
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নির্বাচন বানচালের দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র, নির্বাচন প্রতিরোধের লক্ষ্যে ঘোষিত তথাকথিত অবরোধ-হরতাল মোকাবেলা করে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা। তারা বলেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা গেছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সকল সংঘাত-সংঘর্ষ ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে, তা বুর্জোয়া নির্বাচনেরই অনুষঙ্গ। তবে এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন আরো শক্ত অবস্থান গ্রহণ করলে এসব এড়ানো সম্ভব ছিল। এ ধরনের ব্যতিক্রম ঘটনাকে কেন্দ্র করে টিআইবির তথাকথিত গবেষণায় যে চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছে তা অতিকথন। এ ধরনের ব্যতিক্রম ঘটনা নির্বাচনের সামগ্রিক চিত্রকে তুলে ধরে না।
শুক্রবার ওয়ার্কার্স পার্টির নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সভায় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক পর্যালোচনা করে এই অভিমত প্রকাশ করা হয়।
পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি সম্পর্কে বলা হয়, ঢাকাসহ কিছু মহানগরীর ভোটের উপস্থিতি দিয়ে নির্বাচনে ভোটের উপস্থিতির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা ঠিক হবে না। এর বাইরে মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে বরং উৎসব আনন্দ ও ভোটারের উপস্থিতির মধ্য দিয়েই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সহযোগীরা অংশ নেয়নি বলে, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি বলে, যে দাবি করা হচ্ছে, তাও অমূলক। কারণ এযাবৎকাল তাদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যার চাইতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোট সংখ্যা অনেক এবং তাদের নেতিবাচক ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতির কারণে ওই ভোটাররাও তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং যারা ভোট দিতে যাননি তারা নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণেই ভোট দিতে আগ্রহ বোধ করেননি। আগামী ২৮ জানুয়ারি ওয়ার্কার্স পার্টির নির্বাচনী প্রার্থীদের সভার পরই নির্বাচন সম্পর্কিত পার্টির পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক, কমরেড কামরূল আহসান, কমরেড আলী আহমেদ এনামুল হক এমরান ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তপন দত্ত চৌধুরী।

নির্বাচন বানচালের দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র, নির্বাচন প্রতিরোধের লক্ষ্যে ঘোষিত তথাকথিত অবরোধ-হরতাল মোকাবেলা করে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা। তারা বলেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতির ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা গেছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সকল সংঘাত-সংঘর্ষ ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে, তা বুর্জোয়া নির্বাচনেরই অনুষঙ্গ। তবে এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন আরো শক্ত অবস্থান গ্রহণ করলে এসব এড়ানো সম্ভব ছিল। এ ধরনের ব্যতিক্রম ঘটনাকে কেন্দ্র করে টিআইবির তথাকথিত গবেষণায় যে চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছে তা অতিকথন। এ ধরনের ব্যতিক্রম ঘটনা নির্বাচনের সামগ্রিক চিত্রকে তুলে ধরে না।
শুক্রবার ওয়ার্কার্স পার্টির নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সভায় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিক পর্যালোচনা করে এই অভিমত প্রকাশ করা হয়।
পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি সম্পর্কে বলা হয়, ঢাকাসহ কিছু মহানগরীর ভোটের উপস্থিতি দিয়ে নির্বাচনে ভোটের উপস্থিতির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা ঠিক হবে না। এর বাইরে মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে বরং উৎসব আনন্দ ও ভোটারের উপস্থিতির মধ্য দিয়েই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের সহযোগীরা অংশ নেয়নি বলে, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি বলে, যে দাবি করা হচ্ছে, তাও অমূলক। কারণ এযাবৎকাল তাদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যার চাইতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোট সংখ্যা অনেক এবং তাদের নেতিবাচক ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতির কারণে ওই ভোটাররাও তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং যারা ভোট দিতে যাননি তারা নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণেই ভোট দিতে আগ্রহ বোধ করেননি। আগামী ২৮ জানুয়ারি ওয়ার্কার্স পার্টির নির্বাচনী প্রার্থীদের সভার পরই নির্বাচন সম্পর্কিত পার্টির পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক, কমরেড কামরূল আহসান, কমরেড আলী আহমেদ এনামুল হক এমরান ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তপন দত্ত চৌধুরী।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে