
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা-১২ আসনে বিএনপি-সমর্থিত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী সাইফুল হক ও ফুটবল প্রতীকে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ তথা স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরবের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হকের তিনজন সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতরা হলেন— আহাদ হোসেন খান (২৭), মো. হোসেন (৩৫) ও আব্দুর রহমান সাকিন (৩০)।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা গণমাধ্যমকে সংঘর্ষের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাকর্মীরা জানান, মগবাজার-মীরবাগ এলাকায় মিছিল শেষে তারা ফিরছিলেন। পথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরবের সমর্থকরা তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এ সময় তিনজন গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনার পর আহতদের দেখতে ঢামেক হাসপাতালে যান ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী সাইফুল হক। হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, হামলাকারীদের শনাক্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে।
এ ঘটনায় মামলা করবেন জানিয়ে ও ঢাকা-১২ আসনের কয়েকটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে উল্লেখ করে সাইফুল হক নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বাড়তি নিরাপত্তা দাবি করেন।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তার সমর্থনে বের হওয়া মিছিলেই বরং সাইফুল হকের নেতাকর্মীরা জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেছেন। তারা পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া বাঁধিয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, হাতিরঝিল এলাকায় দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাদের চিকিৎসা চলছে।

ঢাকা-১২ আসনে বিএনপি-সমর্থিত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী সাইফুল হক ও ফুটবল প্রতীকে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ তথা স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরবের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হকের তিনজন সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতরা হলেন— আহাদ হোসেন খান (২৭), মো. হোসেন (৩৫) ও আব্দুর রহমান সাকিন (৩০)।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা গণমাধ্যমকে সংঘর্ষের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাকর্মীরা জানান, মগবাজার-মীরবাগ এলাকায় মিছিল শেষে তারা ফিরছিলেন। পথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরবের সমর্থকরা তাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এ সময় তিনজন গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনার পর আহতদের দেখতে ঢামেক হাসপাতালে যান ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী সাইফুল হক। হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, হামলাকারীদের শনাক্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে।
এ ঘটনায় মামলা করবেন জানিয়ে ও ঢাকা-১২ আসনের কয়েকটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে উল্লেখ করে সাইফুল হক নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বাড়তি নিরাপত্তা দাবি করেন।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, তার সমর্থনে বের হওয়া মিছিলেই বরং সাইফুল হকের নেতাকর্মীরা জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেছেন। তারা পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া বাঁধিয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, হাতিরঝিল এলাকায় দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাদের চিকিৎসা চলছে।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে