
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলকে নিয়ে গঠিত নির্বাচনি জোট জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৫৩ আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত করেছে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯টি আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসন, খেলাফত মজলিস ১০টি আসন, নেজামে ইসলাম পার্টি দুটি আসন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দুটি আসন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি তিনটি আসন ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সাতটি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন জোটে থাকলেও তাদের জন্য এখন পর্যন্ত আসন চূড়ান্ত হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে ১১ দল আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসন সমঝোতার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অবশ্য সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণার সময় আড়াই শ আসনে সমঝোতা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
এই নির্বাচনি জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দলটি নিজেদের মধ্যে ও ১১ দলের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। সংবাদ সম্মেলনেও দলটি উপস্থিত ছিল না। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের আমির জানান, দলটি এই জোটে থাকবে বলে তারা আশাবাদী।
শফিকুর রহমান বলেন, একটি দল আমাদের সঙ্গে এই জোটের যাত্রার সূচনায় ছিল, তাদের এখন আর দেখা যাচ্ছে না। তারা নিজেদের নিয়ে আরও বোঝাপড়া করছেন। তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। আমরা আশা করব তারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।
এর আগে সূচনা বক্তব্যে জামায়াতের আমির বলেন, এই ১১ দলের মধ্যে কেউ কাউকে সিট দেয়নি। সমঝোতা ও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১১ দলকে নির্বাচনি জোট না বলে নির্বাচনি ঐক্য নাম দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
জামায়তের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘ওয়ান বক্স’ পলিসি ধারণ করে আমরা এখানে এসেছি। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দুয়েকটি জায়গায় কিছু সমস্যা আছে। আশা করছি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগেই এগুলোর সমাধান হবে।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমাদের এখন পর্যন্ত আড়াই শ আসনে (২৫৩) সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি আসনগুলো নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের জোটের আরেকটি অন্যতম দল ইসলামী আন্দোলন, তারা এখানে নেই। জাগপা ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আসনও এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাকি আসনগুলো আরও যারা শরিকরা আছেন, আশা করি তারা ঐকমত্যের ভিত্তিতে তারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন। তখন আমরা তাদের আসন যেগুলো বাকি রয়েছে, সেগুলো অবহিত করব।
সংবাদ সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলকে নিয়ে গঠিত নির্বাচনি জোট জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৫৩ আসনে সমঝোতা চূড়ান্ত করেছে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯টি আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসন, খেলাফত মজলিস ১০টি আসন, নেজামে ইসলাম পার্টি দুটি আসন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) দুটি আসন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি তিনটি আসন ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সাতটি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন জোটে থাকলেও তাদের জন্য এখন পর্যন্ত আসন চূড়ান্ত হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে ১১ দল আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসন সমঝোতার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অবশ্য সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণার সময় আড়াই শ আসনে সমঝোতা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
এই নির্বাচনি জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দলটি নিজেদের মধ্যে ও ১১ দলের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। সংবাদ সম্মেলনেও দলটি উপস্থিত ছিল না। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের আমির জানান, দলটি এই জোটে থাকবে বলে তারা আশাবাদী।
শফিকুর রহমান বলেন, একটি দল আমাদের সঙ্গে এই জোটের যাত্রার সূচনায় ছিল, তাদের এখন আর দেখা যাচ্ছে না। তারা নিজেদের নিয়ে আরও বোঝাপড়া করছেন। তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। আমরা আশা করব তারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।
এর আগে সূচনা বক্তব্যে জামায়াতের আমির বলেন, এই ১১ দলের মধ্যে কেউ কাউকে সিট দেয়নি। সমঝোতা ও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১১ দলকে নির্বাচনি জোট না বলে নির্বাচনি ঐক্য নাম দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
জামায়তের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘ওয়ান বক্স’ পলিসি ধারণ করে আমরা এখানে এসেছি। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দুয়েকটি জায়গায় কিছু সমস্যা আছে। আশা করছি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগেই এগুলোর সমাধান হবে।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমাদের এখন পর্যন্ত আড়াই শ আসনে (২৫৩) সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি আসনগুলো নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের জোটের আরেকটি অন্যতম দল ইসলামী আন্দোলন, তারা এখানে নেই। জাগপা ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আসনও এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাকি আসনগুলো আরও যারা শরিকরা আছেন, আশা করি তারা ঐকমত্যের ভিত্তিতে তারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন। তখন আমরা তাদের আসন যেগুলো বাকি রয়েছে, সেগুলো অবহিত করব।
সংবাদ সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত বছরের জুনে প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে গেলে সেখানে তার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত বিএনপি গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
মামুনুল হক বলেন, ১০টি দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতের সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের প্রত্যাশা একসঙ্গেই এগিয়ে যেতে পারবো। ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করতে পারবো এই আশা করছি।
৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন, প্রেরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বাংলাদেশে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি প্রথম উদ্যোগ। ফলে কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে। তবে যেসব অনিয়মের
৭ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, সবার জন্য সুযোগ সুবিধা সমান হওয়া দরকার। তারা যদি এটি মনে করে থাকে তাদের সঙ্গে সরকারের তো খুব ভালো সম্পর্ক। তারা তো এই ত্রুটির কথা সরকারের সঙ্গে গিয়ে আলোচনা করে এটা মীমাংসা করতে পারে। যদি মীমাংসা করা সম্ভব না হয় অথবা উদ্যোগ না হয় তাহলে কি মানুষ ধরে নেবে যে এটি শুধু কথা বলার জন্য এই
৮ ঘণ্টা আগে