্যে
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষা নেওয়া, উত্তরপত্র মূল্যায়ন এবং ফল প্রকাশের কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এ জন্য ২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় ধরে একটি খসড়া কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) এ তথ্য
এইচএসসির খাতা শতভাগ নির্মোহভাবে মূল্যায়ন হয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা
মাহদী আমিন বলেন, এবারের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন শতভাগ নির্মোহভাবে করা হয়েছে। শিক্ষা খাতের মানোন্নয়নে সরকার শুরু থেকেই কঠোর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে। খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ফলেই সঠিক ও সময়োপযোগী ফল প্রকাশ সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।
এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকেরও বেশি ফেল, ছাত্রীদের ৪৩.৬৯ শতাংশ
এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। আর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
এইচএসসির ফলাফল সন্তোষজনক নয়: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন পরীক্ষার্থীকে এক মাসের মধ্যে শুধু ওই বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
এইচএসসিতে শতভাগ পাস ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। সারা দেশে পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন।
এইচএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে ঢাকা, সর্বনিম্ন বরিশালে
এদিকে মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ দুই বোর্ডসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডের সম্মিলিত পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
এইচএসসিতে ১ বা ২ বিষয়ে ফেল ৪ লাখ, পুনঃপরীক্ষা ১ মাসের মধ্যে
এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত ২২ বছরের মধ্যে এ হার সর্বনিম্ন। মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
এইচএসসিতে ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাস করেননি কেউ
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত বছর শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ৬৫। সে হিসাবে টানা তিন বছরে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।
এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার পরীক্ষার্থী, কমেছে ২৯ হাজার
শনিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফলাফলে দেখা যায়, এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
২২ বছরের মধ্যে এইচএসসিতে পাসের হার সর্বনিম্ন
২০০৪ সালে এইচএসসিতে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। পরের বছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯ দশমিক ১৬ শতাংশে। ২০০৬ সালে পাসের হার ছিল ৬৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং ২০০৭ সালে ৬৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। এরপর ২০১২ সালে পাসের হার বেড়ে ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশে পৌঁছায়। তবে ২০১৮ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশে।
আলিমে পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে ছাত্ররা
এবারের আলিম পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬১.৭ শতাংশ, যেখানে মোট ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ বছর পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক দিয়ে বাজিমাত করেছে ছেলেরা; মোট পাসের হার ৬৪.৯০ শতাংশ নিয়ে মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ প্র
সর্বশেষ







-bbd08f-256x144.webp)

-e9240e-256x144.webp)







