এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার পরীক্ষার্থী, কমেছে ২৯ হাজার

চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ দশমিক ২ শতাংশ।
জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী। গত বছর এ পরীক্ষায় ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন।
শনিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ফলাফলে দেখা যায়, এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ রয়েছে।
প্রথমে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে ৩১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বোর্ডের ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে নিজস্ব ইআইআইএনের মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করতে পারবে।
পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে নিজেদের ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল জানা যাবে।
এ ছাড়া পরীক্ষার্থীরা যেকোনো মুঠোফোন নম্বর থেকে ১৬১৪০ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। উদাহরণ: HSC Dha 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।
উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
গত ২ জুলাই এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখের বেশি। তবে পরীক্ষায় কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

















