মশাল মিছিলের পূর্বে সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সমীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মঈন বলেন, অস্তিত্ব সংকটের মুখে মরিয়া হয়ে সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সন্ত্রাসবাদী ন্যাটো জোট সারা দুনিয়ায় যুদ্ধের আগুন লাগানোর চেষ
দলের পলিটব্যুরো নেতারা বলেন, একটি অগণতান্ত্রিক সাম্রাজ্যবাদী-মৌলবাদী-মবতান্ত্রিক অস্থির অন্তবর্তী সরকারের অপশাসন থেকে বেরিয়ে আসার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে জনগণ। শত সীমাবদ্ধতায়ও একতরফা কৌশলের নির্বাচনে জনগণ যে রায় দিয়েছে তা স্বস্তিকর ও সুস্থ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারা তৈরির মনোভাবকেই প্রকাশ করেছে।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত জোনায়েদ সাকি তার দল গণসংহতি আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি আর ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও সে নির্বাচনে জিততে পারেননি তিনি।
এই বাস্তবতারই ধারাবাহিকতায় আমরা সাম্প্রতিক সময়েও জনগণের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের শক্তিশালী প্রকাশ প্রত্যক্ষ করেছি। দেশবাসীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে, গণতন্ত্র হরণ করে, দমনপীড়ন চালিয়ে অনির্বাচিত সরকারের শাসন চাপিয়ে দিয়ে এবং শোষণ ও বৈষম্যের মাধ্যমে মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে যে কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিস্ট
জাসদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে দলের সদ্যপ্রয়াত তিনজন নেতা স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক আমিন, জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটির সহ—সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহর আলী চৌধুরী, রাজশা
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাকর্মীরা জানান, মগবাজার-মীরবাগ এলাকায় মিছিল শেষে তারা ফিরছিলেন। পথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরবের সমর্থকরা তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এ সময় তিনজন গুরুতর আহত হন।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, আমরা যখন জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরে দেশ গড়ার উপায় নিয়ে ভোটারদের কাছে যাচ্ছি, তখন ভূ-রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা তার এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছে। অন্তর্বর্তী সরকার এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে বলে সাধারণ মানুষ
সাইফুল হক বলেন, যারা কালো টাকা ও পেশী শক্তি দিয়ে ভোটের বাক্স ভরতে চান, তারা সেসব দিনের কথা ভুলে যান। যারা মাস্তানি ও চাঁদাবাজি করে, তাদের ঢাকা-১২ আসনের জনগণ প্রত্যাখ্যান করবেন। ইনশাল্লাহ তারেক রহমানের ভালোবাসা ও কোদাল মার্কা নিয়ে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হব।
সিপিবির প্রার্থী তালিকায় দলটির বাইরের চারজন প্রার্থীও রয়েছেন। এর মধ্যে ময়মনসিংহ-১ আসনে গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির আজহারুল ইসলাম আজাদ ও মাদারীপুর-১ আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির আব্দুল আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ ছাড়া সিপিবি-সমর্থিত প্রার্থী নিরব রবি দাস ও শিপন রবি দাস যথাক্রমে গাইবান্ধা-৫
এর আগে অস্থায়ী বেদীতে সিপিবিসহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। সিপিবি সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও মোহাম্মদ শাহ আলম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসলাম খান প্রমুখ।
সাইফুল হক বলেন, কোরআনের হাফেজ যারা, তারা আমাদের সমাজের নৈতিক দিশা প্রদর্শক। তারা কোরআনের আলো সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়ে মানবসেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবেন— এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
কবর জিয়ারত শেষে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও মোনাজাতে অংশ নেন। একইসাথে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরও জিয়ারত করেন ও তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তোপখানা রোডে তাদের দলীয় কার্যালয়টি অবৈধ দখলে থাকায় তারা নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না, যা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান ও মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম ও সিকদার হারুন মাহমুদ, সংগঠক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, যুবরান আলী জুয়েল, স্বাধীন মিয়া ও আরিফুল ইসলাম আরিফ।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেওয়া দণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে বিবৃতিতে জাসদ বলছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, চরিতার্থ করার জন্য অসাংবিধানিক সরকারের ট্রাইব্যুনালের সাজানো মামলার
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বারবার স্বৈরাচারী শাসনের কবলে পড়েছে। দেশের মানুষ বুকের রক্ত দিয়ে স্বৈরাচারদের উৎখাত করেছে। নতুন কোনো ফ্যাসিবাদী, কর্তৃত্ববাদী, স্বৈরাচারী শাসন আমরা দেখতে চাই না। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার বারবার নানা আশঙ্কার জন্ম দিচ্ছে।