তিনি বলেন, আমরা যদি আবার বিভিন্ন বর্গে, সূত্রে ভাগ হয়ে যাই, তখন আমাদের জন্য কঠিন হবে। এছাড়া আওয়ামী লীগ বিভিন্ন নামে ফিরে আসতে পারে। এটা তাদের ধর্ম। কারণ তাদের একটা কেবলা আছে। একটা ধর্মে যা যা থাকে তার সব আসে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
সারজিস আলম আরও বলেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। ফেব্রুয়ারিতেও নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু তার আগে সরকারকে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি দিতে হবে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিতে হবে এবং দৃশ্যমান বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হতে হবে। তাহলে ফেব
বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (পিএসসি) ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রবিবার দুপুরে পিএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করে এই প্রস্তাবগুলো দেন দলটির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।
কেবল এনসিপির নিজেদের ব্যর্থতা নয়, বরং তাদের ঘিরে নানা ধরনের নেতিবাচক প্রচারণার পাশাপাশি প্রত্যাশার পারদ বাস্তবতাকে ছাড়িয়ে যাওয়াকেও কারণ হিসেবে মনে করছেন খোদ এনসিপির নেতারাও। তবে নিজেদের রাজনীতি ও জনঘনিষ্ঠ কর্মসূচি নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছানোর বিষয়েও তারা বদ্ধপরিকর।
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, ‘কমিশন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে যে আন্তরিকতার জায়গা থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ প্রস্তুত করার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, সেটাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কিন্তু সেটাও যেন কোনোভাবে জুলাই ঘোষণাপত্রের মতো করে কোনো দলের চাপে পড়ে একটা কাগুজে দলিল হিসেবে জাতির কাছে বাস্তবায়ন পরি
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বৈঠকে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশ, আইনি ভিত্তি এবং সনদের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, কনভেনশন হলের তৃতীয় তলায় এনসিপি ঢাকা মহানগর ও ঢাকা জেলার সমন্বয় সভা চলছিল। ওই সময় দ্বিতীয় তলায় এনসিপির মোহাম্মদপুর ও বংশাল থানার নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে ইউসুফ নামে বংশাল থানার এক কর্মী আহত হন।
সারজিস আলম জানান, দু-এক দিনের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটি হবে। নভেম্বরের মধ্যে জেলা আহ্বায়ক কমিটি হবে। থানা ও জেলা কমিটি বাংলামোটর থেকে হবে না। সংশ্লিষ্ট শাখায় সভা করেই কমিটি গঠন করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে বিএনপি সুনির্দিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনারা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে আমরা এরই মধ্যে নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। সামনে আরও অনেক উদ্যোগ আপনারা দেখতে পাবেন।
এর আগে বিকাল সোয়া পাঁচটায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় পৌঁছান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষস্থানীয় চার নেতা। তারা হলেন- আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।
এনসিপির আহ্বাক বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছি। ইসি গঠন প্রক্রিয়া ও তাদের বর্তমান আচরণ নিরপেক্ষ হচ্ছে না, স্বচ্ছ হচ্ছে না। সাংবিধানিকভাবে যেভাবে কাজ করার ছিল তা করছে না। কারো প্রতি পক্ষপাত এবং কারো প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করছে। এজন্য ইসি পুনর্গঠন হওয়া প্রয়োজন।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এরই ধারাবাহিকতায় আজ এনসিপি ও জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি ও জামায়াত দুইটি জোটের সাথে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতায় যাওয়ার ক্ষেত্রে লাভ-ক্ষতির হিসাব কষছে দলটি।
এনসিপির আরেক নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াতের তীব্র সমালোচনা করেছেন ‘তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও অতীত আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মানচিত্র ও জাতীয় চেতনার পরিপন্থি’ হিসেবে। বলেছেন, জামায়াতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জামায়াতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও অতীত আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মানচিত্র ও জাতীয় চেতনার পরিপন্থি। তারা যতবার ইতিহাসের মঞ্চে ফিরে আসতে চেয়েছে, ততবারই জনগণের অন্তর থেকে প্রতিধ্বনি উঠেছে। এই দেশকে আর অন্ধকারে ফেরানো যাবে না।
এহসানুল জুবায়ের বলেন, তিনি (নাহিদ) তার বক্তব্যের মাধ্যমে কী বুঝাতে চাচ্ছেন তা আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। তার কাছে এ ধরনের বালখিল্য বক্তব্য জাতি আশা করে না।