
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানে যারা নিয়েছে তাদের অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদি ভাই এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদী ও তাহরিমা সুরভীর ঘটনাগুলো দেখলে বোঝা যায়— রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে শুরু করে কনভেনশনাল পলিটিক্যাল পার্টিগুলো জুলাইযোদ্ধাদের কীভাবে দেখছে। জুলাইয়ে যারা অংশ নিয়েছে, রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব পোষণ করে। জুলাই অভ্যুত্থানে যারা অংশ নিয়েছে তাদের অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে যুক্ত হয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, ভারতবিরোধী পোস্টের কারণে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে তিনি এই পেজ ব্যবহার করছেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। সরকারের দায়িত্বশীল কারও কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের অগ্রগতি বোঝা যায় না। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পরও কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেগুলো উদ্বেগজনক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক ইলিয়াসের আইডি সরকার সরিয়ে দিয়েছে। সরকার চেয়েছে, তাই সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু গত দেড় বছরে আওয়ামী লীগ সম্পৃক্ত আইডিগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সরকার চায়নি, তাই নেওয়া হয়নি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে প্রার্থী হয়েছেন এনসিপির এই নেতা। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন তিনি। বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণ উদ্বেগজনক। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। কমিশন ব্যক্তিবিশেষে আচরণ ভিন্ন করছে। আমরা এখন যে পুলিশ ও প্রশাসনকে দেখছি, তা গুলশান থেকে পরিচালিত হচ্ছে। এই পুলিশ ও প্রশাসন কতটা সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা চাই গণতান্ত্রিক পথ উন্মোচিত হওয়ার যে রাস্তা উন্মুক্ত হয়েছে, সেটি প্রসারিত হোক। আমরা সংস্কারের পক্ষে, ভারত বিরোধিতার পক্ষে। এবারের নির্বাচনে দুটি ভাগ হয়েছে। যারা সংস্কারের পক্ষে, আগ্রাসনের বিপক্ষে তাদের সমর্থন দিন। সংস্কার বাস্তবায়নের পক্ষে যারা অবস্থান নেবে আপনারা তাদের পক্ষ নেন।

জুলাই অভ্যুত্থানে যারা নিয়েছে তাদের অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদি ভাই এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদী ও তাহরিমা সুরভীর ঘটনাগুলো দেখলে বোঝা যায়— রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে শুরু করে কনভেনশনাল পলিটিক্যাল পার্টিগুলো জুলাইযোদ্ধাদের কীভাবে দেখছে। জুলাইয়ে যারা অংশ নিয়েছে, রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব পোষণ করে। জুলাই অভ্যুত্থানে যারা অংশ নিয়েছে তাদের অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে যুক্ত হয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, ভারতবিরোধী পোস্টের কারণে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে তিনি এই পেজ ব্যবহার করছেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। সরকারের দায়িত্বশীল কারও কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের অগ্রগতি বোঝা যায় না। ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পরও কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেগুলো উদ্বেগজনক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক ইলিয়াসের আইডি সরকার সরিয়ে দিয়েছে। সরকার চেয়েছে, তাই সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু গত দেড় বছরে আওয়ামী লীগ সম্পৃক্ত আইডিগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সরকার চায়নি, তাই নেওয়া হয়নি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে প্রার্থী হয়েছেন এনসিপির এই নেতা। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন তিনি। বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণ উদ্বেগজনক। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। কমিশন ব্যক্তিবিশেষে আচরণ ভিন্ন করছে। আমরা এখন যে পুলিশ ও প্রশাসনকে দেখছি, তা গুলশান থেকে পরিচালিত হচ্ছে। এই পুলিশ ও প্রশাসন কতটা সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা চাই গণতান্ত্রিক পথ উন্মোচিত হওয়ার যে রাস্তা উন্মুক্ত হয়েছে, সেটি প্রসারিত হোক। আমরা সংস্কারের পক্ষে, ভারত বিরোধিতার পক্ষে। এবারের নির্বাচনে দুটি ভাগ হয়েছে। যারা সংস্কারের পক্ষে, আগ্রাসনের বিপক্ষে তাদের সমর্থন দিন। সংস্কার বাস্তবায়নের পক্ষে যারা অবস্থান নেবে আপনারা তাদের পক্ষ নেন।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে