
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করে এনেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নির্বাচনি জোট। সংবাদ সম্মেলন করে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জোটের আটটি দলের জন্য ২৫৩টি আসনে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি ৪৭টি আসন এখনো কোনো দলের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি।
অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসন সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাদে বাকি সব দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, আসন সমঝোতার ঘোষণা দেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসন, খেলাফত মজলিস ১০টি আসন, এলডিপি সাতটি আসন, এবি পার্টি তিনটি আসন এবং নেজামে ইসলাম ও বিডিপি দুটি আসন পেয়েছে সমঝোতায়।
৩০০ আসনের মধ্যে জোটের পক্ষ থেকে আসন সমঝোতায় এখনো প্রার্থী দেওয়া হয়নি ৪৭ আসনে। তবে জোটে তিনটি দলও বাকি আছে, যারা কোনো আসন পায়নি। দলগুলো হলো— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)।
জানা গেছে, এই তিন দলের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের আসনের চাহিদা ও বণ্টন নিয়ে সমস্যা হওয়ার কারণেই চূড়ান্ত ঘোষণা বিলম্বে হয়েছে। এখন পর্যন্ত দলটির জোটে থাকার বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়নি। জোটে থাকলে ৪৭ আসনের বেশির ভাগই তাদের দেওয়া হতে পারে। এমনকি জাগপার প্রার্থীরা নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তেমন হলে ইসলামী আন্দোলন ৪৭টি আসনের সবগুলোও পেতে পারে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য কতগুলো আসন ছাড় দেওয়া হয়েছে, তা সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে কেউ অংশও নেয়নি। বরং নির্বাচন ও আসন সমঝোতা নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করে এনেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নির্বাচনি জোট। সংবাদ সম্মেলন করে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জোটের আটটি দলের জন্য ২৫৩টি আসনে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি ৪৭টি আসন এখনো কোনো দলের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি।
অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসন সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাদে বাকি সব দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, আসন সমঝোতার ঘোষণা দেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসন, খেলাফত মজলিস ১০টি আসন, এলডিপি সাতটি আসন, এবি পার্টি তিনটি আসন এবং নেজামে ইসলাম ও বিডিপি দুটি আসন পেয়েছে সমঝোতায়।
৩০০ আসনের মধ্যে জোটের পক্ষ থেকে আসন সমঝোতায় এখনো প্রার্থী দেওয়া হয়নি ৪৭ আসনে। তবে জোটে তিনটি দলও বাকি আছে, যারা কোনো আসন পায়নি। দলগুলো হলো— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)।
জানা গেছে, এই তিন দলের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের আসনের চাহিদা ও বণ্টন নিয়ে সমস্যা হওয়ার কারণেই চূড়ান্ত ঘোষণা বিলম্বে হয়েছে। এখন পর্যন্ত দলটির জোটে থাকার বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়নি। জোটে থাকলে ৪৭ আসনের বেশির ভাগই তাদের দেওয়া হতে পারে। এমনকি জাগপার প্রার্থীরা নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তেমন হলে ইসলামী আন্দোলন ৪৭টি আসনের সবগুলোও পেতে পারে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য কতগুলো আসন ছাড় দেওয়া হয়েছে, তা সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে কেউ অংশও নেয়নি। বরং নির্বাচন ও আসন সমঝোতা নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে থাকা ৫০টির বেশি ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি মেটা অপসারণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
৩ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত বছরের জুনে প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে গেলে সেখানে তার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত বিএনপি গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
মামুনুল হক বলেন, ১০টি দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতের সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের প্রত্যাশা একসঙ্গেই এগিয়ে যেতে পারবো। ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করতে পারবো এই আশা করছি।
৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন, প্রেরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বাংলাদেশে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি প্রথম উদ্যোগ। ফলে কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে। তবে যেসব অনিয়মের
৮ ঘণ্টা আগে