গুপ্ত সাম্রাজ্যের শক্তি ষষ্ঠ শতকের শুরুতে এসে কিছুটা কমতে শুরু করে। সম্রাট স্কন্দগুপ্ত (প্রায় ৪৫৫–৪৬৭ খ্রিস্টাব্দ) তাঁর শাসনামলে প্রথম হূণ আক্রমণ প্রতিহত করেন। এই হূণরা ছিল মধ্য এশিয়ার যাযাবর জাতি, যারা উত্তর-পশ্চিম ভারতের দিকে ধেয়ে আসে। প্রথম যুদ্ধে স্কন্দগুপ্ত বিজয়ী হলেও এ লড়াই সাম্রাজ্যের আর্থিক
প্রাচীন যুদ্ধের ইতিহাসে ব্যাটল অব থার্মোপিলাই বা থার্মোপিলাইয়ের যুদ্ধ আত্মত্যাগ আর দেশপ্রেমের প্রতীক হয়ে আছে হাজার বছর ধরে। খ্রিস্টপূর্ব ৪৮০ সালে এই যুদ্ধ হয়েছিল গ্রিসের সংকীর্ণ এক পর্বতপথে, থার্মোপিলাই নামের জায়গায়।
হাত ও পায়ের পাতা জ্বলা অনেকের কাছেই এক অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা। অনেকে একে গুরুত্ব দেন না, আবার কেউ কেউ এটিকে কোনো গুরুতর অসুখের লক্ষণ হিসেবে ভাবেন। আসলে এই সমস্যার পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে—শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি, স্নায়ুর রোগ, ডায়াবেটিস, হরমোনের সমস্যা, এমনকি দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে বা হাঁটার কারণেও এই অনুভূত
পূর্ণিমার আলোতে আমার হাতের রেখাগুলো শুকনো নদীর তলদেশের মতো ফেটে গেছে।
মহেন্দ্রবর্তী যুদ্ধের পটভূমি বুঝতে গেলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে যে, চণ্ড্রগুপ্ত মৌর্যের সময় ভারত ছিল বহু ছোট ছোট রাজ্য ও অঞ্চল দ্বারা বিভক্ত। প্রতিটি রাজ্য ছিল স্বাধীন এবং নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী চলত। চণ্ড্রগুপ্ত মৌর্যের স্বপ্ন ছিল ভারতের বৃহত্তর অংশে একক শাসন প্রতিষ্ঠা করা। তার সামরিক দক্ষতা ও কূটন
তবে সেই ব্যক্তির নাম বা কোন পরিচয় প্রকাশ করেননি জয়া। শুধু এটুকু জানিয়েছেন যে, তার সেই বিশেষ মানুষ শোবিজ অঙ্গনের নন। এমনকি তারা দু’জন বহু বছর ধরে একসঙ্গে আছেন বলেও জানান এ অভিনেত্রী।
কলিঙ্গ ছিল প্রাচীন ভারতের পূর্ব উপকূলবর্তী একটি সমৃদ্ধ, স্বাধীন রাজ্য—বর্তমান ওড়িশা ও দক্ষিণ-পূর্ব আন্দ্রপ্রদেশে। এর মানুষের সাংস্কৃতিক রুচি, সামুদ্রিক বাণিজ্য, শক্তিশালী নৌদল—সকল কিছুই ছিল আত্মনির্ভর, যা মুর্য সিংহাসনে নতুন দ্বারপ্রান্তে বসা অশোককে উদ্বিগ্ন করেছিল।
শায়েস্তা খাঁ ছিলেন সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা এবং এক দক্ষ প্রশাসক। তিনি ক্ষমতায় আসার পরই অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন এবং বাংলার বাণিজ্য ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নানাবিধ উদ্যোগ নেন। নদীপথের দস্যু দমন, স্থানীয় জমিদারদের নিয়ন্ত্রণ এবং বিদেশি ব্যবসায়ীদের সাথে সুচিন্তিত বাণিজ্য চুক্তি—এসবই তাঁর শাসনকে
এই গ্রন্থটি এটি সপ্তম শতকের ভারতবর্ষের একটি জীবন্ত দলিল। প্রায় ১৭ বছর ধরে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে, নিজ চোখে দেখা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে হিউয়েন সাং এই গ্রন্থ রচনা করেন।
শশাঙ্ক ছিলেন প্রাচীন বঙ্গের গৌড় রাজ্যের এক শক্তিশালী রাজা। তিনি প্রথম স্বাধীন গৌড় শাসক হিসেবে পরিচিত যিনি নিজের সাম্রাজ্যকে শুধু বাংলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি, বরং অঙ্গ, মগধ, উত্তর বিহার ও বর্তমান উড়িষ্যার কিছু অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন। তাঁর সময়েই গৌড় প্রথম একটি বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ
এদিকে তৃণমূলের অন্দরমহলে এ নিয়ে মতভেদ থাকলেও নেতাদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে শ্রাবন্তীর প্রতি সমর্থন জানাতে শুরু করেছেন। কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেছেন, আমি ওর ফ্যান। যদিও সিনেমা দেখার সুযোগ হয়নি। তবে বিজ্ঞাপন দেখেই মুগ্ধ। বিধানসভায় এমন প্রাণবন্ত লোক দরকার।
সে বছরই ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হয়েছেন কালিয়াকৈরের শেওড়াতলি গ্রামের দরিদ্র-মেধাবী শিক্ষার্থী মেঘনাদ সাহা। পরে যিনি বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে দুনিয়াজুড়ে নাম করেছিলেন। ভালোই চলছিল, হঠাৎ একদিন খবর এলো, শিগগির স্কুল পরিদর্শনে আসবেন পূর্ব বাংলার গভর্নর বামফিল্ড ফুলার।
এরপর ক্ষমতায় আসেন জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১৯৭৭ সালের ৩০ মে তিনি একটি একটি গণভোট আয়োজন করেন। ‘হ্যাঁ ও না ভোট’ ছিল সেটা । এই ভোটের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে। পরে ১৯৭৯ সালে ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি ২০৭ আসনে জয়লাভ ক
এই যুদ্ধের শেষে মোগল বাহিনী চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারেনি। যদিও সাময়িক সময়ের জন্য কিছু ভূখণ্ড মোগলদের হাতে গিয়েছিল, ইশা খাঁ নিজের প্রভাব খাটিয়ে আবারো ভাটির অঞ্চল পুনর্দখল করেন এবং কার্যত স্বাধীন শাসন বজায় রাখেন। তাঁর মৃত্যুর আগপর্যন্ত মোগল শাসকরা এই অঞ্চলে পূর্ণ কর্তৃত্ব স্থাপন করতে পারেনি।
ব্রিটিশ শাসনামলে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের অংশগ্রহণ ছিল প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সক্রিয়তা। ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জনের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা বিভাজনের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ঢেউ ওঠে। তখন কলকাতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রথম লাইনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়। এরাই পরবর্তীতে স্বদেশি আন্দোলনে
বারো ভূঁইয়ারা ছিলেন এক ধরনের আঞ্চলিক ক্ষমতাবান জমিদার বা সামন্তশাসক, যারা মূলত বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে, বিশেষ করে ঢাকার উত্তর, বিক্রমপুর, সোনারগাঁ, বাঘরাম, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলে শক্তিশালী প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নামটি হলো ঈশা খাঁ।