
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার সাধারণ জনগণের পকেট কাটার উৎসব নতুন করে শুরু করেছে বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি)। দলটি বলছে, শুক্রবার সিপিবি সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স এক বিবৃতিতে এ কথা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, নিজেদের আর্থিক সংকট মোকাবিলা এবং বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফের নির্দেশ মেনে চলতে নানা খাতে মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণের পকেট কাটার এই উৎসবের আয়োজন আবারও শুরু হয়েছে। আকস্মিকভাবে চালের দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটা চলছে। আকস্মিক গ্যাসের মিটার ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। সব জায়গায় নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ করতে না পারলেও আবারও গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। মূল্য সমন্বয়ের নামে বিভিন্ন খাতে প্রতিনিয়ত দাম বাড়ানোর কথাও ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাধারণ মানুষের আয় কমে গেলেও নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে মানুষ অতিষ্ঠ। শ্রমিকদের বাঁচার মতো জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষিত হয়নি। সব মানুষের মানসম্মত ৩৬৫ দিনের কাজের নিশ্চয়তা নাই। শিক্ষা-স্বাস্থ্য মানুষের নাগালের বাইরে। বছরের শুরুতে বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় লুটপাটের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং বিশ্ব ব্যাংক আইএমএফ’র সিদ্ধান্ত মানতে মূল্যবৃদ্ধির উৎসব করা হচ্ছে ও হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মুক্তবাজারের নামে চলমান লুটপাটের অর্থনীতির ধারা এই অবস্থাকেই বহাল রাখছে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া এই সরকার এই ধারাকেই অব্যাহত রেখে আবারো দেশকে লুটপাটের অবাধ ক্ষেত্র তৈরি করবে। এর বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে। এটি না পারলে সাধারণ জনগণের পকেট কাটা নয় পকেট নিংড়ানোর উৎসব চলবে।
বিবৃতিতে নিত্যপণ্যসহ দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্য দ্রব্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে সচেতন দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সরকার সাধারণ জনগণের পকেট কাটার উৎসব নতুন করে শুরু করেছে বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি)। দলটি বলছে, শুক্রবার সিপিবি সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স এক বিবৃতিতে এ কথা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, নিজেদের আর্থিক সংকট মোকাবিলা এবং বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফের নির্দেশ মেনে চলতে নানা খাতে মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণের পকেট কাটার এই উৎসবের আয়োজন আবারও শুরু হয়েছে। আকস্মিকভাবে চালের দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটা চলছে। আকস্মিক গ্যাসের মিটার ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। সব জায়গায় নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ করতে না পারলেও আবারও গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। মূল্য সমন্বয়ের নামে বিভিন্ন খাতে প্রতিনিয়ত দাম বাড়ানোর কথাও ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাধারণ মানুষের আয় কমে গেলেও নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে মানুষ অতিষ্ঠ। শ্রমিকদের বাঁচার মতো জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষিত হয়নি। সব মানুষের মানসম্মত ৩৬৫ দিনের কাজের নিশ্চয়তা নাই। শিক্ষা-স্বাস্থ্য মানুষের নাগালের বাইরে। বছরের শুরুতে বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় লুটপাটের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং বিশ্ব ব্যাংক আইএমএফ’র সিদ্ধান্ত মানতে মূল্যবৃদ্ধির উৎসব করা হচ্ছে ও হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মুক্তবাজারের নামে চলমান লুটপাটের অর্থনীতির ধারা এই অবস্থাকেই বহাল রাখছে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া এই সরকার এই ধারাকেই অব্যাহত রেখে আবারো দেশকে লুটপাটের অবাধ ক্ষেত্র তৈরি করবে। এর বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে। এটি না পারলে সাধারণ জনগণের পকেট কাটা নয় পকেট নিংড়ানোর উৎসব চলবে।
বিবৃতিতে নিত্যপণ্যসহ দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্য দ্রব্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে সচেতন দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে