
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোকে কঠোর হুমকি দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ওপর একটি হামলা হলে তার জবাব চার গুণ শক্তিতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাইল সাঘাব ইসফাহানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, ইরানের কোনো তেল শোধনাগার, সরকারি স্থাপনা বা প্রতিরক্ষা অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে সমর্থনকারী উপসাগরীয় দেশগুলোর একই ধরনের স্থাপনায় পাল্টা চারগুণ হামলা চালানো হবে।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের হিসাব আলাদা। আমাদের একটি তেল শোধনাগারে হামলা হলে, আমরা চারটি তেল শোধনাগারে হামলা চালাব।”
এই হুমকি আসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সাম্প্রতিক সতর্কবার্তার পরপরই। রোববার তিনি হুঁশিয়ারি দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান সমঝোতায় না এলে তাদের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।
ফক্স নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান সমঝোতায় না আসা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অবরুদ্ধ করে রাখা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “ইরান যদি তেল রফতানি করতে না পারে, তাদের পাইপলাইন এমনিতেই অকেজো হয়ে যাবে। আর যদি না হয়, আমরা সেগুলো ধ্বংস করে দেব।”
এদিকে, কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ সফরে গেছেন। সেখানে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন-এর সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা সংলাপ নিয়ে আলোচনা চললেও, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান কতটা সফল হবে— তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সূত্র: গালফ নিউজ, এনডিটিভি অনলাইন

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোকে কঠোর হুমকি দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ওপর একটি হামলা হলে তার জবাব চার গুণ শক্তিতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাইল সাঘাব ইসফাহানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, ইরানের কোনো তেল শোধনাগার, সরকারি স্থাপনা বা প্রতিরক্ষা অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে সমর্থনকারী উপসাগরীয় দেশগুলোর একই ধরনের স্থাপনায় পাল্টা চারগুণ হামলা চালানো হবে।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের হিসাব আলাদা। আমাদের একটি তেল শোধনাগারে হামলা হলে, আমরা চারটি তেল শোধনাগারে হামলা চালাব।”
এই হুমকি আসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সাম্প্রতিক সতর্কবার্তার পরপরই। রোববার তিনি হুঁশিয়ারি দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইরান সমঝোতায় না এলে তাদের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।
ফক্স নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান সমঝোতায় না আসা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অবরুদ্ধ করে রাখা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, “ইরান যদি তেল রফতানি করতে না পারে, তাদের পাইপলাইন এমনিতেই অকেজো হয়ে যাবে। আর যদি না হয়, আমরা সেগুলো ধ্বংস করে দেব।”
এদিকে, কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ সফরে গেছেন। সেখানে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন-এর সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা সংলাপ নিয়ে আলোচনা চললেও, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান কতটা সফল হবে— তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সূত্র: গালফ নিউজ, এনডিটিভি অনলাইন

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৯ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২১ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে