
ক্রীড়া ডেস্ক

ইরানের জাতীয় ফুটবল দল ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মতো অবস্থানে নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির ক্রীড়া ও যুবমন্ত্রী আহমদ দোনইয়ামালি। যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার পর চলমান যুদ্ধ ও এর জের ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানিদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণেই তিনি এমন মন্তব্য করেন বলে জানান।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আইআরআইবি স্পোর্টস নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এই মন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার (যুক্তরাষ্ট্র সরকার) আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে, তাই কোনো অবস্থাতেই আমাদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মতো উপযুক্ত পরিবেশ নেই। আমাদের ছেলেরা সেখানে (যুক্তরাষ্ট্রে) নিরাপদ নয় এবং অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলোও বিদ্যমান নেই।
দোনইয়ামালি আরও বলেন, গত আট থেকে নয় মাসে আমাদের ওপর দুটি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের কয়েক হাজার মানুষ নিহত ও শহিদ হয়েছেন। তাই আমাদের পক্ষে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা নিশ্চিতভাবেই অসম্ভব।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহেদি তাজও দেশটির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে তার যুক্তি ভিন্ন ছিল। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় নারী ফুটবলারদের নিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার কথা তুলে ধরেন।
এশিয়ার নারী ফুটবলের আসর এএফসি ওমেনস এশিয়ান কাপ চলছে অস্ট্রেলিয়ায়। এ টুর্নামেন্টে খেলতে ইরানের নারী ফুটবল দল দেশটিতে অবস্থান করছিল। টুর্নামেন্ট চলাকালেই শুরু হয় যুদ্ধ। পরে ইরান টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়লে তাদের কয়েকজন অস্ট্রেলিয়ার কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। অস্ট্রেলিয়া ইরানের সাত নারী ফুটবলারকে ‘মানবিক ভিসা’ দেয়, যা দিয়ে তারা অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে, কাজ করতে ও পড়ালেখা করতে পারবেন।
ইরানি নারী ফুটবলাররা নিরাপত্তা দেখিয়ে এ আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার তাদের ভিসা দেওয়ায় অনেকের কাছে প্রশংসিতও হয়েছে। তবে ইরানে সরকারপন্থিরা এসব ফুটবলারকে ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তারা বলছেন, বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করে নারী ফুটবলারদের মানসিকভাবে চাপ দিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করানো হয়েছে।
মেহেদী তাজ বলেন, নারী ফুটবলারদের জন্য যে সমস্যাগুলো তৈরি করা হয়েছে, বিশ্বকাপের প্রেক্ষাপটও যদি এমন হয়, তবে কোনো সুস্থ মস্তিষ্কই আমেরিকায় দল পাঠাতে রাজি হবে না।

ইরানের জাতীয় ফুটবল দল ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মতো অবস্থানে নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির ক্রীড়া ও যুবমন্ত্রী আহমদ দোনইয়ামালি। যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার পর চলমান যুদ্ধ ও এর জের ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানিদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণেই তিনি এমন মন্তব্য করেন বলে জানান।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আইআরআইবি স্পোর্টস নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এই মন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার (যুক্তরাষ্ট্র সরকার) আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে, তাই কোনো অবস্থাতেই আমাদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মতো উপযুক্ত পরিবেশ নেই। আমাদের ছেলেরা সেখানে (যুক্তরাষ্ট্রে) নিরাপদ নয় এবং অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলোও বিদ্যমান নেই।
দোনইয়ামালি আরও বলেন, গত আট থেকে নয় মাসে আমাদের ওপর দুটি যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের কয়েক হাজার মানুষ নিহত ও শহিদ হয়েছেন। তাই আমাদের পক্ষে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা নিশ্চিতভাবেই অসম্ভব।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহেদি তাজও দেশটির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে তার যুক্তি ভিন্ন ছিল। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় নারী ফুটবলারদের নিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার কথা তুলে ধরেন।
এশিয়ার নারী ফুটবলের আসর এএফসি ওমেনস এশিয়ান কাপ চলছে অস্ট্রেলিয়ায়। এ টুর্নামেন্টে খেলতে ইরানের নারী ফুটবল দল দেশটিতে অবস্থান করছিল। টুর্নামেন্ট চলাকালেই শুরু হয় যুদ্ধ। পরে ইরান টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়লে তাদের কয়েকজন অস্ট্রেলিয়ার কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। অস্ট্রেলিয়া ইরানের সাত নারী ফুটবলারকে ‘মানবিক ভিসা’ দেয়, যা দিয়ে তারা অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে, কাজ করতে ও পড়ালেখা করতে পারবেন।
ইরানি নারী ফুটবলাররা নিরাপত্তা দেখিয়ে এ আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার তাদের ভিসা দেওয়ায় অনেকের কাছে প্রশংসিতও হয়েছে। তবে ইরানে সরকারপন্থিরা এসব ফুটবলারকে ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে অভিহিত করেছে। তারা বলছেন, বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করে নারী ফুটবলারদের মানসিকভাবে চাপ দিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করানো হয়েছে।
মেহেদী তাজ বলেন, নারী ফুটবলারদের জন্য যে সমস্যাগুলো তৈরি করা হয়েছে, বিশ্বকাপের প্রেক্ষাপটও যদি এমন হয়, তবে কোনো সুস্থ মস্তিষ্কই আমেরিকায় দল পাঠাতে রাজি হবে না।

মাঠের লড়াইয়ে অবশ্য সব মনোযোগই ছিল ফুটবলে। ম্যাচের ১৪ মিনিটে রাফা সিলভার গোলে এগিয়ে যায় বেনফিকা। গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া আত্মঘাতী গোল ঠেকালেও ফিরতি বলে জাল খুঁজে পান রাফা। তবে দুই মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরান অরেলিয়েন চুয়ামেনি। বক্সের প্রান্ত থেকে দারুণ শটে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের প্রথম গোলটি করেন তিনি।
১৪ দিন আগে
এ ছাড়া রোববার অনুষ্ঠিত ভার্চ্যুয়াল সভায় গুরুত্বপূর্ণ আরও তিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৈঠকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। প্রশাসনিক সৌজন্য থেকে শুরু করে টুর্নামেন্ট আয়োজন, নির্বাচক প্যানেল এবং শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা-৪ সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা।
১৭ দিন আগে
২০১৫ সালের এপ্রিলে সর্বশেষ বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল পাকিস্তান।
১৯ দিন আগে
লো স্কোরিং ম্যাচে ৫৪ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ফাহিমা খাতুনের নেতৃত্বাধীন টাইগ্রেসরা। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
২০ দিন আগে