এইচএসসিতে শতভাগ পাস ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ফল পেয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস । ফাইল ছবি: সংগৃহীত
ফল পেয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস । ফাইল ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। গত বছর শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। সে হিসাবে এবার এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ পরীক্ষার্থী। সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল বোর্ডে, ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে রাজশাহীতে পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, যশোরে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, সিলেটে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

অন্যদিকে মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। সারা দেশে পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল ২ হাজার ৬৯৭টি। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন।

এ ছাড়া জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন, যা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ৬ দশমিক ২ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন।

গত ২ জুলাই এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার সূচি ছিল।

তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad