জাতীয় কমিটির এই সভায় জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সকল সদস্য, জেলা/মহানগর কমিটিগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা এবং বিশেষ আমন্ত্রণে জাসদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর সম্মানিত সদস্যরা ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী জাসদ মনোনীত দলীয় প্রার্থীরা অংশ নেবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলটির স
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন সরকারের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের রাজনীতি মোকাবিলা করা, সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি, সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা নির্মূল করা, কোনো অজুহাত না দেখিয়ে যেকোনো মূল্যে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, তারেক-কেকোর পাচা
ব্যবসায়ী আর দুর্নীতিবাজ মাফিয়া সন্ত্রাসীরা সরকার আর সরকারি দলকে খেয়ে ফেলেছে। মুনাফাখোর সিন্ডিকেট আজ বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার ক্ষমতা আর এই সরকারের নেই। এই সরকার নিজেই দেশের মানুষকে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল ও তাদের আন্দোলনকে
স্মরণ সভায় বক্তারা বলেন, শহিদ অ্যাড, মোশাররফ হোসেনসহ সমাজ বদলের সংগ্রামে মহান শহিদদের পথ ধরেই জাসদ জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ স্থানে রেখে, সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে দলের রাজনৈতিক নীতি-কৌশল নির্ধারণ করে জাতীয় রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছে। জাসদের চলার পথে ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু জাতীয় স্বার্
ইনু বলেন, বাংলাদেশে অস্বাভাবিকভাবে সরকার অদল বদলের যে চক্রান্ত সেই চক্রান্ত মুখ থুবরে পড়েছে, ব্যর্থ হয়েছে। সরকার উৎখাতের যুদ্ধের ভিতরে নির্বাচন সম্পন্ন করা, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার করা- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ও দেশের জন্য রাজনৈতিক সাফল্য। এই সাফল্যের উপর দাড়িয়ে নতুন
সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির সম্পাদকম-লীর সদস্য আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাইফুল ইসলাম সমীরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা
জনসভায় সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, আজকের এই জনসভা থেকে আমরা আন্দোলনের নতুন ডাক দিতে চাই। অনেকেই ভাবছেন সব শেষ হয়ে গেছে। আইয়ুব খানের মহাসমারোহে উন্নয়নের দশক উদযাপন শেষ হওয়ার আগে তার পতন হয়েছিল। স্বৈরশাসনের অবসান যখন
আগামীকাল শুক্রবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির উদ্যোগে বিকেল ৪টায় পুরানা পল্টনের কমরেড মণি সিংহ সড়কে, ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির উদ্যোগে একই সময় কাফরুল থানার ভিশন ফ্যাক্টরির মোড়ের সামনে এবং ঢাকা জেলা কমিটির উদ্যোগে ওই সময় সাভার বাজার, সিটি সেন্টারে
সিপিবির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স রোববার এক বিবৃতিতে ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সভা সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বিবৃতিতে ‘দুঃশাসন হঠাও, ব্যবস্থা বদলাও, বাম গণতান্ত্রিক
, এই ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্রকে পুনরুদ্ধার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন কায়েমসহ জনগণের অংশগ্রহণ ভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন উপযোগী রাষ্ট্র নির্মাণে ‘দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ একমাত্র বিকল্প’। এই যুদ্ধকে সামনে রেখে
বুধবার এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ক পাঠ্যপুস্তকে ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া বিষয় নিয়ে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক খণ্ডকালীন শিক্ষক আসিফ মাহতাব উৎস বিজ্ঞান শিক্ষার বিরোধিতা করেছেন এবং ধর্মের অপব্যবহার করে উস্কানি দিয়ে উত্তেজনা ও অ
রাশেদ খান মেনন আরও বলেন, ‘ষাটের দশকে ছাত্র-যুব তরুণদের মধ্যে যে চেতনা ছিল, এখন সেই তরুণরা সমাজ ভোগবাদী ও স্বার্থপরতার দ্বারা পরিচালিত হয়ে হচ্ছে। এটা করতে গিয়ে তারা যখন কিছুই পাচ্ছে না, তখন
বিবৃতিতে বলা হয়, সাধারণ মানুষের আয় কমে গেলেও নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে মানুষ অতিষ্ঠ। শ্রমিকদের বাঁচার মতো জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষিত হয়নি। সব মানুষের মানসম্মত ৩৬৫ দিনের কাজের নিশ্চয়তা নাই। শিক্ষা-স্বাস্থ্য
তিনি বলেন, নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সহযোগীরা অংশ নেয়নি বলে, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি বলে, যে দাবি করা হচ্ছে, তাও অমূলক। কারণ এযাবৎকাল তাদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যার চাইতে দ্বাদশ
সভায় আরো বক্তব্য দেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক
তারা বলেন, সারাদেশে ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু করা এবং ক্রেতা-সমবায় সমিতি সংগঠিত করে দেশব্যাপী তার বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হব। মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ থেকে উৎপাদক কৃষক ও ক্রেতাসাধারণকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট
নির্বাচনবিহীন সংস্কৃতির মাধ্যমে রাষ্ট্র থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক, নৈতিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ না করায়, ক্ষমতাসীনদের লোভ-লালসায় সমাজটা হাতছাড়া হয়ে গেছে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ