এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকের এই হামলা (ঢাকা-১৮ আসনে) মূলত কেন্দ্র দখলের একটি ‘প্র্যাকটিস ম্যাচ’। এই পরিস্থিতি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে খিলক্ষেত থানার ডুমনি নূরপাড়া এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে এ হামলার শিকার হন তিনি।
ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যাকেই ভোট দিন বিবেচনা করে দিবেন। কারণ এবারের ভোট বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
অনুষ্ঠানে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘যেখানে আমাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা, সেখান থেকেই আমরা থিম সং উদ্বোধন করতে চেয়েছি। কোনো ফাইভ স্টার হোটেলে গিয়ে এই আয়োজন করিনি। আমরা চাই, আমাদের প্রতিটি আয়োজনে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকুক। সে লক্ষ্যেই সাদামাটা পরিবেশে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছে, যাতে সবাই স
আমার এলাকাবাসী, আপনাদেরকে একটা কথা বিশেষভাবে বলতে চাই। আমি কোনো পেশাদার রাজনীতিবিদ নই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করার ও দেশ গড়ার একটা সুযোগ এসেছে তাই রাজনীতিতে এসেছি। আমার এই ইশতেহার কোনো গতানুগতিক 'ফাঁকা বুলি' নয়। এটি আপনাদের সাথে আমার চুক্তি। আমি যা লিখেছি, তা কীভাবে বাস্তবায়ন করব
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল অবলম্বন করে একটি দল নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ১০ দলীয় জোট মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
‘শাপলা কলি’ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে আগামীকাল রোববার থেকে সারা দেশে ১২ দিনব্যাপী নির্বাচনী পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, গত ১৭ বছর আমাদের টুটি চেপে ধরা হয়েছিল, যারা ভিন্নমত পোষণ করত তাদের সামনে থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হতো, বাংলাদেশ একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছিল, গুম করা হতো, আয়না ঘরে নেওয়া হতো, ক্রসফায়ারে দেওয়া হতো, ভিন্ন মত ও চিন্তার মানুষগুলোকে বলা হতো পিন্ডি বা দিল্লি চলে যেতে। এ
তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত বিজয় ছিনিয়ে আনা হবে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।’
ভোটের প্রচারের মাঠে নামতেই দেখা গেল, এত সব প্রতিশ্রুতি, ইতিবাচক বার্তা যেন নিছক কথার কথা। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)— তিন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কণ্ঠেই উঠে এলো প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার বার্তা।
‘২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে না তো? তাহলে ঘুষ-চাঁদাবাজি, সেটা যদি আমরা নির্মূল না করতে পারি— এই সকল সুযোগ সুবিধা কি জনগণের কাছে পর্যন্ত পৌঁছাবে?’— বলেন এনসিপির এই নেতা।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ইনশাল্লাহ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কার এগিয়ে নিতে এই ঐক্যের বিজয়ের কোনো বিকল্প নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন নেতা এ কে ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মাজার এবং শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘তারেক রহমান কড়াইলের বস্তিতে ফ্ল্যাট করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এটা তিনি করতে পারেন না। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে নিশ্চুপ, কেউ কথা বলছে না। তাহলে প্রশাসন ও বিএনপি একসঙ্গে কাজ করবে? তারেক রহমানের ক্ষেত্রে এক নীতি, অন্যদের ক্ষেত্রে আরেক নীতি।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ব্যবসায়ী নয়, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চাই জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয় বলেন, ‘ব্যবসায়ী বা ঋণখেলাপিদের অর্থায়নে কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে তিনি জনগণের চেয়ে অর্থদাতাদের স্বার্থ রক্ষায় বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠেন। এ
এনসিপি জানিয়েছে, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে থাকবেন দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা।