
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পুরস্কার মৌসুমের সবকটি বড় আসর জয়ের পর এবার অস্কারের মঞ্চেও বাজিমাত করলেন জেসি বাকলি। ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত ‘হ্যামনেট’ সিনেমায় কালজয়ী নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্ত্রী ‘অ্যাগনেস’-এর চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তিনি। এই অর্জনের মাধ্যমে অস্কারের ইতিহাসে প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী হিসেবে এই বিভাগে পুরস্কার জেতার অনন্য রেকর্ড গড়লেন এই তারকা।
ম্যাগি ও’ফারেল-এর জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় জেসির কাজ সমালোচকদের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বিশেষ করে সন্তানের অকাল মৃত্যু এবং সেই গভীর শোককে পর্দায় জীবন্ত করে তোলার মুনশিয়ানাই তাকে এবারের আসরে এমা স্টোন ও কেট হাডসনদের মতো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে সেরা হওয়ার গৌরব এনে দিয়েছে।
২০০৮ সালে একটি ট্যালেন্ট শো থেকে শুরু হওয়া জেসির এই দীর্ঘ পথচলা এখন অস্কার জয়ের মাধ্যমে পূর্ণতা পেল।
সমালোচকদের মতে, সন্তানের মৃত্যুর শোক কীভাবে শেক্সপিয়ারের কালজয়ী নাটক ‘হ্যামলেট’-এর উৎস হতে পারে, তা বাকলির অভিনয়ের মাধ্যমে সার্থকভাবে ফুটে উঠেছে।
আইরিশ এই অভিনেত্রীর আজকের এই রাজকীয় পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে। বিবিসি ওয়ানের একটি ট্যালেন্ট শো ‘আই’ড ডু অ্যানিথিং’-এ রানার-আপ হওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই জেসি বাকলি তার লক্ষ্য ও প্রতিভা দিয়ে নিজের ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি সবসময়ই অভিনয়ের প্রতি তার তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং লড়াই করার মানসিকতার কথা প্রকাশ করেছেন।
এবারের আসরে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন তালিকায় জেসি বাকলির সঙ্গে লড়াইয়ে ছিলেন এমা স্টোন (বুগোনিয়া), কেট হাডসন (সং সাং ব্লু), রোজ বার্ন (ইফ আই হ্যাড লেগস আইড কিক ইউ) এবং রেনেট রিন্সভ (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু)। তবে অভিনয় শৈলী আর পুরস্কার মৌসুমের টানা সাফল্যের ধারাবাহিকতায় শেষ হাসি হাসলেন জেসি বাকলিই।

পুরস্কার মৌসুমের সবকটি বড় আসর জয়ের পর এবার অস্কারের মঞ্চেও বাজিমাত করলেন জেসি বাকলি। ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত ‘হ্যামনেট’ সিনেমায় কালজয়ী নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্ত্রী ‘অ্যাগনেস’-এর চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তিনি। এই অর্জনের মাধ্যমে অস্কারের ইতিহাসে প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী হিসেবে এই বিভাগে পুরস্কার জেতার অনন্য রেকর্ড গড়লেন এই তারকা।
ম্যাগি ও’ফারেল-এর জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় জেসির কাজ সমালোচকদের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বিশেষ করে সন্তানের অকাল মৃত্যু এবং সেই গভীর শোককে পর্দায় জীবন্ত করে তোলার মুনশিয়ানাই তাকে এবারের আসরে এমা স্টোন ও কেট হাডসনদের মতো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে সেরা হওয়ার গৌরব এনে দিয়েছে।
২০০৮ সালে একটি ট্যালেন্ট শো থেকে শুরু হওয়া জেসির এই দীর্ঘ পথচলা এখন অস্কার জয়ের মাধ্যমে পূর্ণতা পেল।
সমালোচকদের মতে, সন্তানের মৃত্যুর শোক কীভাবে শেক্সপিয়ারের কালজয়ী নাটক ‘হ্যামলেট’-এর উৎস হতে পারে, তা বাকলির অভিনয়ের মাধ্যমে সার্থকভাবে ফুটে উঠেছে।
আইরিশ এই অভিনেত্রীর আজকের এই রাজকীয় পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে। বিবিসি ওয়ানের একটি ট্যালেন্ট শো ‘আই’ড ডু অ্যানিথিং’-এ রানার-আপ হওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই জেসি বাকলি তার লক্ষ্য ও প্রতিভা দিয়ে নিজের ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি সবসময়ই অভিনয়ের প্রতি তার তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং লড়াই করার মানসিকতার কথা প্রকাশ করেছেন।
এবারের আসরে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন তালিকায় জেসি বাকলির সঙ্গে লড়াইয়ে ছিলেন এমা স্টোন (বুগোনিয়া), কেট হাডসন (সং সাং ব্লু), রোজ বার্ন (ইফ আই হ্যাড লেগস আইড কিক ইউ) এবং রেনেট রিন্সভ (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু)। তবে অভিনয় শৈলী আর পুরস্কার মৌসুমের টানা সাফল্যের ধারাবাহিকতায় শেষ হাসি হাসলেন জেসি বাকলিই।

গ্রামবাংলার নিসর্গে চৈত্র সংক্রান্তির আবহ যেন আরও গভীর ও প্রাণবন্ত। পুরনো বছরের যাবতীয় দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতিতে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ। ব্যবসায়িক জীবনে পুরনো হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে নতুন করে ‘হালখাতা’ খোলার যে প্রথা, তা যেন নতুন সূচনারই এক প্রতীকী ভাষ্য।
১৭ দিন আগে
সম্রাট আকবরের সময়কাল থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন শুরু হয়। বৈশাখ মাসকে বছরের প্রথম মাস ধরা হয়, কারণ ৯৬৩ হিজরি বছরের মহরম মাস বৈশাখ মাসের সঙ্গে মিলেছিল। সেই হিজরি ও সৌর সনের সংমিশ্রণে তৈরি ‘ফসলি সন’ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলার সংস্কৃতি ও কৃষির সঙ্গে মিশে ‘বঙ্গাব্দ’ বা বাংলা সন নামে পরিচিতি
১৮ দিন আগে
দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে আশা ভোসলে ভারতের বিভিন্ন ভাষায় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য রেকর্ড করেছেন অসংখ্য কালজয়ী গান। তার অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাকে ২০০৮ সালে 'পদ্মভূষণ' এবং এর আগে চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান 'দাদাসাহেব ফালকে' পুরস্কারে ভূষিত করে।
১৯ দিন আগে
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১৩ লাখ টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সমালোচিত সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
০৫ এপ্রিল ২০২৬