আকরামিনিয়া স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করি না। বর্তমান পরিস্থিতি এখনো আমাদের কাছে যুদ্ধকালীন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।" তিনি জানান, ইরান তার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করেছে। এবার কোনো আগ্রাসন ঘটলে শত্রুরা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম, আধুনিক অস্ত্র এবং উন্নত সমরক
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ইরান তাদের প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র সক্ষমতা ‘স্বাধীন দেশগুলোর’ সঙ্গে বিশেষ করে সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশন (এসসিও)-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী রেজা তালাই-নিক।
মার্কিন নৌ অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে রাশিয়ান একটি নৌ-যান। এই সুপারইয়টটি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের গুরুত্বপূর্ণ একজন মিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। খবর বিবিসির।
ইরানের নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখা হবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পর বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে।
ইরানের পক্ষে সমর্থনের কথা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে আমরা এমন সবকিছুই করব, যা আপনাদের স্বার্থ ও পুরো অঞ্চলের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং যেন যত দ্রুতসম্ভব শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায়। আপনারা আমাদের অবস্থান ভালোভাবেই জানেন।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোকে কঠোর হুমকি দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ওপর একটি হামলা হলে তার জবাব চার গুণ শক্তিতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
এক্স পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘তারা কার্ড নিয়ে গর্ব করে। চলুন দেখি: সরবরাহ কার্ড = চাহিদা কার্ড।’ তিনি আরও একটি সমীকরণ উপস্থাপন করে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আংশিক ব্যবহৃত, বাব আল-মন্দেব প্রণালি ও তেল পাইপলাইন এখনো অব্যবহৃত’— যা ইরানের কৌশলগত বিকল্প হিসেবে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হরমুজ প্রণালি ফের চালু এবং চলমান সংঘাতের অবসান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আরাগচির টেলিগ্রাম চ্যানেলে বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় এক পোস্টে জানানো হয়, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচি আজ (সোমবার) ভোরে রাশিয়া ফেডারেশনে একটি আনুষ্ঠানিক সফরের অংশ হিসেবে সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন। সফরে তিনি ভ্লাদিমির পুতিন ও সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আল
মস্কোয় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের বরাতে ইরানের বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, এ শহরেই রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও অংশ নেবেন। তাদের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হবে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের বর্তমান আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়
এক্সে শেহবাজ শরিফ লিখেছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত উষ্ণ ও আন্তরিক মতবিনিময় হয়েছে। আমরা পাকিস্তান-ইরান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।
২০২৫ সালের জুন মাসে যখন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনায় বসেছিলেন, ঠিক তখনই ইরানজুড়ে সামরিক হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে ‘সম্মানজনক প্রস্থানের পথ’ খুঁজছে বলে দাবি করেছে ইরান। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্র–ইরান প্রতিনিধিদের দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনার আগে শনিবার এই মন্তব্য করে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার বড় অংশ এখনো ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে দেশটি। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কায়া কাল্লাস সতর্ক করে বলেন, এবারের আলোচনা থেকে যদি ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির মতো শক্তিশালী কোনো সমঝোতায় না পৌঁছানো যায়, তাহলে বিশ্ব আরও বিপজ্জনক এক ইরানের মুখোমুখি হতে পারে।
প্রথম পর্বের আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এ পর্বে থাকছেন না। তবে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সরাসরি আলোচনায় বসার পরিকল্পনা নেই।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বে দেশটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আজ শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছাতে পারে। পাকিস্তানের একাধিক সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।