দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম মালিক জানান, অনেক গাড়ির লাইন দেখে উনি (ইউএনও) বৈধ কাগজপত্র না থাকা কয়েকজনকে জরিমানা করেন। এ সময় হঠাৎ করেই কিছু লোকজন তার ওপর হামলা করে। স্থানীয়রা তাকে সেভ করে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ সেখান থেকে উদ্ধার করে।










মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের কাছ থেকে চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দেবু প্রসাদ রায় প্রথমে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা নেন। এরপর একই ধরনের আশ্বাসে আরও ৫০ লাখ টাকা এবং পরে ২০২৪ সালের ১৫ মে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া
মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া

এ কে এম মাহফুজুর রহমান
এ কে এম মাহফুজুর রহমান

শেখ মুর্শিদুল ইসলাম
শেখ মুর্শিদুল ইসলাম

শরিফুজ্জামান পিন্টু