
মাদারীপুর প্রতিনিধি

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামায় বেড়েছে যানবাহনের চাপ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সড়কটির বিভিন্ন অংশে যানবাহনের বাড়তি উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাপও বাড়ছে।
সরেজমিনে সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, দক্ষিণাঞ্চলগামী লেনে দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
প্রায় সব পরিবহনেই যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে মিনি ট্রাকসহ বিকল্প যানবাহনে করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। লোকাল পরিবহনেও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের চিত্র চোখে পড়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, রাজধানীর গুলিস্তান ও যাত্রাবাড়ি থেকে মাদারীপুরের শিবচরসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। যেখানে লোকাল পরিবহনে শিবচরের পাঁচ্চর পর্যন্ত ভাড়া ১৭০ টাকা, সেখানে বর্তমানে যাত্রীদের কাছ থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
শরিফুল ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, ‘যাত্রাবাড়ি থেকে শিবচরের ভাড়া ১৭০ টাকা। আজ ৪০০ টাকা দিয়ে লোকাল গাড়িতে এসেছি। কোনো কোনো গাড়ি ৫০০ ও ৬০০ করেও নিচ্ছে। কোনোকিছু বলার নেই।’
মাসুদ মোল্লা নামে আরেকজন বলেন, ‘ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়িতে যাচ্ছি। তবে তিনগুণ ভাড়া বেশি যাচ্ছে। ভাড়া কম বললে গাড়িতে উঠায় না।কী আর করব, বাড়িতে তো আসতেই হবে।’
এ বিষয়ে শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম জানান, ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে হাইওয়ে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণেও কাজ করছে পুলিশ।

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামায় বেড়েছে যানবাহনের চাপ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সড়কটির বিভিন্ন অংশে যানবাহনের বাড়তি উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাপও বাড়ছে।
সরেজমিনে সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, দক্ষিণাঞ্চলগামী লেনে দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
প্রায় সব পরিবহনেই যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে মিনি ট্রাকসহ বিকল্প যানবাহনে করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। লোকাল পরিবহনেও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের চিত্র চোখে পড়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, রাজধানীর গুলিস্তান ও যাত্রাবাড়ি থেকে মাদারীপুরের শিবচরসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। যেখানে লোকাল পরিবহনে শিবচরের পাঁচ্চর পর্যন্ত ভাড়া ১৭০ টাকা, সেখানে বর্তমানে যাত্রীদের কাছ থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।
শরিফুল ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, ‘যাত্রাবাড়ি থেকে শিবচরের ভাড়া ১৭০ টাকা। আজ ৪০০ টাকা দিয়ে লোকাল গাড়িতে এসেছি। কোনো কোনো গাড়ি ৫০০ ও ৬০০ করেও নিচ্ছে। কোনোকিছু বলার নেই।’
মাসুদ মোল্লা নামে আরেকজন বলেন, ‘ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়িতে যাচ্ছি। তবে তিনগুণ ভাড়া বেশি যাচ্ছে। ভাড়া কম বললে গাড়িতে উঠায় না।কী আর করব, বাড়িতে তো আসতেই হবে।’
এ বিষয়ে শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম জানান, ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে হাইওয়ে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণেও কাজ করছে পুলিশ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
১ দিন আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
২ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
২ দিন আগে