
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভ্রমণসাহিত্যের কাগজ ‘ভ্রমণগদ্য’-এর সর্বশেষ সংখ্যার প্রকাশনা উপলক্ষে আড্ডা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে ‘ভ্রমণগদ্য সুহৃদসভা’। গত শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে ক্লাব এইটটিন নাইনে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
নিসর্গপ্রেমী ও বিশ্বপরিব্রাজক ইনাম আল হকের সভাপতিত্বে এবং ভ্রমণগদ্য সম্পাদক মাহমুদ হাফিজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ভ্রমণসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও পর্বতারোহীরা অংশগ্রহণ করেন। আড্ডার শুরুতে চলতি সংখ্যার লেখকদের সম্মানী ও সৌজন্য সংখ্যা প্রদান করা হয়।
দুই ঘণ্টার নিবিড় আলোচনায় বক্তারা দেশে ভ্রমণসাহিত্যের মানোন্নয়ন, নতুন লেখক তৈরি এবং পাঠক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে ‘ভ্রমণগদ্য সাহিত্য পুরস্কার’ প্রবর্তন এবং লেখক কর্মশালা আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ইনাম আল হক বলেন, “ভ্রমণগদ্য প্রায় এক দশক ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্যের এই ধারাটিতে কাজ করে যাচ্ছে। সুহৃদসভার পক্ষ থেকে আমরা লেখক ও পাঠক তৈরিতে প্রয়োজনীয় কর্মশালাসহ সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”
বিশিষ্ট লেখক শাকুর মজিদ একটি শিক্ষামূলক ভ্রমণ কর্মসূচির প্রস্তাব করেন। এছাড়া ইফতেখারুল ইসলাম সুহৃদসভার নিজস্ব তহবিল গঠনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং জালাল আহমেদ তার এভারেস্ট বেজক্যাম্প আরোহণের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান, ফরিদুর রহমান, কামরুল হাসান, এভারেস্টজয়ী ইকরামুল হাসান শাকিলসহ আরও অনেকে। এসময় বেশ কয়েকজন লেখক তাদের সদ্য প্রকাশিত বইয়ের পরিচিতি তুলে ধরেন। সবশেষে ইফতারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

ভ্রমণসাহিত্যের কাগজ ‘ভ্রমণগদ্য’-এর সর্বশেষ সংখ্যার প্রকাশনা উপলক্ষে আড্ডা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে ‘ভ্রমণগদ্য সুহৃদসভা’। গত শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে ক্লাব এইটটিন নাইনে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
নিসর্গপ্রেমী ও বিশ্বপরিব্রাজক ইনাম আল হকের সভাপতিত্বে এবং ভ্রমণগদ্য সম্পাদক মাহমুদ হাফিজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ভ্রমণসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও পর্বতারোহীরা অংশগ্রহণ করেন। আড্ডার শুরুতে চলতি সংখ্যার লেখকদের সম্মানী ও সৌজন্য সংখ্যা প্রদান করা হয়।
দুই ঘণ্টার নিবিড় আলোচনায় বক্তারা দেশে ভ্রমণসাহিত্যের মানোন্নয়ন, নতুন লেখক তৈরি এবং পাঠক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে ‘ভ্রমণগদ্য সাহিত্য পুরস্কার’ প্রবর্তন এবং লেখক কর্মশালা আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ইনাম আল হক বলেন, “ভ্রমণগদ্য প্রায় এক দশক ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্যের এই ধারাটিতে কাজ করে যাচ্ছে। সুহৃদসভার পক্ষ থেকে আমরা লেখক ও পাঠক তৈরিতে প্রয়োজনীয় কর্মশালাসহ সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।”
বিশিষ্ট লেখক শাকুর মজিদ একটি শিক্ষামূলক ভ্রমণ কর্মসূচির প্রস্তাব করেন। এছাড়া ইফতেখারুল ইসলাম সুহৃদসভার নিজস্ব তহবিল গঠনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং জালাল আহমেদ তার এভারেস্ট বেজক্যাম্প আরোহণের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান, ফরিদুর রহমান, কামরুল হাসান, এভারেস্টজয়ী ইকরামুল হাসান শাকিলসহ আরও অনেকে। এসময় বেশ কয়েকজন লেখক তাদের সদ্য প্রকাশিত বইয়ের পরিচিতি তুলে ধরেন। সবশেষে ইফতারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

গতকালের ভাষণে বঙ্গবন্ধু অধিবেশনে যোগ দিতে যে পূর্বশর্ত দিয়েছেন, পাকিস্তান সরকারের পক্ষে তা মানা সম্ভব হবে না। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে সামরিক প্রেসিডেন্টকে মূলত উপেক্ষা করেছেন। এ কারণেই হয়তো মার্কিন গোপন দলিলে বলা হয়েছে, ৭ মার্চের শেখ মুজিবের ভাষণ স্বাধীনতা ঘোষণার তুল্য।
৭ দিন আগে
একটি বিষয় এখানে গুরুত্ব পেতে পারে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আলোকচিত্র এবং অডিও-ভিডিও ধারণ করে দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান— চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) ও বাংলাদেশ বেতার। দুটি প্রতিষ্ঠানই এ কাজ করেছে সরকারের কোনো অনুমতি ছাড়াই। সেটি না করলে পরবর্তী কোনো প্রজন্ই আর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভ
৮ দিন আগে
গল্পটি নিয়ে পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল বলেন, ‘এই টেলিছবির মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগ্রামের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। যে হাসির পেছনে লুকিয়ে থাকে নানা অজানা গল্প। আশা করছি, প্রবাস জীবনের নিঃসঙ্গতা ও মুখোশের নিচে লুকানো বেদনা নিয়ে নির্মিত টেলিছবিটি দর্শকদের পছন্দ হবে।’
৯ দিন আগে
১ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদে ঢাকায় ২ ও ৩ মার্চ দুই দিনের সর্বাত্মক হরতালের ডাক দেন। তিনি ঘোষণা দেন, ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আন্দোলনের পরবর্
৯ দিন আগে