না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন

বিনোদন ডেস্ক

মঞ্চ নাটক থেকে শুরু করে ছোটপর্দা ও বড়পর্দার জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী শামস সুমন মারা গেছেন। ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শামস সুমনকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শামস সুমন রেডিও ভূমির স্টেশনপ্রধান ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের পরিচালক ছিলেন। চ্যানেল আইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিটে মারা যান।

শামস সুমন লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

চ্যানেল আইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল ১০টায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে শামস সুমনের জানাজা হবে। সেখান থেকে তাকে নেওয়া হবে রাজশাহীতে তার পৈতৃক বাড়িতে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

শামস সুমনের অভিনয় শুরু মঞ্চ থেকে। পরে টেলিভিশন ও সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। সুঅভিনেতা হিসেবে পরিচিত সুমন পর্দার পেছনে দায়িত্ব নেওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন।

শামস সুমন অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘জয়যাত্রা (২০০৪)’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা (২০০৬)’, ‘নমুনা (২০০৮)’, ‘হ্যালো অমিত (২০১২)’, ‘আয়না কাহিনী (২০১৩)’, ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া (২০১৬)’।

ad
ad

সাত-পাঁচ থেকে আরও পড়ুন

অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন মারা গেছেন

পোস্টে শোক প্রকাশ করে সংগঠনটি জানিয়েছে, অভিনয় শিল্পীসংঘ বাংলাদেশের সদস্য ও আমাদের প্রিয় সহকর্মী তারিকুজ্জামান তপন আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

৯ দিন আগে

বিদায় ১৪৩২, স্বাগতম ১৪৩৩: আশায় বসতি

গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।

১৯ দিন আগে

বাংলা নববর্ষ: ঐতিহ্য ও ইতিহাসের অংশ

সম্রাট আকবরের সময়কাল থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন শুরু হয়। বৈশাখ মাসকে বছরের প্রথম মাস ধরা হয়, কারণ ৯৬৩ হিজরি বছরের মহরম মাস বৈশাখ মাসের সঙ্গে মিলেছিল। সেই হিজরি ও সৌর সনের সংমিশ্রণে তৈরি ‘ফসলি সন’ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলার সংস্কৃতি ও কৃষির সঙ্গে মিশে ‘বঙ্গাব্দ’ বা বাংলা সন নামে পরিচিতি

২০ দিন আগে

সুরের ভুবনে নক্ষত্র পতন, চিরবিদায় নিলেন কিংবদন্তি আশা ভোসলে

দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে আশা ভোসলে ভারতের বিভিন্ন ভাষায় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য রেকর্ড করেছেন অসংখ্য কালজয়ী গান। তার অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাকে ২০০৮ সালে 'পদ্মভূষণ' এবং এর আগে চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান 'দাদাসাহেব ফালকে' পুরস্কারে ভূষিত করে।

২১ দিন আগে