জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, ‘আইনগত বাধা না থাকলেও চাপের কারণে এনসিপিকে শাপলা প্রতীক দিতে সাহস পাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। এটা কমিশনের ব্যর্থতা।’
মামলায় দুজনের নাম উল্লেখ করে ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা নাম দেখিয়ে মামলা করা হয়েছে। আখতারের অভিযোগ, ওই দিনের হামলার পরও এয়ারপোর্টের লবিতে এবং অন্যান্য জায়গায় তারা নানাভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করছে।
যদি অন্য দলগুলো প্রতীকের অংশ হিসেবে এগুলো পেতে পারে, তাহলে এনসিপিকেও শাপলা প্রতীক দিতে হবে। আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব।
একই প্রতিষ্ঠানের গত মার্চে পরিচালিত একই ধরনের জরিপের ফলও ছিল প্রায় একই। ছয় মাস আগের জরিপে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ৪১ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ, জামায়াতকে ৩১ দশমিক ৬০ শতাংশ। সে হিসাবে বিএনপির তুলনায় জামায়াতের পক্ষে ভোট দিতে আগ্রহীর সংখ্যা কিছুটা বেশি কমেছে।
সারজিস আলম বলেন, ‘এনসিপির মার্কা শাপলাই হতে হবে। অন্য কোনো অপশন নাই। না হলে কোনো নির্বাচন কীভাবে হয় আর কে কীভাবে ক্ষমতায় গিয়ে মধু খাওয়ার স্বপ্ন দেখে, সেটা আমরাও দেখে নেব।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা বলতে চাই, ক্রমাগত হামলা চলছে। কিন্তু সরকার কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। এ ঘটনার সঙ্গে প্রশাসনের ভেতরের লোকজন জড়িত, তারা তথ্য পাচার করে।
নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করে লাঞ্ছিত ও তাসনিম জারাকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এই হামলার প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
পোস্টে সারজিস লেখেন, ‘এই অসভ্য জানোয়ারদের বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই। দালালি করতে করতে আর পা চাটতে চাটতে এরা এদের বিবেকবোধ হারিয়ে ফেলেছে। এরা এদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য অভিশাপ। এই নরপশুদের আর ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের ওপর সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তার সাহসের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে আগেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করতে দ্বিধাবোধ করেনি। সামনের দিনগুলোতেও আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধে বাংলাদেশের মানুষরা ঐক্যবদ্ধ থাকবে। বাংলাদেশে আওয়ামী ল
বিভিন্ন জরিপের তথ্য অনুযায়ী নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বলেন, আমরা যে জরিপগুলো করেছি, তাতে ১৫০টির মতো আসনে এনসিপির জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সেগুলো নিয়ে এরই মধ্যেই জেলা সমন্বয়কারীদের প্রস্তুতি নিতে বলেছি।
বিশেষ করে একটি নিবন্ধিত দলের সাথে আরেকটি অনিবন্ধিত দল কীভাবে এক হবে, দলের নেতৃত্ব কাঠামো কি হবে, ইত্যাদি বিষয়ে এখনো আলোচনা চলছে।
মানুষ এনসিপির কাছে নতুনত্ব প্রত্যাশা করেছে। সরকার পরিচালনার দায় নিয়ে এনসিপির যাত্রা শুরু হয়েছে। মিডিয়া ও সামরিক বাহিনীর যে অংশ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা লড়েছি প্রায় একাই। আমরা মিডিয়ার চোখে চোখ রেখে কথা বলেছি। আমরা সত্যকে সত্য বলি, মিথ্যাকে মিথ্যা বলি।
বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই মুহূর্তে জোট নয়। স্বতন্ত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এগোবে জাতীয় নাগরিক পার্টি জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির জন্য গণপরিষদের বিকল্প নেই। গণপরিষদ ও জাতীয় নির্বাচন আমরা যেহেতু একসঙ্গে চাচ্ছি, তাই সেই যৌথ নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য আমরা সবাইকে নির্দেশনা দি
এনসিপির মধ্যে বাম বলয় ও ইসলামপন্থি অংশের মধ্যে সম্প্রতি বেশ কিছু ইস্যুতে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে একটি ইস্যু ছিল বিশ্ববিদ্যালগুলোর ছাত্র সংসদ নির্বাচন।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘মাহফুজ আলমের ওপর হামলার মৌন সম্মতি যারা তৈরি করছে, তারাও ভুগবে। ফ্যাসিবাদ বিভাজনের রাজনীতি করে। মাহফুজ আলম গণঅভ্যুত্থানের পরে অন্তর্ভুক্তি এবং দায় ও দরদের রাজনীতির কথা বলছে। কিন্তু বাংলাদেশ সেই পথে হাঁটে নাই। আমরা দেখতে পাইছি ফ্যাসিবাদ বিরোধিতার নাম করে প্রতিক্রিয়াশীল ও প্রতিশোধের
তিনি লিখেন, ‘ভোট গণনা চলছে, এরপরই ফলাফল। শিক্ষার্থীরাসহ সারা দেশ এই ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছে। একটা অভ্যুত্থানের ফসল এই ডাকসু। শুধু রাজনৈতিক কামড়াকামড়ি আর জেতা-হারার ভয়ে ডাকসুটা যেন নষ্ট না হয়। যদি এটা হয়, তাহলে যাদের কারণে এটা হবে তারা এর দায় কখনো এড়াতে পারবে না এবং এই দায়ের বোঝা নিয়ে সামনে
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এনসিপি হলো ইনসাফের পক্ষে। আপনি যদি ইনসাফের পক্ষে থাকেন, তাহলে ধরে নিবো আপনি এনসিপির পক্ষের লোক। এনসিপি করে বেইনসাফি কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। এনসিপির নেতা হয়ে বেইনসাফি কাজ করে প্রোগ্রামে হাজার হাজার লোক নিয়ে আসেন, সেটা আমাদের দরকার নেই।