
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় পার্টি কোনো গণতান্ত্রিক শক্তি নয়, বরং তারা গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
তিনি বলেন, ‘যখন আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করছিল, তখন জাতীয় পার্টি তাদের পেছন থেকে পুশ দিয়ে বড় করেছে। এখন তারা সুশীলতার ভং ধরছে, যা জনগণ গ্রহণ করবে না।’
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রংপুরের পীরগঞ্জে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে এসব কথা বলেন আখতার হোসেন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে জাতীয় ছাত্রশক্তির ‘হ্যাঁ যাত্রা’ কর্মসূচির সূচনা হয় শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের মাধ্যমে।
আখতার হোসেন বলেন, ‘জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে সহায়তা করেছে এবং তাদের সব ধরনের অপকর্ম ও গণহত্যার বৈধতা দিয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও জাতীয় পার্টির যেসব সংসদ সদস্য ছিলেন, তারা কেউই পদত্যাগ করেননি।’
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘৫ আগস্ট যেভাবে জনগণ আওয়ামী লীগকে সংসদ থেকে বিতাড়িত করেছে, ঠিক সেভাবেই জাতীয় পার্টিকেও সংসদ থেকে উৎখাত করা হয়েছে।’
এ সময় তিনি বলেন, ‘ভারতের কাছে নিজেদের বর্গা দেওয়া জাতীয় পার্টি দেশের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। আইনগত বাধা থাকা সত্ত্বেও তাদের নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
এটি একটি এজেন্সির খেলা দাবি করে আখতার হোসেন বলেন, ‘সেই এজেন্সি জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে নামিয়ে নির্বাচনকে ভণ্ডুল ও অগ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করছে।’
এ সময় জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান তালাত মাহমুদ রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) আবু তৌহিদ মো. সিয়াম, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামলী সুলতানা জেদনীসহ ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয়, রংপুর জেলা ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পার্টি কোনো গণতান্ত্রিক শক্তি নয়, বরং তারা গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
তিনি বলেন, ‘যখন আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করছিল, তখন জাতীয় পার্টি তাদের পেছন থেকে পুশ দিয়ে বড় করেছে। এখন তারা সুশীলতার ভং ধরছে, যা জনগণ গ্রহণ করবে না।’
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রংপুরের পীরগঞ্জে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে এসব কথা বলেন আখতার হোসেন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে জাতীয় ছাত্রশক্তির ‘হ্যাঁ যাত্রা’ কর্মসূচির সূচনা হয় শহিদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের মাধ্যমে।
আখতার হোসেন বলেন, ‘জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে সহায়তা করেছে এবং তাদের সব ধরনের অপকর্ম ও গণহত্যার বৈধতা দিয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও জাতীয় পার্টির যেসব সংসদ সদস্য ছিলেন, তারা কেউই পদত্যাগ করেননি।’
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘৫ আগস্ট যেভাবে জনগণ আওয়ামী লীগকে সংসদ থেকে বিতাড়িত করেছে, ঠিক সেভাবেই জাতীয় পার্টিকেও সংসদ থেকে উৎখাত করা হয়েছে।’
এ সময় তিনি বলেন, ‘ভারতের কাছে নিজেদের বর্গা দেওয়া জাতীয় পার্টি দেশের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। আইনগত বাধা থাকা সত্ত্বেও তাদের নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
এটি একটি এজেন্সির খেলা দাবি করে আখতার হোসেন বলেন, ‘সেই এজেন্সি জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে নামিয়ে নির্বাচনকে ভণ্ডুল ও অগ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করছে।’
এ সময় জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান তালাত মাহমুদ রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) আবু তৌহিদ মো. সিয়াম, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামলী সুলতানা জেদনীসহ ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয়, রংপুর জেলা ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণের প্রাক্কালে জামায়াত নেতার এমন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। সেখানে দেওয়া তার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
৮ ঘণ্টা আগে
তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যোগ্যতার মানদণ্ড তুলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও গুণগত মান নষ্ট করে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
১ দিন আগে
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন. বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ভালো উদ্যোগ। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে ফ্যামিলি কার্ড হবে কেবল চোখ ধাঁধানো কর্মসূচি। অবিলম্বে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দা
১ দিন আগে