নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমি আজ মিডিয়ার সামনে বলে গেলাম, বাংলাদেশে যদি ক্রিমিনাল র্যাংকিং করা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অন্যতম গডফাদার ও ক্রিমিনাল নম্বর ওয়ান মির্জা আব্বাস। আজ আমি বেঁচে আছি, বলে গেলাম। মরার পরে আপনারা প্রমাণ পাবেন, বাংলাদেশের এক নম্বর ক্রিমিনাল মির্জা আব্বাস।’
এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করেছেন, এ হামলা ঘটেছে মির্জা আব্বাসের নির্দেশে, যিনি ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী তথা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতিদ্বন্দ্বী। নাহিদের অভিযোগ, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্মতি রয়েছে এ হামলায়। আর দলীয় এমন সম্মতি ও নির্দেশে ‘ছাত্রদলের চিহ্নিত সন্ত্রাসী-ক্যাডাররা পরিকল্পনা করে
সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করে বলেন, শান্তিপূর্ণ প্রচারণা চালাতে গিয়ে হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে পৌঁছানোর পর তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতিতেই আমাদের কর্মীদের কিল, ঘুষি ও লাথি মারা হয়েছে। আমাদের নারী সদস্যদের ওপর বরফ নিক্ষেপ করা হয়েছে, এতে একজন আহত হয়ে মাথায় চারটি সেলাই নি
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে ভোট চুরি ও ভোটকেন্দ্র দখলের যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে। জুলাই আন্দোলনে যারা রাজপথে নেমেছিল, তারাই এবার ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কলেজে প্রবেশ করলে একদল ব্যক্তি ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে তাঁকে ঘিরে ধরেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি তাঁর কর্মীদের সঙ্গে কলেজ ভবনের একটি বারান্দায় অবস্থান নেন। এ সময় তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম নিক্ষেপ করা হয়। পাল্
এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকের এই হামলা (ঢাকা-১৮ আসনে) মূলত কেন্দ্র দখলের একটি ‘প্র্যাকটিস ম্যাচ’। এই পরিস্থিতি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে খিলক্ষেত থানার ডুমনি নূরপাড়া এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে এ হামলার শিকার হন তিনি।
ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যাকেই ভোট দিন বিবেচনা করে দিবেন। কারণ এবারের ভোট বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
অনুষ্ঠানে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘যেখানে আমাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা, সেখান থেকেই আমরা থিম সং উদ্বোধন করতে চেয়েছি। কোনো ফাইভ স্টার হোটেলে গিয়ে এই আয়োজন করিনি। আমরা চাই, আমাদের প্রতিটি আয়োজনে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকুক। সে লক্ষ্যেই সাদামাটা পরিবেশে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছে, যাতে সবাই স
আমার এলাকাবাসী, আপনাদেরকে একটা কথা বিশেষভাবে বলতে চাই। আমি কোনো পেশাদার রাজনীতিবিদ নই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করার ও দেশ গড়ার একটা সুযোগ এসেছে তাই রাজনীতিতে এসেছি। আমার এই ইশতেহার কোনো গতানুগতিক 'ফাঁকা বুলি' নয়। এটি আপনাদের সাথে আমার চুক্তি। আমি যা লিখেছি, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করব
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল অবলম্বন করে একটি দল নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ১০ দলীয় জোট মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
‘শাপলা কলি’ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে আগামীকাল রোববার থেকে সারা দেশে ১২ দিনব্যাপী নির্বাচনী পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, গত ১৭ বছর আমাদের টুটি চেপে ধরা হয়েছিল, যারা ভিন্নমত পোষণ করত তাদের সামনে থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হতো, বাংলাদেশ একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছিল, গুম করা হতো, আয়না ঘরে নেওয়া হতো, ক্রসফায়ারে দেওয়া হতো, ভিন্ন মত ও চিন্তার মানুষগুলোকে বলা হতো পিন্ডি বা দিল্লি চলে যেতে। এ
তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত বিজয় ছিনিয়ে আনা হবে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।’
ভোটের প্রচারের মাঠে নামতেই দেখা গেল, এত সব প্রতিশ্রুতি, ইতিবাচক বার্তা যেন নিছক কথার কথা। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)— তিন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কণ্ঠেই উঠে এলো প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার বার্তা।
‘২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে না তো? তাহলে ঘুষ-চাঁদাবাজি, সেটা যদি আমরা নির্মূল না করতে পারি— এই সকল সুযোগ সুবিধা কি জনগণের কাছে পর্যন্ত পৌঁছাবে?’— বলেন এনসিপির এই নেতা।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ইনশাল্লাহ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার এগিয়ে নিতে এই ঐক্যের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই।