
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিহার করে গঠনমূলক রাজনীতিতে মনোনিবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শে নিজের রাজনৈতিক দর্শনে এই ইতিবাচক পরিবর্তন আনার কথা জানান তিনি।
বুধবার (১৮ মার্চ) ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই নেতা নিজের ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং আগামীতে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথচলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বস্থানীয়দের নিয়ে রাজনৈতিক দল এনসিপি যাত্রা শুরু করলে তাতে মুখ্য সমন্বয়ক পদ পান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে দলটি অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে দেশব্যাপী জুলাই পদযাত্রা করে। ওই সময়ই বিভিন্ন জেলার পথসভায় প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও আক্রমণাত্মকমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন নাসীর। বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে হেরে যান তিনি। তবে নির্বাচনি প্রচারের পুরোটা সময় জুড়ে মির্জা আব্বাসকে বারবার বাক্যবাণে জর্জরিত করেন তিনি। চাঁদাবাজ, দেশের এক নাম্বার ক্রিমিনাল, গডফাদার, মাফিয়া— এমন নানা অভিধায় তিনি মির্জা আব্বাসকে অভিহিত করেন।
এমন একজন ‘ক্রিমিনাল’কে দলে স্থান দেওয়ায় বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানেরও ব্যাপক সমালোচনা করেন নাসীর। নির্বাচনি প্রচারের সময় ঢাকার শান্তিনগরে অবস্থিত হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে পিঠা উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে তিনি ‘ডিম হামলা’র শিকার হলে তার জন্যও সরাসরি তারেক রহমান ও মির্জা আব্বাসকে দায়ী করেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এসব বক্তব্য ভোটের প্রচারে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। নেটিজেনদের অভিমত, ৩০০ আসনের নির্বাচনে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি আলোচিত ছিল মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঢাকা-৮, যার কারণও নাসীরের বিভিন্ন সময় দেওয়া আক্রমণাত্মক বক্তব্য।
এ ধরনের আক্রমণাত্মক বক্তব্য পরিহার করার কথা জানিয়ে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী লিখেছেন, গত কয়েকদিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি— ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া। আমি বিনয়ের সঙ্গে পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি।
নিচের আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়ে এনসিপির এই নেতা লিখেছেন, আমি আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই। আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথচলার শক্তি।
এনসিপির এই নেতা জানান, মঙ্গলবার ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে আত্মিক যাত্রার এক নীরব সূচনা করেছেন তিনি। বলেন, ‘আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’

ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিহার করে গঠনমূলক রাজনীতিতে মনোনিবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শে নিজের রাজনৈতিক দর্শনে এই ইতিবাচক পরিবর্তন আনার কথা জানান তিনি।
বুধবার (১৮ মার্চ) ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই নেতা নিজের ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং আগামীতে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথচলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বস্থানীয়দের নিয়ে রাজনৈতিক দল এনসিপি যাত্রা শুরু করলে তাতে মুখ্য সমন্বয়ক পদ পান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে দলটি অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে দেশব্যাপী জুলাই পদযাত্রা করে। ওই সময়ই বিভিন্ন জেলার পথসভায় প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও আক্রমণাত্মকমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন নাসীর। বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে হেরে যান তিনি। তবে নির্বাচনি প্রচারের পুরোটা সময় জুড়ে মির্জা আব্বাসকে বারবার বাক্যবাণে জর্জরিত করেন তিনি। চাঁদাবাজ, দেশের এক নাম্বার ক্রিমিনাল, গডফাদার, মাফিয়া— এমন নানা অভিধায় তিনি মির্জা আব্বাসকে অভিহিত করেন।
এমন একজন ‘ক্রিমিনাল’কে দলে স্থান দেওয়ায় বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানেরও ব্যাপক সমালোচনা করেন নাসীর। নির্বাচনি প্রচারের সময় ঢাকার শান্তিনগরে অবস্থিত হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে পিঠা উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে তিনি ‘ডিম হামলা’র শিকার হলে তার জন্যও সরাসরি তারেক রহমান ও মির্জা আব্বাসকে দায়ী করেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এসব বক্তব্য ভোটের প্রচারে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। নেটিজেনদের অভিমত, ৩০০ আসনের নির্বাচনে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি আলোচিত ছিল মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঢাকা-৮, যার কারণও নাসীরের বিভিন্ন সময় দেওয়া আক্রমণাত্মক বক্তব্য।
এ ধরনের আক্রমণাত্মক বক্তব্য পরিহার করার কথা জানিয়ে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী লিখেছেন, গত কয়েকদিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি— ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া। আমি বিনয়ের সঙ্গে পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি।
নিচের আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়ে এনসিপির এই নেতা লিখেছেন, আমি আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই। আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ আমার পথচলার শক্তি।
এনসিপির এই নেতা জানান, মঙ্গলবার ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে আত্মিক যাত্রার এক নীরব সূচনা করেছেন তিনি। বলেন, ‘আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গত ১৫ আগস্ট সংগঠনের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের সঞ্চালনায় কেন্দ্রীয় কমিটির এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কেন্দ্রীয় ও দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১ দিন আগে
বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করছি। হরতাল, ভাঙচুর বা জ্বালাও-পোড়াওয়ের পথে না গিয়ে সংসদ ও সংসদের বাইরে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে সরকারকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
২ দিন আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্য হলেন— রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাইল জবিহ উল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের সময় দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
বিশ্লেষকরা বলছেন, কিছু কিছু খাতে সরকারের নানা উদ্যোগে সাফল্য মিললেও এখনো বহু পথ হাঁটার বাকি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন সিদ্দিকী যেমন রেমিট্যান্সের প্রভাবে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়া ও মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকারকে সা
৩ দিন আগে