
বরিশাল প্রতিনিধি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হট্টগোল করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা। তারা এজলাসে ঢুকে ধাক্কাধাক্কি ও চিৎকার করেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার পরপর এ ঘটনা ঘটে। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় (সিসি ক্যামেরা) ধারণ করা এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়তউল্লাহর আদালতে একটি মামলার শুনানি চলাকালে আদালত কক্ষের দরজা খুলে কয়েকজন আইনজীবী এজলাসে প্রবেশ করেন। চিৎকার করতে করতে তারা এজলাসে বসার বেঞ্চগুলোতে ধাক্কা দেন। একজন আইনজীবী বিচারকের সামনে গিয়ে আঙুল তুলে কথা বলেন। তিনি বিচারকের সামনে থাকা একটি বেঞ্চেও আঘাত করেন। পরে ওই আইনজীবীরা এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন।
দুপুরে এজলাস কক্ষে প্রথম প্রবেশ করেন বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান (লিংকন)। রাতে তিনি বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক আমাদের জানান, তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসকে (আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য) জামিন দেওয়া হবে। আমরা জামিন না দিতে অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি জামিন দিয়ে দেন।
তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস সোমবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়তউল্লাহর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তিন নেতা জামিনে মুক্তি পান।
সাদিকুর রহমান বলেন, ৩০-৪০ লাখ টাকা নিয়ে জামিন দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আজ (মঙ্গলবার) সকালে আদালত না চালানোর অনুরোধ করলেও কাজ হয়নি। পরে বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা কোর্টে ঢুকে প্রতিবাদ জানান। পরে এ বিষয়ে মহানগর দায়রা জজের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আমাদের কথা শুনে বিষয়টি মিটমাট করে দেন। আমরা আগামীকাল (বুধবার) জামিন বাতিলের আবেদন দেবো।
এর আগে আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিন মঞ্জুর করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে চিফ মেট্রোপলিটন আদালত ও অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের কার্যক্রম বর্জন করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। তারা চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
কর্মসূচি থেকে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়ত উল্লাহর অপসারণ দাবি করেন এবং আওয়ামী লীগ নেতার জামিন বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য মহানগরের সব আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, এপিপি সাইদ মোর্শেদ মামুন, অতিরিক্ত পিপি আবুল কালাম আজাদ ইমন, অতিরিক্ত পিপি নুরুল হক দুলালসহ অন্যরা।
এ বিষয়ে বরিশাল জেলা জজ আদালতের এপিপি ও জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসের মামলাটি জামিন অযোগ্য। তিনি আত্মসমর্পণ করলে বিচারক রহস্যজনক কারণে জামিন দেন। আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা একই আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।
এপিপি হাফিজ আরও বলেন, এসব জামিন নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এসব জামিন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আমরা জামিনের বিরোধিতা করলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের জামিন দেওয়ার প্রতিবাদে বরিশালে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হট্টগোল করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা। তারা এজলাসে ঢুকে ধাক্কাধাক্কি ও চিৎকার করেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার পরপর এ ঘটনা ঘটে। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় (সিসি ক্যামেরা) ধারণ করা এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়তউল্লাহর আদালতে একটি মামলার শুনানি চলাকালে আদালত কক্ষের দরজা খুলে কয়েকজন আইনজীবী এজলাসে প্রবেশ করেন। চিৎকার করতে করতে তারা এজলাসে বসার বেঞ্চগুলোতে ধাক্কা দেন। একজন আইনজীবী বিচারকের সামনে গিয়ে আঙুল তুলে কথা বলেন। তিনি বিচারকের সামনে থাকা একটি বেঞ্চেও আঘাত করেন। পরে ওই আইনজীবীরা এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন।
দুপুরে এজলাস কক্ষে প্রথম প্রবেশ করেন বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান (লিংকন)। রাতে তিনি বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক আমাদের জানান, তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসকে (আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য) জামিন দেওয়া হবে। আমরা জামিন না দিতে অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি জামিন দিয়ে দেন।
তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস সোমবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়তউল্লাহর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তিন নেতা জামিনে মুক্তি পান।
সাদিকুর রহমান বলেন, ৩০-৪০ লাখ টাকা নিয়ে জামিন দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আজ (মঙ্গলবার) সকালে আদালত না চালানোর অনুরোধ করলেও কাজ হয়নি। পরে বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা কোর্টে ঢুকে প্রতিবাদ জানান। পরে এ বিষয়ে মহানগর দায়রা জজের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আমাদের কথা শুনে বিষয়টি মিটমাট করে দেন। আমরা আগামীকাল (বুধবার) জামিন বাতিলের আবেদন দেবো।
এর আগে আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিন মঞ্জুর করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে চিফ মেট্রোপলিটন আদালত ও অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের কার্যক্রম বর্জন করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। তারা চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
কর্মসূচি থেকে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা অতিরিক্ত মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়ত উল্লাহর অপসারণ দাবি করেন এবং আওয়ামী লীগ নেতার জামিন বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য মহানগরের সব আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, এপিপি সাইদ মোর্শেদ মামুন, অতিরিক্ত পিপি আবুল কালাম আজাদ ইমন, অতিরিক্ত পিপি নুরুল হক দুলালসহ অন্যরা।
এ বিষয়ে বরিশাল জেলা জজ আদালতের এপিপি ও জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসের মামলাটি জামিন অযোগ্য। তিনি আত্মসমর্পণ করলে বিচারক রহস্যজনক কারণে জামিন দেন। আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা একই আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।
এপিপি হাফিজ আরও বলেন, এসব জামিন নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এসব জামিন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আমরা জামিনের বিরোধিতা করলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে জিল হক ও উম্মে হুমায়রার শরীরের যথাক্রমে ৫৪ ও ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে, যার ফলে তাদের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। পরিবারের অন্য দুই সদস্য—মনোয়ারা বেগম ও শিশু হুররামও হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সিলিন্ডার লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যা
১৭ ঘণ্টা আগে
গোলাগুলি শেষে সেনা সদস্যরা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় হ্লামংনু মার্মাকে গুলিবিদ্ধ উদ্ধার করে। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড ব্লাঙ্ক অ্যামোনিশন, দুটি ম্যাগাজিন ও অন্
১৭ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের একটি বাজারে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছিল ১২০ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে বাজার তদারকি করতে যান জেলা প্রশাসক। বাজারে গিয়ে দোকানিকে লেবুর হালি জিজ্ঞাসা করতেই দাম হাঁকেন ৪০ টাকা। এ সময় দাম কম বলায় লেবু কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ক্রেতারা।
১ দিন আগে
পুলিশ সুপার রবিউল হাসান বলেন, আমাদের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এছানুল হক মিলন চাঁদপুরের কচুয়ায় নিজ নির্বাচানী এলাকায় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সন্ধ্যার পর অযাচিতভাবে কোনো কিশোর রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করত
১ দিন আগে